জাতীয়
গাইবান্ধায় বিশাল আকৃতির একটি রামমূর্তি নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনায় আসা হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে অর্থপাচারের অভিযোগে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। ঢাকার উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে রোববার রাতে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলা থেকে তাকে আটক করা হয়।
সোমবার তাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে তদন্তকারী সংস্থা। শুনানি শেষে আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন, যাতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যায়।
সিআইডির দায়ের করা মামলায় হরিদাসের বিরুদ্ধে দেশি ও বিদেশি মুদ্রা পাচার এবং সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়েছে। তদন্তকারীরা তার বিভিন্ন আর্থিক কার্যক্রমের উৎস ও বৈধতা খতিয়ে দেখছেন।
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার মধ্যরামচন্দ্রপুর গ্রামের দরিদ্র পরিবারে জন্ম হরিদাসের। তাকে গ্রেফতারের পর সিআইডি জানায়, তিনি ২০০৬ সালে এসএসসি এবং ২০০৮ সালে এইচএসসি পাস করেছেন। তবে মঙ্গলবার সংস্থাটি জানিয়েছে, তার শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কিত এই তথ্য এখনো যাচাইয়ের পর্যায়ে রয়েছে।
সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম বিভাগের বিশেষ পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হরিদাস দাবি করেছেন, তার অনুসারী ও ভক্তদের দেওয়া অনুদান থেকেই অর্থ এসেছে। তবে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই চলছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য, একজন এসি মেকানিক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করা ব্যক্তি কীভাবে অল্প সময়ের মধ্যে শতকোটি টাকার আর্থিক লেনদেনে যুক্ত হলেন, সেই অর্থের উৎস ও লেনদেনের প্রকৃতি এখন তদন্তের মূল বিষয়।
বিষয় : হরিদাস তরণী রামমূর্তি
2.png)
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬
গাইবান্ধায় বিশাল আকৃতির একটি রামমূর্তি নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনায় আসা হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে অর্থপাচারের অভিযোগে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। ঢাকার উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে রোববার রাতে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলা থেকে তাকে আটক করা হয়।
সোমবার তাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে তদন্তকারী সংস্থা। শুনানি শেষে আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন, যাতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যায়।
সিআইডির দায়ের করা মামলায় হরিদাসের বিরুদ্ধে দেশি ও বিদেশি মুদ্রা পাচার এবং সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়েছে। তদন্তকারীরা তার বিভিন্ন আর্থিক কার্যক্রমের উৎস ও বৈধতা খতিয়ে দেখছেন।
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার মধ্যরামচন্দ্রপুর গ্রামের দরিদ্র পরিবারে জন্ম হরিদাসের। তাকে গ্রেফতারের পর সিআইডি জানায়, তিনি ২০০৬ সালে এসএসসি এবং ২০০৮ সালে এইচএসসি পাস করেছেন। তবে মঙ্গলবার সংস্থাটি জানিয়েছে, তার শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কিত এই তথ্য এখনো যাচাইয়ের পর্যায়ে রয়েছে।
সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম বিভাগের বিশেষ পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হরিদাস দাবি করেছেন, তার অনুসারী ও ভক্তদের দেওয়া অনুদান থেকেই অর্থ এসেছে। তবে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই চলছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য, একজন এসি মেকানিক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করা ব্যক্তি কীভাবে অল্প সময়ের মধ্যে শতকোটি টাকার আর্থিক লেনদেনে যুক্ত হলেন, সেই অর্থের উৎস ও লেনদেনের প্রকৃতি এখন তদন্তের মূল বিষয়।
2.png)