সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান

 ঢাকাঢাকা

শাপলা চত্বর মামলায় গ্রেফতার লতিফ সিদ্দিকী

রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ। ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

রিয়াজ রহমান
রিয়াজ রহমান
শাপলা চত্বর মামলায় গ্রেফতার লতিফ সিদ্দিকী
ছবি -সংগৃহীত

সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা (ডিবি) শাখা। বুধবার (২৯ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এর কয়েক ঘণ্টা আগে বুধবার সকালে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় হাজিরা দিতে রাজধানীর শাহবাগ থানাসংশ্লিষ্ট আদালতে যান লতিফ সিদ্দিকী। আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, শাপলা চত্বরের ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিনি ১০ নম্বর আসামি। একই সঙ্গে তিনি বলেছিলেন, পুলিশ যদি তাকে গ্রেফতার না করে, তাহলে আগামী সপ্তাহে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গিয়ে আত্মসমর্পণ করবেন।

শাপলা চত্বরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গ্রহণ করেছে। গত ২৭ জুলাই ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে মামলার পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়।

মামলায় পলাতক আসামিদের তালিকায় রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদসহ মোট ৪১ জন।

লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতারের আগে এ মামলায় নয়জন আসামি আটক ছিলেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক এ কে এম শহিদুল হক, সাবেক ডিআইজি মোল্যা নজরুল ইসলাম, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা শাহরিয়ার কবির, সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল, সাংবাদিক ফারজানা রূপা এবং মোজাম্মেল বাবু।

এর আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর জানিয়েছিলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনায় অন্তত ৫৮ জন নিহত হওয়ার প্রমাণ তদন্তে পাওয়া গেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ শেষে রাতে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে অবস্থানকারীদের ওপর অভিযান চালানো হয়। পরে এ ঘটনায় বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করে হেফাজতে ইসলাম।

কাল মহাকাল

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬


শাপলা চত্বর মামলায় গ্রেফতার লতিফ সিদ্দিকী

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬

featured Image

সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা (ডিবি) শাখা। বুধবার (২৯ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এর কয়েক ঘণ্টা আগে বুধবার সকালে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় হাজিরা দিতে রাজধানীর শাহবাগ থানাসংশ্লিষ্ট আদালতে যান লতিফ সিদ্দিকী। আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, শাপলা চত্বরের ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিনি ১০ নম্বর আসামি। একই সঙ্গে তিনি বলেছিলেন, পুলিশ যদি তাকে গ্রেফতার না করে, তাহলে আগামী সপ্তাহে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গিয়ে আত্মসমর্পণ করবেন।

শাপলা চত্বরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গ্রহণ করেছে। গত ২৭ জুলাই ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে মামলার পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়।

মামলায় পলাতক আসামিদের তালিকায় রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদসহ মোট ৪১ জন।

লতিফ সিদ্দিকী গ্রেফতারের আগে এ মামলায় নয়জন আসামি আটক ছিলেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক এ কে এম শহিদুল হক, সাবেক ডিআইজি মোল্যা নজরুল ইসলাম, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা শাহরিয়ার কবির, সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল, সাংবাদিক ফারজানা রূপা এবং মোজাম্মেল বাবু।

এর আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর জানিয়েছিলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনায় অন্তত ৫৮ জন নিহত হওয়ার প্রমাণ তদন্তে পাওয়া গেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ শেষে রাতে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে অবস্থানকারীদের ওপর অভিযান চালানো হয়। পরে এ ঘটনায় বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করে হেফাজতে ইসলাম।


কাল মহাকাল

সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান


কপিরাইট © ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত