সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান

 ঢাকাঢাকা

ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিশেষ সেল, প্রস্তুত করা হচ্ছে ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে জরুরি সাড়া, জাতীয় টাস্কফোর্স, স্বেচ্ছাসেবক প্রশিক্ষণ ও দুর্যোগকালীন সমন্বয় জোরদারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

তানভীর সুজন
তানভীর সুজন
ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিশেষ সেল, প্রস্তুত করা হচ্ছে ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক
ছবি- প্রতীকী (এ আই জেনারেটেড)

ভূমিকম্পের মতো বড় ধরনের দুর্যোগ মোকাবিলায় দেশের প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী করতে একাধিক উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে। এর মধ্যে রয়েছে জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন, ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় এক লাখ প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত করা এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একটি বিশেষ সেল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা।

বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকের তথ্য সাংবাদিকদের জানান প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন।

তিনি বলেন, বৈঠকে ভূমিকম্প-পরবর্তী জরুরি সাড়া কার্যক্রম আরও কার্যকর করার পাশাপাশি সরকারের সার্বিক প্রস্তুতি জোরদারের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করা হয়। বিশেষ করে দুর্যোগের সময় দ্রুত উদ্ধার ও সহায়তা নিশ্চিত করতে জাতীয় পর্যায়ে একটি টাস্কফোর্স গঠনের বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

বৈঠকে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের জন্য এক লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হয়। এসব স্বেচ্ছাসেবককে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়ার পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতিতে ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহের পরিকল্পনাও পর্যালোচনা করা হয়েছে।

উপ-প্রেস সচিব জানান, এ পর্যন্ত ৭০ হাজার স্বেচ্ছাসেবকের তথ্যভান্ডার (ডাটাবেজ) প্রস্তুত করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে আরও ৩০ হাজার স্বেচ্ছাসেবককে অন্তর্ভুক্ত করে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা হবে।

বৈঠকে ভূমিকম্প বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ভূমিকম্প প্রস্তুতি ও সমন্বয় কার্যক্রম তদারকির জন্য একটি বিশেষ সেল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দুর্যোগের সময় সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করার উপায় নিয়েও আলোচনা হয়। পাশাপাশি রাজধানী ঢাকায় হিউম্যানিটারিয়ান স্ট্যাগিং এরিয়া (এইচএসএ) প্রতিষ্ঠার বিষয়টি বিবেচনায় আনা হয়েছে, যাতে দুর্যোগকালীন সময়ে দ্রুত ত্রাণসামগ্রী ও জরুরি সহায়তা সংরক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় এলাকায় পৌঁছে দেওয়া সহজ হয়।

সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেইন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম. এ. মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মো. সাইদুর রহমান খানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিষয় : ভূমিকম্প মোকাবিলা ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক

কাল মহাকাল

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬


ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিশেষ সেল, প্রস্তুত করা হচ্ছে ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬

featured Image

ভূমিকম্পের মতো বড় ধরনের দুর্যোগ মোকাবিলায় দেশের প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী করতে একাধিক উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে। এর মধ্যে রয়েছে জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন, ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় এক লাখ প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত করা এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একটি বিশেষ সেল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা।

বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকের তথ্য সাংবাদিকদের জানান প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন।

তিনি বলেন, বৈঠকে ভূমিকম্প-পরবর্তী জরুরি সাড়া কার্যক্রম আরও কার্যকর করার পাশাপাশি সরকারের সার্বিক প্রস্তুতি জোরদারের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করা হয়। বিশেষ করে দুর্যোগের সময় দ্রুত উদ্ধার ও সহায়তা নিশ্চিত করতে জাতীয় পর্যায়ে একটি টাস্কফোর্স গঠনের বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

বৈঠকে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের জন্য এক লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হয়। এসব স্বেচ্ছাসেবককে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়ার পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতিতে ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহের পরিকল্পনাও পর্যালোচনা করা হয়েছে।

উপ-প্রেস সচিব জানান, এ পর্যন্ত ৭০ হাজার স্বেচ্ছাসেবকের তথ্যভান্ডার (ডাটাবেজ) প্রস্তুত করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে আরও ৩০ হাজার স্বেচ্ছাসেবককে অন্তর্ভুক্ত করে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা হবে।

বৈঠকে ভূমিকম্প বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ভূমিকম্প প্রস্তুতি ও সমন্বয় কার্যক্রম তদারকির জন্য একটি বিশেষ সেল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দুর্যোগের সময় সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করার উপায় নিয়েও আলোচনা হয়। পাশাপাশি রাজধানী ঢাকায় হিউম্যানিটারিয়ান স্ট্যাগিং এরিয়া (এইচএসএ) প্রতিষ্ঠার বিষয়টি বিবেচনায় আনা হয়েছে, যাতে দুর্যোগকালীন সময়ে দ্রুত ত্রাণসামগ্রী ও জরুরি সহায়তা সংরক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় এলাকায় পৌঁছে দেওয়া সহজ হয়।

সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেইন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম. এ. মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মো. সাইদুর রহমান খানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


কাল মহাকাল

সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান


কপিরাইট © ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত