আন্তর্জাতিক
ইরাকজুড়ে একাধিক স্থানে পরিচালিত বিমান হামলায় রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট শিয়া জোট পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস (পিএমএফ)-এর অন্তত ২০ সদস্য নিহত এবং আরও ৩২ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে সংগঠনটি। বুধবার রাতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তারা জানায়, হামলার ফলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে, কারণ ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন এখনও শেষ হয়নি।
পিএমএফের ভাষ্য অনুযায়ী, রাজধানী বাগদাদসহ ওয়াসিত, নিনেভেহ, বসরা, কিরকুক, কারবালা এবং দিয়ালা—এই সাতটি প্রদেশে তাদের বিভিন্ন ঘাঁটি ও অবস্থান লক্ষ্য করে একযোগে বিমান হামলা চালানো হয়।
সংগঠনটি জানায়, প্রাণহানির পাশাপাশি হামলায় বিভিন্ন স্থাপনা, সামরিক যান এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জামেরও উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোর পরিমাণ ও আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির হিসাব এখনও সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটির গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনায় ড্রোন হামলার চেষ্টা ব্যর্থ করার পর যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)-এর সঙ্গে সমন্বয় করে ইরাকে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
রিয়াদের দাবি, সৌদি তেল স্থাপনায় হামলার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে অত্যন্ত নির্ভুলভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি অবকাঠামো রক্ষার স্বার্থে এই সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এদিকে হামলার ঘটনাকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরাকে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের সমন্বিত সামরিক অভিযান অঞ্চলটির নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
2.png)
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
ইরাকজুড়ে একাধিক স্থানে পরিচালিত বিমান হামলায় রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট শিয়া জোট পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস (পিএমএফ)-এর অন্তত ২০ সদস্য নিহত এবং আরও ৩২ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে সংগঠনটি। বুধবার রাতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তারা জানায়, হামলার ফলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে, কারণ ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন এখনও শেষ হয়নি।
পিএমএফের ভাষ্য অনুযায়ী, রাজধানী বাগদাদসহ ওয়াসিত, নিনেভেহ, বসরা, কিরকুক, কারবালা এবং দিয়ালা—এই সাতটি প্রদেশে তাদের বিভিন্ন ঘাঁটি ও অবস্থান লক্ষ্য করে একযোগে বিমান হামলা চালানো হয়।
সংগঠনটি জানায়, প্রাণহানির পাশাপাশি হামলায় বিভিন্ন স্থাপনা, সামরিক যান এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জামেরও উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোর পরিমাণ ও আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির হিসাব এখনও সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটির গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনায় ড্রোন হামলার চেষ্টা ব্যর্থ করার পর যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)-এর সঙ্গে সমন্বয় করে ইরাকে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
রিয়াদের দাবি, সৌদি তেল স্থাপনায় হামলার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে অত্যন্ত নির্ভুলভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি অবকাঠামো রক্ষার স্বার্থে এই সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এদিকে হামলার ঘটনাকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরাকে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের সমন্বিত সামরিক অভিযান অঞ্চলটির নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
2.png)