ঢাকা
রাজধানীর মিরপুরে মিরপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের পেছনের সীমানা প্রাচীর ধসে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে লাভ রোড-মন্দির রোড এলাকায় টিসিবির পণ্য বিক্রির সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে একজন নাছিমা বেগম। তিনি পাশের জনতা হাউজিং এলাকার বাসিন্দা। অপর নিহত ব্যক্তি প্রায় ৪০ বছর বয়সী একজন পুরুষ। তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় জানা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, টিসিবির পণ্য সংগ্রহের জন্য কলেজের দেয়ালের পাশেই দীর্ঘ সারিতে অপেক্ষা করছিলেন বহু মানুষ। হঠাৎ কোনো পূর্বাভাস ছাড়াই কলেজের পেছনের সীমানা প্রাচীর ভেঙে পড়ে। এতে দেয়ালের নিচে কয়েকজন নারী-পুরুষ চাপা পড়েন এবং চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত উদ্ধারকাজে নেমে পড়েন। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠান। নাছিমা বেগমকে জাতীয় পঙ্গু হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় আরও একজন নারী হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
মিরপুর বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মোস্তাক সরকার জানান, সীমানা প্রাচীরটি ধসে ফুটপাতের ওপর পড়ে গেলে সেখানে থাকা সাত থেকে আটজন চাপা পড়েন। উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর এক নারী ও এক পুরুষের মৃত্যু হয়।
তিনি বলেন, নিহতরা টিসিবির পণ্য নিতে এসেছিলেন কি না, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। কারণ ওই সময় সড়কে টিসিবির পণ্য বিক্রি চলছিল এবং সেখানে মানুষের ভিড় ছিল। একই সঙ্গে অনেক পথচারীও ফুটপাত ব্যবহার করছিলেন। দেয়াল ধসের সময় ফুটপাতে থাকা দুজন নিহত হন। তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও নিহতদের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
2.png)
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
রাজধানীর মিরপুরে মিরপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের পেছনের সীমানা প্রাচীর ধসে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে লাভ রোড-মন্দির রোড এলাকায় টিসিবির পণ্য বিক্রির সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে একজন নাছিমা বেগম। তিনি পাশের জনতা হাউজিং এলাকার বাসিন্দা। অপর নিহত ব্যক্তি প্রায় ৪০ বছর বয়সী একজন পুরুষ। তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় জানা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, টিসিবির পণ্য সংগ্রহের জন্য কলেজের দেয়ালের পাশেই দীর্ঘ সারিতে অপেক্ষা করছিলেন বহু মানুষ। হঠাৎ কোনো পূর্বাভাস ছাড়াই কলেজের পেছনের সীমানা প্রাচীর ভেঙে পড়ে। এতে দেয়ালের নিচে কয়েকজন নারী-পুরুষ চাপা পড়েন এবং চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত উদ্ধারকাজে নেমে পড়েন। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠান। নাছিমা বেগমকে জাতীয় পঙ্গু হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় আরও একজন নারী হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
মিরপুর বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মোস্তাক সরকার জানান, সীমানা প্রাচীরটি ধসে ফুটপাতের ওপর পড়ে গেলে সেখানে থাকা সাত থেকে আটজন চাপা পড়েন। উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর এক নারী ও এক পুরুষের মৃত্যু হয়।
তিনি বলেন, নিহতরা টিসিবির পণ্য নিতে এসেছিলেন কি না, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। কারণ ওই সময় সড়কে টিসিবির পণ্য বিক্রি চলছিল এবং সেখানে মানুষের ভিড় ছিল। একই সঙ্গে অনেক পথচারীও ফুটপাত ব্যবহার করছিলেন। দেয়াল ধসের সময় ফুটপাতে থাকা দুজন নিহত হন। তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও নিহতদের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
2.png)