সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান

 আন্তর্জাতিকআন্তর্জাতিক

ভারতের সীমান্তে চীনের স্টিলথ শক্তি জে-২০ মোতায়েন, উদ্বেগ বাড়ছে দিল্লির

ভারত সীমান্তসংলগ্ন দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটিতে ১১টি জে-২০ স্টিলথ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে চীন। স্যাটেলাইট চিত্রে ধরা পড়া এই পদক্ষেপকে বেইজিংয়ের দীর্ঘমেয়াদি সামরিক কৌশলের অংশ হিসেবে দেখছেন প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকেরা।

সুমন শাহরিয়ার
সুমন শাহরিয়ার
ভারতের সীমান্তে চীনের স্টিলথ শক্তি জে-২০ মোতায়েন, উদ্বেগ বাড়ছে দিল্লির
ছবি -সংগৃহীত

ভারতের উত্তর ও উত্তর-পূর্ব সীমান্তের কাছাকাছি দুটি বিমানঘাঁটিতে চীনের পঞ্চম প্রজন্মের জে-২০ ‘মাইটি ড্রাগন’ স্টিলথ যুদ্ধবিমান মোতায়েন নতুন করে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আলোচনায় এনেছে। সাম্প্রতিক উপগ্রহচিত্রে দেখা গেছে, সীমান্তঘেঁষা ঘাঁটিগুলোতে অন্তত ১১টি জে-২০ অবস্থান করছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এটি কেবল সাময়িক শক্তি প্রদর্শন নয়; বরং সীমান্ত এলাকায় চীনের স্থায়ী সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর সুস্পষ্ট ইঙ্গিত।

স্যাটেলাইট ইমেজিং প্রতিষ্ঠান ভ্যান্টরের প্রকাশিত সাম্প্রতিক চিত্রে এই মোতায়েনের তথ্য উঠে এসেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জুনের শেষ সপ্তাহ এবং জুলাইয়ের শুরুতে ধাপে ধাপে দুটি বিমানঘাঁটিতে এসব যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়।

সবচেয়ে বড় উপস্থিতি দেখা গেছে চীনের শিনজিয়াং অঞ্চলের হোতান বিমানঘাঁটিতে। ৯ জুলাই সেখানে সাতটি জে-২০ একসঙ্গে অবস্থান করতে দেখা যায়। ভারত সীমান্তমুখী কোনো ঘাঁটিতে এতসংখ্যক জে-২০ একত্রে মোতায়েনের ঘটনা এটিই প্রথম বলে মনে করা হচ্ছে।

কৌশলগতভাবে হোতান ঘাঁটির অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি ভারতের লাদাখের লেহ শহর থেকে প্রায় ৩৮৯ কিলোমিটার এবং দৌলত বেগ ওল্ডিতে অবস্থিত ভারতীয় বিমানঘাঁটি থেকে প্রায় ২৪৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ফলে সীমান্ত এলাকায় দ্রুত বিমান পরিচালনার জন্য এটি চীনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি হিসেবে বিবেচিত হয়।

অন্যদিকে তিব্বতের দামশুং বিমানঘাঁটিতেও চারটি জে-২০ যুদ্ধবিমান দেখা গেছে। এই ঘাঁটিটি অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং সীমান্তের কাছাকাছি হওয়ায় পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তেও চীনের বিমান সক্ষমতা বাড়ানোর ইঙ্গিত মিলছে।

ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা প্রতিষ্ঠান নিউস্পেসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক ফাইটার পাইলট সমীর জোশীর মতে, হোতান ও দামশুংয়ে জে-২০-এর উপস্থিতি প্রমাণ করে যে সীমান্তসংলগ্ন ঘাঁটি থেকে পঞ্চম প্রজন্মের স্টিলথ যুদ্ধবিমান পরিচালনা এখন চীনা বিমানবাহিনীর নিয়মিত কার্যক্রমে পরিণত হয়েছে। তার ভাষায়, এটি কোনো সাময়িক প্রদর্শনী নয়; বরং স্থায়ী সামরিক প্রস্তুতির অংশ।

তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, উত্তর সীমান্তে স্টিলথ যুদ্ধবিমানের নিয়মিত উপস্থিতি ভারতের জন্য নতুন বাস্তবতা তৈরি করছে। ফলে দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, কাউন্টার-স্টিলথ সেন্সর এবং দূরপাল্লার হামলা প্রতিরোধ সক্ষমতার আধুনিকীকরণ এখন আরও জরুরি হয়ে উঠেছে।

জে-২০ চীনের প্রথম কার্যকর পঞ্চম প্রজন্মের স্টিলথ যুদ্ধবিমান। রাডারের নজর এড়িয়ে অভিযান পরিচালনা, দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র বহন এবং আধুনিক সেন্সর ব্যবস্থার কারণে এটি বর্তমান বিশ্বের অন্যতম উন্নত যুদ্ধবিমান হিসেবে বিবেচিত হয়। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, আকাশে শত্রুর নজর এড়িয়ে দূর থেকে আঘাত হানার সক্ষমতাই এই বিমানের সবচেয়ে বড় শক্তি।

এর বিপরীতে ভারতের সবচেয়ে আধুনিক যুদ্ধবিমান রাফাল হলেও সেটি ৪.৫ প্রজন্মের প্ল্যাটফর্ম। বর্তমানে ভারতীয় বিমানবাহিনীর হাতে ৩৬টি রাফাল রয়েছে, যা আম্বালা ও হাসিমারা—এই দুটি ঘাঁটিতে মোতায়েন করা হয়েছে। আরও ১১৪টি রাফাল কেনার বিষয়ে আলোচনা চলছে। পাশাপাশি ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য ২৬টি রাফাল কেনারও চুক্তি হয়েছে।

ভারত নিজস্ব স্টিলথ যুদ্ধবিমান তৈরির প্রকল্প ‘অ্যাডভান্সড মিডিয়াম কমব্যাট এয়ারক্রাফট (এএমসিএ)’ নিয়ে কাজ করছে। তবে প্রকল্পটি এখনও উন্নয়ন পর্যায়ে রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ করে এই যুদ্ধবিমান ভারতীয় বিমানবাহিনীর স্কোয়াড্রনে যুক্ত হতে আরও অন্তত এক দশক সময় লাগতে পারে।

এদিকে আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, জে-২০ বহরে দ্রুত সম্প্রসারণ ঘটাচ্ছে চীন। সামরিকবিষয়ক ওয়েবসাইট দ্য ওয়ার জোন জানিয়েছে, ২০১৯ সালে যেখানে জে-২০-এর সংখ্যা ছিল প্রায় ৫০টি, ২০২২ সালের শেষে তা বেড়ে ২০০-এর কাছাকাছি পৌঁছে। এরপর উৎপাদনের গতি আরও বেড়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শেষ দিকে বছরে প্রায় ১২০টি জে-২০ উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জন করেছে চীন। এর ফলে ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে দেশটির বিমানবাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটে এই স্টিলথ যুদ্ধবিমানের সংখ্যা ৩০০ থেকে ৫০০-এর মধ্যে পৌঁছেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের পূর্বাভাস আরও তাৎপর্যপূর্ণ। প্রতিষ্ঠানটির মতে, বর্তমান উৎপাদনের ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৩০ সালের মধ্যে চীনের বহরে প্রায় এক হাজার জে-২০ যুদ্ধবিমান যুক্ত হতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, ভারত সীমান্তে জে-২০ মোতায়েন শুধু দুই দেশের সামরিক প্রতিযোগিতাকেই নতুন মাত্রা দিচ্ছে না, বরং এশিয়ার আকাশসীমায় শক্তির ভারসাম্য নিয়েও নতুন প্রশ্ন তৈরি করছে। বিশেষ করে লাদাখ ও অরুণাচল সীমান্তে ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং ভারতের প্রতিরক্ষা আধুনিকীকরণ নিয়ে আলোচনাকে আরও জোরালো করে তুলেছে এই পদক্ষেপ।

বিষয় : ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক চীন জে-২০ মাইটি ড্রাগন

কাল মহাকাল

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬


ভারতের সীমান্তে চীনের স্টিলথ শক্তি জে-২০ মোতায়েন, উদ্বেগ বাড়ছে দিল্লির

প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬

featured Image

ভারতের উত্তর ও উত্তর-পূর্ব সীমান্তের কাছাকাছি দুটি বিমানঘাঁটিতে চীনের পঞ্চম প্রজন্মের জে-২০ ‘মাইটি ড্রাগন’ স্টিলথ যুদ্ধবিমান মোতায়েন নতুন করে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আলোচনায় এনেছে। সাম্প্রতিক উপগ্রহচিত্রে দেখা গেছে, সীমান্তঘেঁষা ঘাঁটিগুলোতে অন্তত ১১টি জে-২০ অবস্থান করছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এটি কেবল সাময়িক শক্তি প্রদর্শন নয়; বরং সীমান্ত এলাকায় চীনের স্থায়ী সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর সুস্পষ্ট ইঙ্গিত।

স্যাটেলাইট ইমেজিং প্রতিষ্ঠান ভ্যান্টরের প্রকাশিত সাম্প্রতিক চিত্রে এই মোতায়েনের তথ্য উঠে এসেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জুনের শেষ সপ্তাহ এবং জুলাইয়ের শুরুতে ধাপে ধাপে দুটি বিমানঘাঁটিতে এসব যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়।

সবচেয়ে বড় উপস্থিতি দেখা গেছে চীনের শিনজিয়াং অঞ্চলের হোতান বিমানঘাঁটিতে। ৯ জুলাই সেখানে সাতটি জে-২০ একসঙ্গে অবস্থান করতে দেখা যায়। ভারত সীমান্তমুখী কোনো ঘাঁটিতে এতসংখ্যক জে-২০ একত্রে মোতায়েনের ঘটনা এটিই প্রথম বলে মনে করা হচ্ছে।

কৌশলগতভাবে হোতান ঘাঁটির অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি ভারতের লাদাখের লেহ শহর থেকে প্রায় ৩৮৯ কিলোমিটার এবং দৌলত বেগ ওল্ডিতে অবস্থিত ভারতীয় বিমানঘাঁটি থেকে প্রায় ২৪৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ফলে সীমান্ত এলাকায় দ্রুত বিমান পরিচালনার জন্য এটি চীনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি হিসেবে বিবেচিত হয়।

অন্যদিকে তিব্বতের দামশুং বিমানঘাঁটিতেও চারটি জে-২০ যুদ্ধবিমান দেখা গেছে। এই ঘাঁটিটি অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং সীমান্তের কাছাকাছি হওয়ায় পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তেও চীনের বিমান সক্ষমতা বাড়ানোর ইঙ্গিত মিলছে।

ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা প্রতিষ্ঠান নিউস্পেসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক ফাইটার পাইলট সমীর জোশীর মতে, হোতান ও দামশুংয়ে জে-২০-এর উপস্থিতি প্রমাণ করে যে সীমান্তসংলগ্ন ঘাঁটি থেকে পঞ্চম প্রজন্মের স্টিলথ যুদ্ধবিমান পরিচালনা এখন চীনা বিমানবাহিনীর নিয়মিত কার্যক্রমে পরিণত হয়েছে। তার ভাষায়, এটি কোনো সাময়িক প্রদর্শনী নয়; বরং স্থায়ী সামরিক প্রস্তুতির অংশ।

তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, উত্তর সীমান্তে স্টিলথ যুদ্ধবিমানের নিয়মিত উপস্থিতি ভারতের জন্য নতুন বাস্তবতা তৈরি করছে। ফলে দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, কাউন্টার-স্টিলথ সেন্সর এবং দূরপাল্লার হামলা প্রতিরোধ সক্ষমতার আধুনিকীকরণ এখন আরও জরুরি হয়ে উঠেছে।

জে-২০ চীনের প্রথম কার্যকর পঞ্চম প্রজন্মের স্টিলথ যুদ্ধবিমান। রাডারের নজর এড়িয়ে অভিযান পরিচালনা, দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র বহন এবং আধুনিক সেন্সর ব্যবস্থার কারণে এটি বর্তমান বিশ্বের অন্যতম উন্নত যুদ্ধবিমান হিসেবে বিবেচিত হয়। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, আকাশে শত্রুর নজর এড়িয়ে দূর থেকে আঘাত হানার সক্ষমতাই এই বিমানের সবচেয়ে বড় শক্তি।

এর বিপরীতে ভারতের সবচেয়ে আধুনিক যুদ্ধবিমান রাফাল হলেও সেটি ৪.৫ প্রজন্মের প্ল্যাটফর্ম। বর্তমানে ভারতীয় বিমানবাহিনীর হাতে ৩৬টি রাফাল রয়েছে, যা আম্বালা ও হাসিমারা—এই দুটি ঘাঁটিতে মোতায়েন করা হয়েছে। আরও ১১৪টি রাফাল কেনার বিষয়ে আলোচনা চলছে। পাশাপাশি ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য ২৬টি রাফাল কেনারও চুক্তি হয়েছে।

ভারত নিজস্ব স্টিলথ যুদ্ধবিমান তৈরির প্রকল্প ‘অ্যাডভান্সড মিডিয়াম কমব্যাট এয়ারক্রাফট (এএমসিএ)’ নিয়ে কাজ করছে। তবে প্রকল্পটি এখনও উন্নয়ন পর্যায়ে রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ করে এই যুদ্ধবিমান ভারতীয় বিমানবাহিনীর স্কোয়াড্রনে যুক্ত হতে আরও অন্তত এক দশক সময় লাগতে পারে।

এদিকে আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, জে-২০ বহরে দ্রুত সম্প্রসারণ ঘটাচ্ছে চীন। সামরিকবিষয়ক ওয়েবসাইট দ্য ওয়ার জোন জানিয়েছে, ২০১৯ সালে যেখানে জে-২০-এর সংখ্যা ছিল প্রায় ৫০টি, ২০২২ সালের শেষে তা বেড়ে ২০০-এর কাছাকাছি পৌঁছে। এরপর উৎপাদনের গতি আরও বেড়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শেষ দিকে বছরে প্রায় ১২০টি জে-২০ উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জন করেছে চীন। এর ফলে ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে দেশটির বিমানবাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটে এই স্টিলথ যুদ্ধবিমানের সংখ্যা ৩০০ থেকে ৫০০-এর মধ্যে পৌঁছেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের পূর্বাভাস আরও তাৎপর্যপূর্ণ। প্রতিষ্ঠানটির মতে, বর্তমান উৎপাদনের ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৩০ সালের মধ্যে চীনের বহরে প্রায় এক হাজার জে-২০ যুদ্ধবিমান যুক্ত হতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, ভারত সীমান্তে জে-২০ মোতায়েন শুধু দুই দেশের সামরিক প্রতিযোগিতাকেই নতুন মাত্রা দিচ্ছে না, বরং এশিয়ার আকাশসীমায় শক্তির ভারসাম্য নিয়েও নতুন প্রশ্ন তৈরি করছে। বিশেষ করে লাদাখ ও অরুণাচল সীমান্তে ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং ভারতের প্রতিরক্ষা আধুনিকীকরণ নিয়ে আলোচনাকে আরও জোরালো করে তুলেছে এই পদক্ষেপ।


কাল মহাকাল

সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান


কপিরাইট © ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত