সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান

 লাইফ স্টাইললাইফ স্টাইল

বাজার থেকে কলা কিনে আনার পর ঝুলিয়ে রাখুন , কয়েকদিন বেশি ভালো থাকবে

বাজার থেকে কিনে আনার কিছুদিনের মধ্যেই কলার পচন ধরে যাওয়া সত্যিই হতাশাজনক। তবে কলার এই দ্রুত পাকার রহস্যটি মূলত বিজ্ঞানের একটি সাধারণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত—আর সেটি হলো 'ইথিলিন গ্যাস' । এই গ্যাসটি মূলত একটি 'ফল পাকানোর হরমোন'।

বাজার থেকে কলা কিনে আনার পর ঝুলিয়ে রাখুন , কয়েকদিন বেশি ভালো থাকবে
ছবি -সংগৃহীত

কলার আয়ু বাড়াতে এবং দীর্ঘদিন সতেজ রাখতে আপনি খুব সহজেই কিছু কৌশল অবলম্বন করতে পারেন। নিচে কলার আয়ু বাড়ানোর কার্যকর উপায়গুলো তুলে ধরা হলো:

 কলার আয়ু বাড়ানোর কার্যকর টিপস

 ১. কলা ঝুলিয়ে রাখুন

অনেকেই কলা ফলের ঝুড়িতে স্তূপ করে রাখেন। এটি ভুল। কলা ঝুলিয়ে রাখলে বাতাস চলাচলের (airflow) সুব্যবস্থা থাকে। ইথিলিন গ্যাস বাতাসের চেয়ে হালকা, তাই কলা ঝুলিয়ে রাখলে গ্যাসগুলো দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং কলার সংস্পর্শে বেশিক্ষণ আটকে থাকতে পারে না। এতে কলা পাকার গতি অনেকটা ধীর হয়ে যায়।

২. আঘাত বা ক্ষত থেকে বাঁচান

কলা অনেক স্পর্শকাতর ফল। বাইরে থেকে আঘাত বা দাগ বোঝা না গেলেও, ভেতরে ভেতরে সামান্য আঘাতেই কলার গায়ে 'ক্ষত প্রতিক্রিয়া' তৈরি হয়, যা ইথিলিন গ্যাস উৎপাদন বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। তাই কলা নাড়াচাড়া বা ঝাঁকুনি দেওয়ার সময় খুব সাবধান থাকুন।

৩. কলার বোঁটা বা মাথা মুড়িয়ে রাখুন

বড় কাঁদি থেকে কলা আলাদা করলে ওই কাটা অংশে একটি বড় ক্ষত তৈরি হয়। এই খোলা মুখ দিয়ে প্রচুর পরিমাণে ইথিলিন গ্যাস নির্গত হতে থাকে। এই গ্যাস আটকানোর সবচেয়ে সহজ উপায় হলো, কলার মাথার দিকটা (বোঁটা) পলিথিন বা প্লাস্টিক দিয়ে শক্ত করে পেঁচিয়ে রাখা। এটি গ্যাস বের হওয়া রোধ করবে এবং কলাকে সতেজ রাখবে।

 ৪. ভুল করেও ফ্রিজে রাখবেন না

কলা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ফল। তাই এটি খুব ঠান্ডা তাপমাত্রা সহ্য করতে পারে না। ফ্রিজের ঠান্ডা বাতাস কলার খোসা দ্রুত কালো করে ফেলে এবং ভেতরের অংশটিকে নরম ও পানসে করে দেয়।

কলার জন্য আদর্শ পরিবেশ

বিশেষজ্ঞদের মতে, কলা সংরক্ষণের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত তাপমাত্রা হলো ১৩ থেকে ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৫৬ থেকে ৭৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট), যা আমাদের ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রার কাছাকাছি। তাই কলা সবসময় সাধারণ ঘরের তাপমাত্রায় রাখাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।

এই ছোট ছোট কৌশলগুলো মেনে চললে আপনার প্রিয় কলাগুলো আগের তুলনায় অনেকদিন সতেজ ও খাওয়ার উপযোগী থাকবে।

বিষয় : কলা ভাল রাখার উপায়

বাজার থেকে কলা কিনে আনার পর ঝুলিয়ে রাখুন , কয়েকদিন বেশি ভালো থাকবে
0:00 0:00
1.0x
কাল মহাকাল

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


বাজার থেকে কলা কিনে আনার পর ঝুলিয়ে রাখুন , কয়েকদিন বেশি ভালো থাকবে

প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬

featured Image

কলার আয়ু বাড়াতে এবং দীর্ঘদিন সতেজ রাখতে আপনি খুব সহজেই কিছু কৌশল অবলম্বন করতে পারেন। নিচে কলার আয়ু বাড়ানোর কার্যকর উপায়গুলো তুলে ধরা হলো:

 কলার আয়ু বাড়ানোর কার্যকর টিপস

 ১. কলা ঝুলিয়ে রাখুন

অনেকেই কলা ফলের ঝুড়িতে স্তূপ করে রাখেন। এটি ভুল। কলা ঝুলিয়ে রাখলে বাতাস চলাচলের (airflow) সুব্যবস্থা থাকে। ইথিলিন গ্যাস বাতাসের চেয়ে হালকা, তাই কলা ঝুলিয়ে রাখলে গ্যাসগুলো দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং কলার সংস্পর্শে বেশিক্ষণ আটকে থাকতে পারে না। এতে কলা পাকার গতি অনেকটা ধীর হয়ে যায়।

২. আঘাত বা ক্ষত থেকে বাঁচান

কলা অনেক স্পর্শকাতর ফল। বাইরে থেকে আঘাত বা দাগ বোঝা না গেলেও, ভেতরে ভেতরে সামান্য আঘাতেই কলার গায়ে 'ক্ষত প্রতিক্রিয়া' তৈরি হয়, যা ইথিলিন গ্যাস উৎপাদন বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। তাই কলা নাড়াচাড়া বা ঝাঁকুনি দেওয়ার সময় খুব সাবধান থাকুন।

৩. কলার বোঁটা বা মাথা মুড়িয়ে রাখুন

বড় কাঁদি থেকে কলা আলাদা করলে ওই কাটা অংশে একটি বড় ক্ষত তৈরি হয়। এই খোলা মুখ দিয়ে প্রচুর পরিমাণে ইথিলিন গ্যাস নির্গত হতে থাকে। এই গ্যাস আটকানোর সবচেয়ে সহজ উপায় হলো, কলার মাথার দিকটা (বোঁটা) পলিথিন বা প্লাস্টিক দিয়ে শক্ত করে পেঁচিয়ে রাখা। এটি গ্যাস বের হওয়া রোধ করবে এবং কলাকে সতেজ রাখবে।

 ৪. ভুল করেও ফ্রিজে রাখবেন না

কলা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ফল। তাই এটি খুব ঠান্ডা তাপমাত্রা সহ্য করতে পারে না। ফ্রিজের ঠান্ডা বাতাস কলার খোসা দ্রুত কালো করে ফেলে এবং ভেতরের অংশটিকে নরম ও পানসে করে দেয়।

কলার জন্য আদর্শ পরিবেশ

বিশেষজ্ঞদের মতে, কলা সংরক্ষণের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত তাপমাত্রা হলো ১৩ থেকে ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৫৬ থেকে ৭৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট), যা আমাদের ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রার কাছাকাছি। তাই কলা সবসময় সাধারণ ঘরের তাপমাত্রায় রাখাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।

এই ছোট ছোট কৌশলগুলো মেনে চললে আপনার প্রিয় কলাগুলো আগের তুলনায় অনেকদিন সতেজ ও খাওয়ার উপযোগী থাকবে।


কাল মহাকাল

সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান


কপিরাইট © ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত