লোকাল ফোকাস
কৃষকের উৎপাদন ব্যয় কমাতে সরকার প্রতি বছর ভর্তুকি মূল্যে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) মাধ্যমে উন্নতমানের ধানবীজ সরবরাহ করে। কিন্তু জয়পুরহাটে সেই সরকারি বীজ বিতরণ ব্যবস্থাকে ঘিরে নানা অনিয়ম ও কারসাজির অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বীজ বিক্রি থেকে শুরু করে ডিলারশিপ ব্যবস্থায় অনিয়ম, নীতিমালা লঙ্ঘন এবং কর্মকর্তাদের যোগসাজশের অভিযোগে প্রশ্নের মুখে পড়েছে পুরো বিতরণ প্রক্রিয়া।
অনুসন্ধানে জানা যায়, জেলার বিভিন্ন উপজেলায় কৃষকদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হচ্ছে। শুধু অনুমোদিত ডিলারই নন, তাদের বাইরে থাকা ব্যবসায়ীরাও বিভিন্ন উপায়ে সরকারি বীজ সংগ্রহ করছেন। অভিযোগ রয়েছে, পে-অর্ডারের পরিবর্তে নগদ অর্থ কিংবা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে লেনদেন হচ্ছে। পাশাপাশি কয়েকজন ডিলারের বিরুদ্ধে আত্মীয়-স্বজনের নামে একাধিক ডিলারশিপ পরিচালনা, অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে লাইসেন্স ব্যবহার এবং বিএডিসির নীতিমালা উপেক্ষা করে ব্যবসা চালানোর অভিযোগও পাওয়া গেছে।
এদিকে আমন মৌসুমের ব্যস্ত সময়ে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন কৃষকরা। জমি প্রস্তুত, বীজতলা তৈরি ও চারা উৎপাদনের এই সময়ে প্রয়োজনীয় সরকারি বীজ না পেয়ে অনেকেই বাধ্য হচ্ছেন বেসরকারি কোম্পানির বীজ বেশি দামে কিনতে।
জয়পুরহাট সদর উপজেলার মুরারীপুর গ্রামের কৃষক ওবাইদুর রহমান বলেন, সরকারি বীজ সহজে পাওয়া যায় না। ফলে বেশি দামে কোম্পানির বীজ কিনতে হচ্ছে। সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিএডিসির বীজ পাওয়া গেলে চাষের খরচ অনেকটাই কমে যেত।
একই ধরনের অভিযোগ করেন কালাই উপজেলার আকন্দপাড়া গ্রামের কৃষক এনামুল হক। তিনি জানান, অনেক খোঁজাখুঁজির পর বিএডিসির বীজ পেলেও নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি টাকা দিতে হয়েছে।
কৃষকদের অভিযোগ, সরকারি ভর্তুকির সুবিধা থাকলেও বাস্তবে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় না করে বীজ সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে না।
অনুসন্ধানে পাওয়া নথি অনুযায়ী, জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় বিএডিসির অনুমোদিত ডিলারের সংখ্যা ২১১ জন। নীতিমালা অনুযায়ী, বীজ উত্তোলনের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছে 'অ্যারাইভাল রিপোর্ট' জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়, বরাদ্দকৃত বীজ নির্ধারিত ডিলার পয়েন্টে পৌঁছেছে এবং কৃষকদের কাছে বিক্রির জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
তবে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, অধিকাংশ ডিলার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই প্রতিবেদন জমা দেননি। এরপরও তাদের বিরুদ্ধে কোনো দৃশ্যমান প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি।
জয়পুরহাট জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এ কে এম সাদিকুল ইসলাম বলেন, নিয়ম অনুযায়ী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অ্যারাইভাল রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে প্রায় কেউই তা করেন না। বিষয়টি নিয়ে বিএডিসিরই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ক্ষেতলাল উপজেলার ডিলার শাহিন মোস্তাকের বিরুদ্ধে নিজের পাশাপাশি শাশুড়ি, বড় ভাই, ভাতিজা ও দুই বোনজামাইয়ের নামেও একাধিক ডিলারশিপ নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সরেজমিন কয়েকটি ডিলার পয়েন্ট পরিদর্শনে দেখা যায়, কোথাও দোকান বন্ধ, কোথাও অন্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সামনে বিএডিসির সাইনবোর্ড ঝুলছে, আবার কোথাও ডিলার পয়েন্টের কোনো অস্তিত্বই পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের দাবি, এসব প্রতিষ্ঠানের অনেকগুলো শুধু কাগজ-কলমেই রয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে শাহিন মোস্তাক বলেন, একাধিক লাইসেন্স থাকতেই পারে। তিনি দাবি করেন, অফিসের নিয়ম মেনেই তিনি সেগুলো পরিচালনা করছেন।
অনুসন্ধানে আরও উঠে এসেছে, অনুমোদিত ডিলারদের বাইরেও কয়েকজন ব্যবসায়ী সরাসরি বিএডিসি অফিস থেকে সরকারি বীজ সংগ্রহ করছেন। একাধিক নথি পর্যালোচনায় দেখা গেছে, কিছু ক্ষেত্রে পে-অর্ডারের তথ্য নেই। অভিযোগ রয়েছে, এসব লেনদেন নগদ অর্থ অথবা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, বিএডিসির কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর সহযোগিতায় তারা সহজেই সরকারি বীজ সংগ্রহ করতে সক্ষম হচ্ছেন।
এ বিষয়ে গুদামরক্ষক সেলিম হোসেন ও কম্পিউটার অপারেটর হেলাল হোসেন অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার না করে বলেন, তারা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করেন।
অনুসন্ধান চলাকালে তথ্য সংগ্রহে বাধা সৃষ্টি, সাংবাদিককে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা এবং অনিয়মের তথ্য প্রকাশ না করার বিনিময়ে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও পাওয়া গেছে।
জয়পুরহাট বিএডিসির সিনিয়র সহকারী পরিচালক বিপ্লব কুমার মহন্ত বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি কিছু বিচ্ছিন্ন অনিয়মের কথা স্বীকার করলেও সামগ্রিক অনিয়মের দায় অস্বীকার করেন।
কৃষকদের দাবি, সরকারি ভর্তুকির বীজ প্রকৃত কৃষকের হাতে সরকার নির্ধারিত মূল্যে পৌঁছাতে হবে। একই সঙ্গে পুরো বিতরণ ব্যবস্থার নিরপেক্ষ তদন্ত, অনিয়মে জড়িত ডিলার ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং বীজ বিতরণে গড়ে ওঠা সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, ভর্তুকির বীজ বিতরণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা না গেলে শুধু কৃষকরাই নয়, দীর্ঘমেয়াদে দেশের খাদ্য উৎপাদন ব্যবস্থাও নেতিবাচক প্রভাবের মুখে পড়তে পারে।
বিষয় : ধানবীজ ভর্তুকি ডিলারশিপে অনিয়ম জয়পুরহাট
2.png)
শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
কৃষকের উৎপাদন ব্যয় কমাতে সরকার প্রতি বছর ভর্তুকি মূল্যে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) মাধ্যমে উন্নতমানের ধানবীজ সরবরাহ করে। কিন্তু জয়পুরহাটে সেই সরকারি বীজ বিতরণ ব্যবস্থাকে ঘিরে নানা অনিয়ম ও কারসাজির অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বীজ বিক্রি থেকে শুরু করে ডিলারশিপ ব্যবস্থায় অনিয়ম, নীতিমালা লঙ্ঘন এবং কর্মকর্তাদের যোগসাজশের অভিযোগে প্রশ্নের মুখে পড়েছে পুরো বিতরণ প্রক্রিয়া।
অনুসন্ধানে জানা যায়, জেলার বিভিন্ন উপজেলায় কৃষকদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হচ্ছে। শুধু অনুমোদিত ডিলারই নন, তাদের বাইরে থাকা ব্যবসায়ীরাও বিভিন্ন উপায়ে সরকারি বীজ সংগ্রহ করছেন। অভিযোগ রয়েছে, পে-অর্ডারের পরিবর্তে নগদ অর্থ কিংবা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে লেনদেন হচ্ছে। পাশাপাশি কয়েকজন ডিলারের বিরুদ্ধে আত্মীয়-স্বজনের নামে একাধিক ডিলারশিপ পরিচালনা, অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে লাইসেন্স ব্যবহার এবং বিএডিসির নীতিমালা উপেক্ষা করে ব্যবসা চালানোর অভিযোগও পাওয়া গেছে।
এদিকে আমন মৌসুমের ব্যস্ত সময়ে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন কৃষকরা। জমি প্রস্তুত, বীজতলা তৈরি ও চারা উৎপাদনের এই সময়ে প্রয়োজনীয় সরকারি বীজ না পেয়ে অনেকেই বাধ্য হচ্ছেন বেসরকারি কোম্পানির বীজ বেশি দামে কিনতে।
জয়পুরহাট সদর উপজেলার মুরারীপুর গ্রামের কৃষক ওবাইদুর রহমান বলেন, সরকারি বীজ সহজে পাওয়া যায় না। ফলে বেশি দামে কোম্পানির বীজ কিনতে হচ্ছে। সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিএডিসির বীজ পাওয়া গেলে চাষের খরচ অনেকটাই কমে যেত।
একই ধরনের অভিযোগ করেন কালাই উপজেলার আকন্দপাড়া গ্রামের কৃষক এনামুল হক। তিনি জানান, অনেক খোঁজাখুঁজির পর বিএডিসির বীজ পেলেও নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি টাকা দিতে হয়েছে।
কৃষকদের অভিযোগ, সরকারি ভর্তুকির সুবিধা থাকলেও বাস্তবে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় না করে বীজ সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে না।
অনুসন্ধানে পাওয়া নথি অনুযায়ী, জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় বিএডিসির অনুমোদিত ডিলারের সংখ্যা ২১১ জন। নীতিমালা অনুযায়ী, বীজ উত্তোলনের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছে 'অ্যারাইভাল রিপোর্ট' জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়, বরাদ্দকৃত বীজ নির্ধারিত ডিলার পয়েন্টে পৌঁছেছে এবং কৃষকদের কাছে বিক্রির জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
তবে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, অধিকাংশ ডিলার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই প্রতিবেদন জমা দেননি। এরপরও তাদের বিরুদ্ধে কোনো দৃশ্যমান প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি।
জয়পুরহাট জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এ কে এম সাদিকুল ইসলাম বলেন, নিয়ম অনুযায়ী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অ্যারাইভাল রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে প্রায় কেউই তা করেন না। বিষয়টি নিয়ে বিএডিসিরই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ক্ষেতলাল উপজেলার ডিলার শাহিন মোস্তাকের বিরুদ্ধে নিজের পাশাপাশি শাশুড়ি, বড় ভাই, ভাতিজা ও দুই বোনজামাইয়ের নামেও একাধিক ডিলারশিপ নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সরেজমিন কয়েকটি ডিলার পয়েন্ট পরিদর্শনে দেখা যায়, কোথাও দোকান বন্ধ, কোথাও অন্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সামনে বিএডিসির সাইনবোর্ড ঝুলছে, আবার কোথাও ডিলার পয়েন্টের কোনো অস্তিত্বই পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের দাবি, এসব প্রতিষ্ঠানের অনেকগুলো শুধু কাগজ-কলমেই রয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে শাহিন মোস্তাক বলেন, একাধিক লাইসেন্স থাকতেই পারে। তিনি দাবি করেন, অফিসের নিয়ম মেনেই তিনি সেগুলো পরিচালনা করছেন।
অনুসন্ধানে আরও উঠে এসেছে, অনুমোদিত ডিলারদের বাইরেও কয়েকজন ব্যবসায়ী সরাসরি বিএডিসি অফিস থেকে সরকারি বীজ সংগ্রহ করছেন। একাধিক নথি পর্যালোচনায় দেখা গেছে, কিছু ক্ষেত্রে পে-অর্ডারের তথ্য নেই। অভিযোগ রয়েছে, এসব লেনদেন নগদ অর্থ অথবা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, বিএডিসির কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর সহযোগিতায় তারা সহজেই সরকারি বীজ সংগ্রহ করতে সক্ষম হচ্ছেন।
এ বিষয়ে গুদামরক্ষক সেলিম হোসেন ও কম্পিউটার অপারেটর হেলাল হোসেন অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার না করে বলেন, তারা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করেন।
অনুসন্ধান চলাকালে তথ্য সংগ্রহে বাধা সৃষ্টি, সাংবাদিককে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা এবং অনিয়মের তথ্য প্রকাশ না করার বিনিময়ে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও পাওয়া গেছে।
জয়পুরহাট বিএডিসির সিনিয়র সহকারী পরিচালক বিপ্লব কুমার মহন্ত বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি কিছু বিচ্ছিন্ন অনিয়মের কথা স্বীকার করলেও সামগ্রিক অনিয়মের দায় অস্বীকার করেন।
কৃষকদের দাবি, সরকারি ভর্তুকির বীজ প্রকৃত কৃষকের হাতে সরকার নির্ধারিত মূল্যে পৌঁছাতে হবে। একই সঙ্গে পুরো বিতরণ ব্যবস্থার নিরপেক্ষ তদন্ত, অনিয়মে জড়িত ডিলার ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং বীজ বিতরণে গড়ে ওঠা সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, ভর্তুকির বীজ বিতরণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা না গেলে শুধু কৃষকরাই নয়, দীর্ঘমেয়াদে দেশের খাদ্য উৎপাদন ব্যবস্থাও নেতিবাচক প্রভাবের মুখে পড়তে পারে।
2.png)