আইন-কানুন
১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট আবেদন সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি মো. জিয়াউল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এর আগে গত ৭ জুন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ মহসেন রশিদ রিটটি দায়ের করেন। গত ২৬ জুলাই এ বিষয়ে শুনানি শেষে আদালত আদেশের জন্য দিন নির্ধারণ করেছিলেন।
রিটের পক্ষে আদালতে নিজেই শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ মহসেন রশিদ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস এবং ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সাইফুজ্জামান তুহিন।
আদেশের পর ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সাইফুজ্জামান তুহিন সাংবাদিকদের জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইন, ১৯৭৩-এর বৈধতা নিয়ে করা রিট আবেদনটি হাইকোর্ট সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন।
রিট আবেদনে বলা হয়, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী ও তাদের সহযোগীদের সংঘটিত অপরাধের বিচার নিশ্চিত করতে ১৯৭৩ সালে এ আইন প্রণয়ন করা হয়েছিল। তবে পরবর্তীকালে সিমলা চুক্তি এবং ত্রিপক্ষীয় দিল্লি চুক্তির মাধ্যমে যুদ্ধবন্দীদের প্রত্যাবাসন সম্পন্ন হওয়ায় ওই আইনের অধীনে বিচার পরিচালনার প্রয়োজনীয়তা কার্যত শেষ হয়ে গেছে বলে দাবি করা হয়।
এ ছাড়া রিটে অভিযোগ করা হয়, সময়ের পরিক্রমায় আইনটি তার মূল উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতা হারিয়েছে এবং এটি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। সেই যুক্তিতে আইনটির অপব্যবহার রোধে এটি বাতিলের উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়ার জন্য আদালতের কাছে রুল জারির আবেদন জানানো হয়।
রিটে আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিবকে বিবাদী করা হয়েছিল।
2.png)
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট আবেদন সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি মো. জিয়াউল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এর আগে গত ৭ জুন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ মহসেন রশিদ রিটটি দায়ের করেন। গত ২৬ জুলাই এ বিষয়ে শুনানি শেষে আদালত আদেশের জন্য দিন নির্ধারণ করেছিলেন।
রিটের পক্ষে আদালতে নিজেই শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ মহসেন রশিদ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস এবং ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সাইফুজ্জামান তুহিন।
আদেশের পর ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সাইফুজ্জামান তুহিন সাংবাদিকদের জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইন, ১৯৭৩-এর বৈধতা নিয়ে করা রিট আবেদনটি হাইকোর্ট সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন।
রিট আবেদনে বলা হয়, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী ও তাদের সহযোগীদের সংঘটিত অপরাধের বিচার নিশ্চিত করতে ১৯৭৩ সালে এ আইন প্রণয়ন করা হয়েছিল। তবে পরবর্তীকালে সিমলা চুক্তি এবং ত্রিপক্ষীয় দিল্লি চুক্তির মাধ্যমে যুদ্ধবন্দীদের প্রত্যাবাসন সম্পন্ন হওয়ায় ওই আইনের অধীনে বিচার পরিচালনার প্রয়োজনীয়তা কার্যত শেষ হয়ে গেছে বলে দাবি করা হয়।
এ ছাড়া রিটে অভিযোগ করা হয়, সময়ের পরিক্রমায় আইনটি তার মূল উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতা হারিয়েছে এবং এটি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। সেই যুক্তিতে আইনটির অপব্যবহার রোধে এটি বাতিলের উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়ার জন্য আদালতের কাছে রুল জারির আবেদন জানানো হয়।
রিটে আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিবকে বিবাদী করা হয়েছিল।
2.png)