আন্তর্জাতিক
উত্তর আফ্রিকার উপকূলে অবস্থিত স্পেনের ছিটমহল সেউটা এখন ইউরোপের অন্যতম বড় অভিবাসন সংকটের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ মরক্কো থেকে সেউটায় প্রবেশের চেষ্টা করেছেন। বিপজ্জনক এই অভিযানে এখন পর্যন্ত অন্তত ৫৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। সীমান্তজুড়ে বিশৃঙ্খলা, প্রাণহানি এবং মানবিক বিপর্যয় নতুন করে ইউরোপের অভিবাসন নীতি ও মরক্কোর ভূমিকাকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে।
সাম্প্রতিক এই গণ-অনুপ্রবেশে সেউটার সীমান্ত নিরাপত্তা কার্যত ভেঙে পড়ে। প্রবেশের চেষ্টা করা মানুষের সংখ্যা ছিটমহলটির মোট জনসংখ্যার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের সমান। শুক্রবার পরিস্থিতি সবচেয়ে ভয়াবহ রূপ নেয়। তবে ওই দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত ৩৭ হাজার ৫০০ জনের বেশি মানুষকে মরক্কো সীমান্তে ফেরত পাঠানো হয়। এখনও প্রতি ঘণ্টায় শত শত মানুষকে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম চলছে।
ভূমধ্যসাগরের উত্তর আফ্রিকান উপকূলে অবস্থিত সেউটা ও মেলিলা স্পেনের দুটি ছিটমহল। আফ্রিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে একমাত্র স্থল সীমান্ত হওয়ায় অঞ্চল দুটি দীর্ঘদিন ধরেই অভিবাসীদের অন্যতম প্রধান প্রবেশপথ। ১৫৮০ সাল থেকে স্পেনের নিয়ন্ত্রণে থাকা সেউটায় মুসলিম ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষ পাশাপাশি বসবাস করলেও মরক্কো এখনো এই ভূখণ্ডকে স্পেনের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না। তাদের দাবি, এটি দখলকৃত এলাকা।
দারিদ্র্য, সংঘাত এবং উন্নত জীবনের আশায় আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের বহু মানুষ ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টা করেন। সেই যাত্রাপথের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দরজা সেউটা ও মেলিলা। যদিও সীমান্তে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে, তবুও অনেক অভিবাসী মরক্কোর ফিনাইদেক শহর থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার সাঁতরে কিংবা বেলিউনেচ এলাকা দিয়ে সীমান্ত অতিক্রমের চেষ্টা করেন।
সেউটায় পৌঁছানোর পর অনেককে সঙ্গে সঙ্গে ফেরত পাঠানো হয়। আবার যাদের ফেরত দেওয়া সম্ভব হয় না, তাদের অভিবাসী আশ্রয়কেন্দ্রে রেখে স্পেনে আশ্রয়ের আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হয়।
অভিবাসীদের জন্য এই পথ যে কতটা প্রাণঘাতী, তার প্রমাণ অতীতের ঘটনাগুলো। ২০২২ সালে মেলিলায় প্রবেশের চেষ্টা করতে গিয়ে ২৩ জনের মৃত্যু হয়। ২০১৪ সালে সীমান্তের বেড়া টপকাতে গিয়ে কিংবা সমুদ্রপথে প্রবেশের সময় প্রাণ হারান অন্তত ১৪ জন।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) হিসাব অনুযায়ী, ২০১৪ সাল থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে ৩৫ হাজার ১৫৩ জন অভিবাসী মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন। শুধু ২০২৬ সালের প্রথম সাত মাসেই এ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪৯৩ জনে।
এত বিপুলসংখ্যক মানুষ একসঙ্গে সীমান্ত অতিক্রম করতে পারলেন কীভাবে—এ প্রশ্নের সুস্পষ্ট উত্তর এখনো পাওয়া যায়নি। মরক্কো সরকার এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। তবে বিশ্লেষকদের একটি অংশ মনে করছেন, এর পেছনে কেবল মানবপাচার নয়, রাজনৈতিক বার্তাও রয়েছে।
ঘটনার সঙ্গে মরক্কো, আলজেরিয়া এবং স্পেনের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক সম্পর্কের পরিবর্তনের যোগসূত্র খুঁজছেন অনেকে। গত ২০ জুলাই আলজিয়ার্স সফর করেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ। চার বছরের মধ্যে এটি ছিল স্পেনের কোনো প্রধানমন্ত্রীর প্রথম আলজেরিয়া সফর। পর্যবেক্ষকদের ধারণা, এই সফর মরক্কো ভালোভাবে নেয়নি।
এর আগে ২০২১ সালে পশ্চিম সাহারা ইস্যুতে স্পেন ও মরক্কোর সম্পর্কের অবনতির সময়ও একই ধরনের গণ-অনুপ্রবেশ ঘটেছিল। তখন পোলিসারিও ফ্রন্টের নেতাকে চিকিৎসার জন্য স্পেনে আশ্রয় দেওয়াকে কেন্দ্র করে মরক্কো সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ শিথিল করেছিল বলে অভিযোগ ওঠে। পরে ২০২২ সালে স্পেন পশ্চিম সাহারা বিষয়ে মরক্কোর পরিকল্পনাকে সমর্থন দিলে দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়, যদিও তাতে আলজেরিয়ার সঙ্গে স্পেনের সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়।
সেউটা সফরে প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ এই ঘটনার জন্য মানবপাচারকারী চক্রকে দায়ী করেন। তার দাবি, স্পেনের সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক একটি রায়কে কেন্দ্র করে পাচারকারীরা গুজব ছড়িয়েছে যে সমুদ্রপথে পৌঁছানো অনিয়মিত অভিবাসীদের আর তাৎক্ষণিকভাবে ফেরত পাঠানো যাবে না।
তবে ইতালিয়ান ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিটিকাল স্টাডিজের অভিবাসন গবেষক মাত্তেও ভিলা ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তার মতে, এত বড় আকারের অনুপ্রবেশ আকস্মিক হতে পারে না। সাধারণত যেখানে মাসে কয়েকশ মানুষ আসে, সেখানে রাতারাতি ৫০ হাজার মানুষের উপস্থিতি সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ শিথিল না হলে সম্ভব নয়। তার ধারণা, মরক্কো ইউরোপকে নিজেদের প্রভাব ও সক্ষমতার বার্তা দিতেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে দিয়েছে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে স্পেন সীমান্তে অতিরিক্ত পুলিশ ও সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করেছে। প্রধানমন্ত্রী সানচেজ এই ঘটনাকে দেশের আঞ্চলিক অখণ্ডতার ওপর গুরুতর আঘাত হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
এদিকে এই সংকট ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভেতরেও নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করেছে। ডানপন্থি দলগুলো স্পেনের অনিয়মিত অভিবাসীদের বৈধতা দেওয়ার নীতিকে দায়ী করছে। ইতালির কট্টর ডানপন্থি সরকার স্পেনকে সাময়িকভাবে শেনজেন অঞ্চল থেকে বহিষ্কারের দাবি তুলেছে, যদিও সেউটা ও মেলিলা আনুষ্ঠানিকভাবে শেনজেন চুক্তির আওতায় পড়ে না। একই সময়ে ফ্রান্সও স্পেনের সঙ্গে সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে।
সেউটার এই ঘটনা শুধু একটি সীমান্ত সংকট নয়; এটি ইউরোপের অভিবাসন নীতি, উত্তর আফ্রিকার ভূরাজনীতি এবং আঞ্চলিক কূটনৈতিক সম্পর্কের জটিল বাস্তবতাকে আবারও সামনে এনে দিয়েছে। পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেওয়া হবে, সেটিই এখন ইউরোপীয় নেতৃত্বের সবচেয়ে বড় পরীক্ষাগুলোর একটি।
বিষয় : সেউটায় গণ-অনুপ্রবেশ
2.png)
শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
উত্তর আফ্রিকার উপকূলে অবস্থিত স্পেনের ছিটমহল সেউটা এখন ইউরোপের অন্যতম বড় অভিবাসন সংকটের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ মরক্কো থেকে সেউটায় প্রবেশের চেষ্টা করেছেন। বিপজ্জনক এই অভিযানে এখন পর্যন্ত অন্তত ৫৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। সীমান্তজুড়ে বিশৃঙ্খলা, প্রাণহানি এবং মানবিক বিপর্যয় নতুন করে ইউরোপের অভিবাসন নীতি ও মরক্কোর ভূমিকাকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে।
সাম্প্রতিক এই গণ-অনুপ্রবেশে সেউটার সীমান্ত নিরাপত্তা কার্যত ভেঙে পড়ে। প্রবেশের চেষ্টা করা মানুষের সংখ্যা ছিটমহলটির মোট জনসংখ্যার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের সমান। শুক্রবার পরিস্থিতি সবচেয়ে ভয়াবহ রূপ নেয়। তবে ওই দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত ৩৭ হাজার ৫০০ জনের বেশি মানুষকে মরক্কো সীমান্তে ফেরত পাঠানো হয়। এখনও প্রতি ঘণ্টায় শত শত মানুষকে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম চলছে।
ভূমধ্যসাগরের উত্তর আফ্রিকান উপকূলে অবস্থিত সেউটা ও মেলিলা স্পেনের দুটি ছিটমহল। আফ্রিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে একমাত্র স্থল সীমান্ত হওয়ায় অঞ্চল দুটি দীর্ঘদিন ধরেই অভিবাসীদের অন্যতম প্রধান প্রবেশপথ। ১৫৮০ সাল থেকে স্পেনের নিয়ন্ত্রণে থাকা সেউটায় মুসলিম ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষ পাশাপাশি বসবাস করলেও মরক্কো এখনো এই ভূখণ্ডকে স্পেনের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না। তাদের দাবি, এটি দখলকৃত এলাকা।
দারিদ্র্য, সংঘাত এবং উন্নত জীবনের আশায় আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের বহু মানুষ ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টা করেন। সেই যাত্রাপথের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দরজা সেউটা ও মেলিলা। যদিও সীমান্তে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে, তবুও অনেক অভিবাসী মরক্কোর ফিনাইদেক শহর থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার সাঁতরে কিংবা বেলিউনেচ এলাকা দিয়ে সীমান্ত অতিক্রমের চেষ্টা করেন।
সেউটায় পৌঁছানোর পর অনেককে সঙ্গে সঙ্গে ফেরত পাঠানো হয়। আবার যাদের ফেরত দেওয়া সম্ভব হয় না, তাদের অভিবাসী আশ্রয়কেন্দ্রে রেখে স্পেনে আশ্রয়ের আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হয়।
অভিবাসীদের জন্য এই পথ যে কতটা প্রাণঘাতী, তার প্রমাণ অতীতের ঘটনাগুলো। ২০২২ সালে মেলিলায় প্রবেশের চেষ্টা করতে গিয়ে ২৩ জনের মৃত্যু হয়। ২০১৪ সালে সীমান্তের বেড়া টপকাতে গিয়ে কিংবা সমুদ্রপথে প্রবেশের সময় প্রাণ হারান অন্তত ১৪ জন।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) হিসাব অনুযায়ী, ২০১৪ সাল থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে ৩৫ হাজার ১৫৩ জন অভিবাসী মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন। শুধু ২০২৬ সালের প্রথম সাত মাসেই এ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪৯৩ জনে।
এত বিপুলসংখ্যক মানুষ একসঙ্গে সীমান্ত অতিক্রম করতে পারলেন কীভাবে—এ প্রশ্নের সুস্পষ্ট উত্তর এখনো পাওয়া যায়নি। মরক্কো সরকার এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। তবে বিশ্লেষকদের একটি অংশ মনে করছেন, এর পেছনে কেবল মানবপাচার নয়, রাজনৈতিক বার্তাও রয়েছে।
ঘটনার সঙ্গে মরক্কো, আলজেরিয়া এবং স্পেনের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক সম্পর্কের পরিবর্তনের যোগসূত্র খুঁজছেন অনেকে। গত ২০ জুলাই আলজিয়ার্স সফর করেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ। চার বছরের মধ্যে এটি ছিল স্পেনের কোনো প্রধানমন্ত্রীর প্রথম আলজেরিয়া সফর। পর্যবেক্ষকদের ধারণা, এই সফর মরক্কো ভালোভাবে নেয়নি।
এর আগে ২০২১ সালে পশ্চিম সাহারা ইস্যুতে স্পেন ও মরক্কোর সম্পর্কের অবনতির সময়ও একই ধরনের গণ-অনুপ্রবেশ ঘটেছিল। তখন পোলিসারিও ফ্রন্টের নেতাকে চিকিৎসার জন্য স্পেনে আশ্রয় দেওয়াকে কেন্দ্র করে মরক্কো সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ শিথিল করেছিল বলে অভিযোগ ওঠে। পরে ২০২২ সালে স্পেন পশ্চিম সাহারা বিষয়ে মরক্কোর পরিকল্পনাকে সমর্থন দিলে দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়, যদিও তাতে আলজেরিয়ার সঙ্গে স্পেনের সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়।
সেউটা সফরে প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ এই ঘটনার জন্য মানবপাচারকারী চক্রকে দায়ী করেন। তার দাবি, স্পেনের সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক একটি রায়কে কেন্দ্র করে পাচারকারীরা গুজব ছড়িয়েছে যে সমুদ্রপথে পৌঁছানো অনিয়মিত অভিবাসীদের আর তাৎক্ষণিকভাবে ফেরত পাঠানো যাবে না।
তবে ইতালিয়ান ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিটিকাল স্টাডিজের অভিবাসন গবেষক মাত্তেও ভিলা ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তার মতে, এত বড় আকারের অনুপ্রবেশ আকস্মিক হতে পারে না। সাধারণত যেখানে মাসে কয়েকশ মানুষ আসে, সেখানে রাতারাতি ৫০ হাজার মানুষের উপস্থিতি সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ শিথিল না হলে সম্ভব নয়। তার ধারণা, মরক্কো ইউরোপকে নিজেদের প্রভাব ও সক্ষমতার বার্তা দিতেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে দিয়েছে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে স্পেন সীমান্তে অতিরিক্ত পুলিশ ও সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করেছে। প্রধানমন্ত্রী সানচেজ এই ঘটনাকে দেশের আঞ্চলিক অখণ্ডতার ওপর গুরুতর আঘাত হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
এদিকে এই সংকট ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভেতরেও নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করেছে। ডানপন্থি দলগুলো স্পেনের অনিয়মিত অভিবাসীদের বৈধতা দেওয়ার নীতিকে দায়ী করছে। ইতালির কট্টর ডানপন্থি সরকার স্পেনকে সাময়িকভাবে শেনজেন অঞ্চল থেকে বহিষ্কারের দাবি তুলেছে, যদিও সেউটা ও মেলিলা আনুষ্ঠানিকভাবে শেনজেন চুক্তির আওতায় পড়ে না। একই সময়ে ফ্রান্সও স্পেনের সঙ্গে সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে।
সেউটার এই ঘটনা শুধু একটি সীমান্ত সংকট নয়; এটি ইউরোপের অভিবাসন নীতি, উত্তর আফ্রিকার ভূরাজনীতি এবং আঞ্চলিক কূটনৈতিক সম্পর্কের জটিল বাস্তবতাকে আবারও সামনে এনে দিয়েছে। পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেওয়া হবে, সেটিই এখন ইউরোপীয় নেতৃত্বের সবচেয়ে বড় পরীক্ষাগুলোর একটি।
2.png)