রাজনীতি
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকীতে অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, শহীদ জিয়ার রাজনৈতিক দর্শন ও শিক্ষার মূল ভিত্তিই হলো আর্তমানবতার সেবা। তাই দলের পক্ষ থেকে কর্মসূচির পাশাপাশি ব্যক্তিগত উদ্যোগেও সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে নেতাকর্মীদের প্রতি নির্দেশ দেন তিনি।
শনিবার বিকেলে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জিয়াউর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বস্ত্র ও শুকনো খাবার বিতরণ কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, গত ৪৫ বছর ধরে জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে বিএনপি নেতাকর্মীরা ধারাবাহিকভাবে অসহায় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে আসছেন। তিনি বলেন, “আসুন, সবাই শপথ করি—যার যার অবস্থান থেকে সামর্থ্য অনুযায়ী আর্তমানবতার সেবায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেব। আজকের দিনে এটিই হোক আমাদের প্রত্যাশা, এটিই হোক আমাদের বড় অর্জন।”
অনুষ্ঠানমালার প্রাক্কালে খিলগাঁওয়ের জোড় পুকুর মাঠে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী নগর পরিচ্ছন্নতা ও নাগরিক দায়িত্ববোধ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন। তিনি বলেন, “সিটি করপোরেশনের কর্মীরা দিনরাত নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন, কিন্তু নাগরিক হিসেবে শহরকে পরিষ্কার রাখা আমাদের সবার নৈতিক দায়িত্ব। শহরটা পরিষ্কার থাকলে পরিবেশ সুন্দর ও বাসযোগ্য থাকে, যা সবার হাঁটাচলার জন্য আরামদায়ক।”
গত ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে জনগণের প্রদত্ত রায়কে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে গুরুদায়িত্ব জনগণ আমাদের কাঁধে অর্পণ করেছেন, জনগণের সমর্থনই আমাদের ক্ষমতার মূল উৎস। দেশের স্বচ্ছল ব্যক্তিরা যদি এগিয়ে আসেন এবং সরকার যদি পরিকল্পিত কর্মসূচি বাস্তবায়নে জনগণের সহায়তা পায়, তবে দ্রুতই আমরা সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে সক্ষম হব।”
তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমান এই দেশ ও দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্যেই রাজনীতি শুরু করেছিলেন। তাঁর রেখে যাওয়া আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমেই দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সরকারপ্রধান।
এ সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলসহ ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এবং অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বিষয় : প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য
2.png)
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মে ২০২৬
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকীতে অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, শহীদ জিয়ার রাজনৈতিক দর্শন ও শিক্ষার মূল ভিত্তিই হলো আর্তমানবতার সেবা। তাই দলের পক্ষ থেকে কর্মসূচির পাশাপাশি ব্যক্তিগত উদ্যোগেও সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে নেতাকর্মীদের প্রতি নির্দেশ দেন তিনি।
শনিবার বিকেলে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জিয়াউর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বস্ত্র ও শুকনো খাবার বিতরণ কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, গত ৪৫ বছর ধরে জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে বিএনপি নেতাকর্মীরা ধারাবাহিকভাবে অসহায় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে আসছেন। তিনি বলেন, “আসুন, সবাই শপথ করি—যার যার অবস্থান থেকে সামর্থ্য অনুযায়ী আর্তমানবতার সেবায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেব। আজকের দিনে এটিই হোক আমাদের প্রত্যাশা, এটিই হোক আমাদের বড় অর্জন।”
অনুষ্ঠানমালার প্রাক্কালে খিলগাঁওয়ের জোড় পুকুর মাঠে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী নগর পরিচ্ছন্নতা ও নাগরিক দায়িত্ববোধ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন। তিনি বলেন, “সিটি করপোরেশনের কর্মীরা দিনরাত নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন, কিন্তু নাগরিক হিসেবে শহরকে পরিষ্কার রাখা আমাদের সবার নৈতিক দায়িত্ব। শহরটা পরিষ্কার থাকলে পরিবেশ সুন্দর ও বাসযোগ্য থাকে, যা সবার হাঁটাচলার জন্য আরামদায়ক।”
গত ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে জনগণের প্রদত্ত রায়কে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে গুরুদায়িত্ব জনগণ আমাদের কাঁধে অর্পণ করেছেন, জনগণের সমর্থনই আমাদের ক্ষমতার মূল উৎস। দেশের স্বচ্ছল ব্যক্তিরা যদি এগিয়ে আসেন এবং সরকার যদি পরিকল্পিত কর্মসূচি বাস্তবায়নে জনগণের সহায়তা পায়, তবে দ্রুতই আমরা সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে সক্ষম হব।”
তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমান এই দেশ ও দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্যেই রাজনীতি শুরু করেছিলেন। তাঁর রেখে যাওয়া আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমেই দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সরকারপ্রধান।
এ সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলসহ ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এবং অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
2.png)