লোকাল ফোকাস
মেঘনা নদীর জোয়ারে ভোলার মনপুরা উপজেলার বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। জোয়ারের পানি ঢুকে পড়ায় আবাসন প্রকল্পের ষাট কলোনির বাসিন্দারা বুকসমান পানিতে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। অনেক পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে জোয়ারের পানি কলোনির ভেতরে প্রবেশ করলে পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটে। একই সময়ে উপজেলার রামনেওয়াজ লঞ্চঘাট, তুলাতলী এবং কলাতলী ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়।
সরেজমিনে দেখা যায়, মনপুরা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্বপাশে অবস্থিত ষাট কলোনির প্রায় সব বাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে। বাসিন্দারা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছেন। একই ধরনের দুর্ভোগে পড়েছেন রামনেওয়াজ লঞ্চঘাট, তুলাতলী ও বিচ্ছিন্ন চরকতালী এলাকার মানুষও।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রতি মাসেই প্রায় ১৫ দিন জোয়ারের পানিতে তাদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। তাদের দাবি, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নতুন বেড়িবাঁধ নির্মাণের সময় ঠিকাদার পুরোনো বেড়িবাঁধ কেটে দেওয়ায় জোয়ারের পানি সহজেই লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে।
তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসাফউদ্দৌলা বলেন, বর্তমানে জোয়ারের পানি বিপদসীমার নিচেই রয়েছে। আবাসন প্রকল্পের ঘরগুলোতে যাতে জোয়ারের পানি প্রবেশ করতে না পারে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিষয় : মনপুরা জোয়ারের পানি
2.png)
শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬
মেঘনা নদীর জোয়ারে ভোলার মনপুরা উপজেলার বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। জোয়ারের পানি ঢুকে পড়ায় আবাসন প্রকল্পের ষাট কলোনির বাসিন্দারা বুকসমান পানিতে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। অনেক পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে জোয়ারের পানি কলোনির ভেতরে প্রবেশ করলে পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটে। একই সময়ে উপজেলার রামনেওয়াজ লঞ্চঘাট, তুলাতলী এবং কলাতলী ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়।
সরেজমিনে দেখা যায়, মনপুরা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্বপাশে অবস্থিত ষাট কলোনির প্রায় সব বাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে। বাসিন্দারা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছেন। একই ধরনের দুর্ভোগে পড়েছেন রামনেওয়াজ লঞ্চঘাট, তুলাতলী ও বিচ্ছিন্ন চরকতালী এলাকার মানুষও।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রতি মাসেই প্রায় ১৫ দিন জোয়ারের পানিতে তাদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। তাদের দাবি, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নতুন বেড়িবাঁধ নির্মাণের সময় ঠিকাদার পুরোনো বেড়িবাঁধ কেটে দেওয়ায় জোয়ারের পানি সহজেই লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে।
তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসাফউদ্দৌলা বলেন, বর্তমানে জোয়ারের পানি বিপদসীমার নিচেই রয়েছে। আবাসন প্রকল্পের ঘরগুলোতে যাতে জোয়ারের পানি প্রবেশ করতে না পারে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
2.png)