রাজধানী
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আদাবরের শেখেরটেক ৭ নম্বর সড়কে বিকাশ এজেন্ট শফিকুল ইসলামের দোকানে একদল সশস্ত্র তরুণ হানা দেয়। তারা শফিকুলকে কুপিয়ে ক্যাশ বাক্স থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা ও মোবাইল ফোন লুট করে পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় শফিকুলকে উদ্ধার করে পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এই ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ছিনতাইকারী চক্রটিকে শনাক্ত করে আদাবর থানা পুলিশ। বিকেল ৪টার দিকে ওসি মো. জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বেড়িবাঁধ সংলগ্ন এলাকায় অভিযানে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ছিনতাইকারীরা আত্মসমর্পণ না করে ধারালো অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এতে ওসি মো. জাহিদুল ইসলাম এবং এসআই তরুণ গুরুতর আহত হন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি ছুড়লে দুই ছিনতাইকারী গুলিবিদ্ধ হয়। অভিযানে ওই চক্রের চার সদস্যকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা হলো— ‘চোরা রুবেল’, ‘কানা আমির’, কাশেম ও মো. জয়।
তেজগাঁও বিভাগের ডিসি ইবনে মিজান জানান, পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ‘কবজি কাটা গ্রুপ’ নামের এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে আদাবর, শ্যামলী ও মোহাম্মদপুর এলাকায় ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও জমি দখলের মতো অপরাধ চালিয়ে আসছে। আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে চক্রটির বাকি সদস্যদের ধরার চেষ্টা চলছে।
বিষয় : মোহাম্মদপুর ছিনতাই
2.png)
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আদাবরের শেখেরটেক ৭ নম্বর সড়কে বিকাশ এজেন্ট শফিকুল ইসলামের দোকানে একদল সশস্ত্র তরুণ হানা দেয়। তারা শফিকুলকে কুপিয়ে ক্যাশ বাক্স থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা ও মোবাইল ফোন লুট করে পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় শফিকুলকে উদ্ধার করে পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এই ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ছিনতাইকারী চক্রটিকে শনাক্ত করে আদাবর থানা পুলিশ। বিকেল ৪টার দিকে ওসি মো. জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বেড়িবাঁধ সংলগ্ন এলাকায় অভিযানে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ছিনতাইকারীরা আত্মসমর্পণ না করে ধারালো অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এতে ওসি মো. জাহিদুল ইসলাম এবং এসআই তরুণ গুরুতর আহত হন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি ছুড়লে দুই ছিনতাইকারী গুলিবিদ্ধ হয়। অভিযানে ওই চক্রের চার সদস্যকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা হলো— ‘চোরা রুবেল’, ‘কানা আমির’, কাশেম ও মো. জয়।
তেজগাঁও বিভাগের ডিসি ইবনে মিজান জানান, পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ‘কবজি কাটা গ্রুপ’ নামের এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে আদাবর, শ্যামলী ও মোহাম্মদপুর এলাকায় ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও জমি দখলের মতো অপরাধ চালিয়ে আসছে। আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে চক্রটির বাকি সদস্যদের ধরার চেষ্টা চলছে।
2.png)