আন্তর্জাতিক
জাপানের দক্ষিণাঞ্চলের কিউশু দ্বীপে ৭ দশমিক ১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে একটি শপিং মলের অংশ ধসে পড়ে বহু মানুষ আটকা পড়েছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে জোরালো অভিযান চালানো হলেও হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) স্থানীয় সময় বিকেলে কুমামোতো প্রিফেকচারের কাজিমা টাউনে এ ভূমিকম্প আঘাত হানে। কম্পনের পরপরই বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সবচেয়ে বড় ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটে একটি শপিং মলে, যেখানে ভবনের অংশবিশেষ ধসে পড়ে।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, অন্তত ৫০ জন আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এছাড়া কয়েকটি এলাকায় ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সড়ক ও সেতুতে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং কোথাও কোথাও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাও ঘটেছে।
ভূমিকম্পের পর উপকূলীয় এলাকায় সুনামির শঙ্কা তৈরি হলেও জাপানের আবহাওয়া বিভাগ পরে জানায়, এটি অভ্যন্তরীণ ভূমিকম্প হওয়ায় সুনামির কোনো ঝুঁকি নেই।
ভূমিকম্পের প্রভাবে কুমামোতো অঞ্চলে প্রায় ৪৫ হাজার পরিবার ও বিভিন্ন স্থাপনায় সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। তবে দেশটির পরমাণু নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আশপাশের কোনো পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে অস্বাভাবিকতা বা নিরাপত্তাজনিত সমস্যা শনাক্ত হয়নি।
এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার কাছাকাছি থাকা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান সনি এবং বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ চিপ নির্মাতা টিএসএমসি তাদের কারখানার পরিস্থিতি ও সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়ন শুরু করেছে।
প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এর ওপর অবস্থানের কারণে জাপান বিশ্বের সবচেয়ে ভূমিকম্পপ্রবণ দেশগুলোর একটি। ২০১৬ সালে কুমামোতোতে ভয়াবহ ভূমিকম্পে ব্যাপক প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। এছাড়া ২০১১ সালের বিধ্বংসী ভূমিকম্প ও সুনামির স্মৃতি এখনো দেশটির মানুষের মনে গভীরভাবে রয়ে গেছে।
সর্বশেষ পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির কার্যালয় উদ্ধার তৎপরতা জোরদার, ক্ষয়ক্ষতির দ্রুত মূল্যায়ন এবং মানবজীবন রক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য আফটারশকের কথা বিবেচনায় রেখে জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।
বিষয় : জাপানে ভূমিকম্প
2.png)
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
জাপানের দক্ষিণাঞ্চলের কিউশু দ্বীপে ৭ দশমিক ১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে একটি শপিং মলের অংশ ধসে পড়ে বহু মানুষ আটকা পড়েছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে জোরালো অভিযান চালানো হলেও হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) স্থানীয় সময় বিকেলে কুমামোতো প্রিফেকচারের কাজিমা টাউনে এ ভূমিকম্প আঘাত হানে। কম্পনের পরপরই বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সবচেয়ে বড় ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটে একটি শপিং মলে, যেখানে ভবনের অংশবিশেষ ধসে পড়ে।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, অন্তত ৫০ জন আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এছাড়া কয়েকটি এলাকায় ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সড়ক ও সেতুতে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং কোথাও কোথাও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাও ঘটেছে।
ভূমিকম্পের পর উপকূলীয় এলাকায় সুনামির শঙ্কা তৈরি হলেও জাপানের আবহাওয়া বিভাগ পরে জানায়, এটি অভ্যন্তরীণ ভূমিকম্প হওয়ায় সুনামির কোনো ঝুঁকি নেই।
ভূমিকম্পের প্রভাবে কুমামোতো অঞ্চলে প্রায় ৪৫ হাজার পরিবার ও বিভিন্ন স্থাপনায় সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। তবে দেশটির পরমাণু নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আশপাশের কোনো পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে অস্বাভাবিকতা বা নিরাপত্তাজনিত সমস্যা শনাক্ত হয়নি।
এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার কাছাকাছি থাকা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান সনি এবং বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ চিপ নির্মাতা টিএসএমসি তাদের কারখানার পরিস্থিতি ও সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়ন শুরু করেছে।
প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এর ওপর অবস্থানের কারণে জাপান বিশ্বের সবচেয়ে ভূমিকম্পপ্রবণ দেশগুলোর একটি। ২০১৬ সালে কুমামোতোতে ভয়াবহ ভূমিকম্পে ব্যাপক প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। এছাড়া ২০১১ সালের বিধ্বংসী ভূমিকম্প ও সুনামির স্মৃতি এখনো দেশটির মানুষের মনে গভীরভাবে রয়ে গেছে।
সর্বশেষ পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির কার্যালয় উদ্ধার তৎপরতা জোরদার, ক্ষয়ক্ষতির দ্রুত মূল্যায়ন এবং মানবজীবন রক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য আফটারশকের কথা বিবেচনায় রেখে জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।
2.png)