অর্থনীতি
দেশের ব্যাংকিং খাতে আবারও বাড়তে শুরু করেছে মার্কিন ডলারের দাম। রেমিট্যান্স সংগ্রহে ব্যাংকগুলোর প্রতিযোগিতা এবং আমদানি এলসি খোলার চাপ বেড়ে যাওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে গ্রাহকদের কাছে ডলার বিক্রির দামেও।
সোমবার (২৭ জুলাই) বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সের প্রতি ডলার কিনেছে ১২৩ টাকা ৮৫ থেকে ১২৩ টাকা ৯০ পয়সা দরে। একই দিনে গ্রাহকদের কাছে ডলার বিক্রি করা হয়েছে সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা ৯৫ পয়সা দরে। পাশাপাশি আন্তঃব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রা বাজারেও ডলারের দাম বেড়ে সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা ৮২ পয়সায় পৌঁছেছে।
ব্যাংকসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বেসরকারি উদ্যোক্তা ও সরকারের আমদানি এলসি খোলার পরিমাণ বাড়ায় বাজারে ডলারের চাহিদা বেড়েছে। সেই চাহিদা পূরণে ব্যাংকগুলো বেশি দামে ডলার সংগ্রহ করছে। ফলে রেমিট্যান্সের ডলার কিনতেও এক ধরনের প্রতিযোগিতা তৈরি হয়েছে।
এর আগের দিন রোববার (২৬ জুলাই) রেমিট্যান্সের প্রতি ডলার সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা ৯০ পয়সা এবং সর্বনিম্ন ১২৩ টাকা ৮৫ পয়সা দরে কেনা হয়েছিল। একই সময়ে আন্তঃব্যাংক বাজারেও ডলারের দর ঊর্ধ্বমুখী ছিল।
গত সপ্তাহে রেমিট্যান্সের প্রতি ডলারের সর্বোচ্চ দাম ছিল ১২৩ টাকা ৭৫ পয়সা এবং আন্তঃব্যাংক বাজারে ছিল ১২৩ টাকা ৬০ পয়সা। একই সঙ্গে রপ্তানি আয়ের ডলারের মূল্যও বেড়েছে, যা সামগ্রিকভাবে ব্যাংকগুলোর বিক্রিমূল্য বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।
সোমবার অধিকাংশ ব্যাংক আমদানি এলসির বিপরীতে প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ৯০ থেকে ১২৩ টাকা ৯৫ পয়সা দরে বিক্রি করেছে। এদিন গড় বিক্রিমূল্য ছিল ১২৩ টাকা ৯২ পয়সা, যা আগের সপ্তাহের গড় ১২৩ টাকা ৭৫ পয়সার তুলনায় বেশি।
এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রত্যাশা, রেমিট্যান্সের ডলারের দাম বাড়ায় প্রবাসীরা বৈধ পথে আরও বেশি অর্থ দেশে পাঠাতে উৎসাহিত হবেন। একই সঙ্গে রপ্তানি আয়ও ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত হবে বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বিষয় : ডলারের মূল্য
2.png)
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
দেশের ব্যাংকিং খাতে আবারও বাড়তে শুরু করেছে মার্কিন ডলারের দাম। রেমিট্যান্স সংগ্রহে ব্যাংকগুলোর প্রতিযোগিতা এবং আমদানি এলসি খোলার চাপ বেড়ে যাওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে গ্রাহকদের কাছে ডলার বিক্রির দামেও।
সোমবার (২৭ জুলাই) বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সের প্রতি ডলার কিনেছে ১২৩ টাকা ৮৫ থেকে ১২৩ টাকা ৯০ পয়সা দরে। একই দিনে গ্রাহকদের কাছে ডলার বিক্রি করা হয়েছে সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা ৯৫ পয়সা দরে। পাশাপাশি আন্তঃব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রা বাজারেও ডলারের দাম বেড়ে সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা ৮২ পয়সায় পৌঁছেছে।
ব্যাংকসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বেসরকারি উদ্যোক্তা ও সরকারের আমদানি এলসি খোলার পরিমাণ বাড়ায় বাজারে ডলারের চাহিদা বেড়েছে। সেই চাহিদা পূরণে ব্যাংকগুলো বেশি দামে ডলার সংগ্রহ করছে। ফলে রেমিট্যান্সের ডলার কিনতেও এক ধরনের প্রতিযোগিতা তৈরি হয়েছে।
এর আগের দিন রোববার (২৬ জুলাই) রেমিট্যান্সের প্রতি ডলার সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা ৯০ পয়সা এবং সর্বনিম্ন ১২৩ টাকা ৮৫ পয়সা দরে কেনা হয়েছিল। একই সময়ে আন্তঃব্যাংক বাজারেও ডলারের দর ঊর্ধ্বমুখী ছিল।
গত সপ্তাহে রেমিট্যান্সের প্রতি ডলারের সর্বোচ্চ দাম ছিল ১২৩ টাকা ৭৫ পয়সা এবং আন্তঃব্যাংক বাজারে ছিল ১২৩ টাকা ৬০ পয়সা। একই সঙ্গে রপ্তানি আয়ের ডলারের মূল্যও বেড়েছে, যা সামগ্রিকভাবে ব্যাংকগুলোর বিক্রিমূল্য বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।
সোমবার অধিকাংশ ব্যাংক আমদানি এলসির বিপরীতে প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ৯০ থেকে ১২৩ টাকা ৯৫ পয়সা দরে বিক্রি করেছে। এদিন গড় বিক্রিমূল্য ছিল ১২৩ টাকা ৯২ পয়সা, যা আগের সপ্তাহের গড় ১২৩ টাকা ৭৫ পয়সার তুলনায় বেশি।
এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রত্যাশা, রেমিট্যান্সের ডলারের দাম বাড়ায় প্রবাসীরা বৈধ পথে আরও বেশি অর্থ দেশে পাঠাতে উৎসাহিত হবেন। একই সঙ্গে রপ্তানি আয়ও ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত হবে বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
2.png)