সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান

 খেলাখেলা

ব্রাজিলের জার্সিকে বিদায়, অবসরের ঘোষণা নেইমারের

বিশ্বকাপের পর জল্পনা থাকলেও সব গুঞ্জনের অবসান ঘটালেন ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতা। সান্তোসের ম্যাচ শেষে জানিয়ে দিলেন, জাতীয় দলে তাঁর অধ্যায় শেষ।

সুমন শাহরিয়ার
সুমন শাহরিয়ার
ব্রাজিলের জার্সিকে বিদায়, অবসরের ঘোষণা নেইমারের
ছবি -সংগৃহীত

ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে আর মাঠে নামবেন না নেইমার। বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে নরওয়ের বিপক্ষে বিদায়ের পর যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, এবার সেটিরও ইতি টানলেন ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার। সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, জাতীয় দলের হয়ে তাঁর পথচলা শেষ।

বিশ্বকাপে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হারের পর নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে আবেগঘন প্রতিক্রিয়ায় নেইমার বলেছিলেন, ‘আমি চেষ্টা করেছি, সত্যিই চেষ্টা করেছি। এখন সব শেষ। এখানে আমার শুরু হয়েছিল, এখানেই শেষ হলো।’ তবে তখন তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে অবসরের ঘোষণা না দেওয়ায় সমর্থকদের একাংশ আশা করেছিলেন, হয়তো ভবিষ্যতে আবারও হলুদ জার্সিতে দেখা যাবে তাঁকে।

সেই সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিলেন ৩৪ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। কোপা সুদামেরিকানার নকআউট প্লে-অফে ইউনিভার্সিদাদ সেন্ট্রালের বিপক্ষে সান্তোসের ৪-২ গোলের জয়ের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নিজের সিদ্ধান্ত স্পষ্ট করে জানান তিনি।

সম্প্রতি সাও পাওলোর উইঙ্গার লুকাস মউরা এক সাক্ষাৎকারে আশা প্রকাশ করেছিলেন, নেইমার হয়তো ২০৩০ বিশ্বকাপেও খেলবেন। সেই মন্তব্যের প্রসঙ্গ টানতেই নেইমার বলেন, “মউরাকে ধন্যবাদ। কিন্তু সেটা আর হবে না। জাতীয় দলে আমার সময় শেষ। এই জার্সিতে আমি ইতিহাস গড়েছি, অসংখ্য সুখের মুহূর্ত পেয়েছি। নিজের জীবন, রক্ত—সবকিছু উজাড় করে দিয়েছি। সব সময় দেশের জন্য লড়েছি। কিন্তু এখন আর সেই অধ্যায় চালিয়ে যেতে চাই না।”

ইউনিভার্সিদাদ সেন্ট্রালের বিপক্ষে ম্যাচে বিরতির পর মাঠে নামেন নেইমার। দ্বিতীয়ার্ধে তাঁর পারফরম্যান্সে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে ব্রাজিলের গণমাধ্যম। তবে ক্লাব ফুটবলে খেলা চালিয়ে গেলেও জাতীয় দলে ফেরার সব সম্ভাবনার দরজা কার্যত বন্ধ করে দিলেন তিনি।

২০১০ সালে ব্রাজিলের জার্সিতে অভিষেক হয়েছিল নেইমারের। দীর্ঘ ১৬ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ১৩০টি ম্যাচ খেলে ৮০ গোল করেছেন তিনি, যা ব্রাজিলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। জাতীয় দলের হয়ে তাঁর শেষ গোলটি আসে সদ্য শেষ হওয়া বিশ্বকাপে নরওয়ের বিপক্ষে, হারের ম্যাচে যোগ করা সময়ে পেনাল্টি থেকে। তাঁর এই বিদায়ের মধ্য দিয়ে ব্রাজিল ফুটবলের একটি স্মরণীয় অধ্যায়েরও সমাপ্তি ঘটল।

বিষয় : নেইমার বিদায়

কাল মহাকাল

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬


ব্রাজিলের জার্সিকে বিদায়, অবসরের ঘোষণা নেইমারের

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬

featured Image

ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে আর মাঠে নামবেন না নেইমার। বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে নরওয়ের বিপক্ষে বিদায়ের পর যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, এবার সেটিরও ইতি টানলেন ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার। সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, জাতীয় দলের হয়ে তাঁর পথচলা শেষ।

বিশ্বকাপে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হারের পর নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে আবেগঘন প্রতিক্রিয়ায় নেইমার বলেছিলেন, ‘আমি চেষ্টা করেছি, সত্যিই চেষ্টা করেছি। এখন সব শেষ। এখানে আমার শুরু হয়েছিল, এখানেই শেষ হলো।’ তবে তখন তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে অবসরের ঘোষণা না দেওয়ায় সমর্থকদের একাংশ আশা করেছিলেন, হয়তো ভবিষ্যতে আবারও হলুদ জার্সিতে দেখা যাবে তাঁকে।

সেই সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিলেন ৩৪ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। কোপা সুদামেরিকানার নকআউট প্লে-অফে ইউনিভার্সিদাদ সেন্ট্রালের বিপক্ষে সান্তোসের ৪-২ গোলের জয়ের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নিজের সিদ্ধান্ত স্পষ্ট করে জানান তিনি।

সম্প্রতি সাও পাওলোর উইঙ্গার লুকাস মউরা এক সাক্ষাৎকারে আশা প্রকাশ করেছিলেন, নেইমার হয়তো ২০৩০ বিশ্বকাপেও খেলবেন। সেই মন্তব্যের প্রসঙ্গ টানতেই নেইমার বলেন, “মউরাকে ধন্যবাদ। কিন্তু সেটা আর হবে না। জাতীয় দলে আমার সময় শেষ। এই জার্সিতে আমি ইতিহাস গড়েছি, অসংখ্য সুখের মুহূর্ত পেয়েছি। নিজের জীবন, রক্ত—সবকিছু উজাড় করে দিয়েছি। সব সময় দেশের জন্য লড়েছি। কিন্তু এখন আর সেই অধ্যায় চালিয়ে যেতে চাই না।”

ইউনিভার্সিদাদ সেন্ট্রালের বিপক্ষে ম্যাচে বিরতির পর মাঠে নামেন নেইমার। দ্বিতীয়ার্ধে তাঁর পারফরম্যান্সে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে ব্রাজিলের গণমাধ্যম। তবে ক্লাব ফুটবলে খেলা চালিয়ে গেলেও জাতীয় দলে ফেরার সব সম্ভাবনার দরজা কার্যত বন্ধ করে দিলেন তিনি।

২০১০ সালে ব্রাজিলের জার্সিতে অভিষেক হয়েছিল নেইমারের। দীর্ঘ ১৬ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ১৩০টি ম্যাচ খেলে ৮০ গোল করেছেন তিনি, যা ব্রাজিলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। জাতীয় দলের হয়ে তাঁর শেষ গোলটি আসে সদ্য শেষ হওয়া বিশ্বকাপে নরওয়ের বিপক্ষে, হারের ম্যাচে যোগ করা সময়ে পেনাল্টি থেকে। তাঁর এই বিদায়ের মধ্য দিয়ে ব্রাজিল ফুটবলের একটি স্মরণীয় অধ্যায়েরও সমাপ্তি ঘটল।


কাল মহাকাল

সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান


কপিরাইট © ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত