জাতীয়
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ নিয়ে সরকার এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, বিষয়টি বর্তমানে সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।
বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারতের পক্ষ থেকে পাঠানো আমন্ত্রণ সরকার গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করছে। তবে এখনই এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর তা গণমাধ্যমকে জানানো হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি জানান, একই সময়ে প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর সংক্রান্ত আরও কয়েকটি আমন্ত্রণ রয়েছে। পাশাপাশি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক সফরের বিষয়টিও সরকারের বিবেচনায় আছে। ফলে সব আন্তর্জাতিক কর্মসূচি সমন্বয় করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানান।
ড. খলিলুর রহমান আরও বলেন, সম্প্রতি ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস. জয়শঙ্করের সঙ্গে তার বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। উভয় দেশই ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতা ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে।
অন্যদিকে, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, নয়াদিল্লি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানানোর জন্য আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের এ সফর শিগগিরই বাস্তবায়িত হবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে পৃথক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সময়সূচি নির্ধারণ পুরোপুরি তার নিজস্ব অগ্রাধিকার ও সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।
ভারতের পক্ষ থেকে ব্রিকস সম্মেলনের এই আমন্ত্রণ এমন এক সময়ে এসেছে, যখন পারস্পরিক স্বার্থকে সামনে রেখে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে উভয় দেশ নতুন করে আগ্রহ দেখাচ্ছে।
2.png)
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ নিয়ে সরকার এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, বিষয়টি বর্তমানে সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।
বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারতের পক্ষ থেকে পাঠানো আমন্ত্রণ সরকার গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করছে। তবে এখনই এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর তা গণমাধ্যমকে জানানো হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি জানান, একই সময়ে প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর সংক্রান্ত আরও কয়েকটি আমন্ত্রণ রয়েছে। পাশাপাশি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক সফরের বিষয়টিও সরকারের বিবেচনায় আছে। ফলে সব আন্তর্জাতিক কর্মসূচি সমন্বয় করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানান।
ড. খলিলুর রহমান আরও বলেন, সম্প্রতি ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস. জয়শঙ্করের সঙ্গে তার বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। উভয় দেশই ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতা ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে।
অন্যদিকে, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, নয়াদিল্লি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানানোর জন্য আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের এ সফর শিগগিরই বাস্তবায়িত হবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে পৃথক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সময়সূচি নির্ধারণ পুরোপুরি তার নিজস্ব অগ্রাধিকার ও সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।
ভারতের পক্ষ থেকে ব্রিকস সম্মেলনের এই আমন্ত্রণ এমন এক সময়ে এসেছে, যখন পারস্পরিক স্বার্থকে সামনে রেখে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে উভয় দেশ নতুন করে আগ্রহ দেখাচ্ছে।
2.png)