সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান

 সম্পাদকীয়সম্পাদকীয়

ব্যক্তিপূজার পুরোনো সংস্কৃতি কি আবারও ফিরছে তারেক রহমানকে ঘিরে?

সংবাদমাধ্যমের তোষামোদ ও অন্ধ স্তুতি কীভাবে একজন শাসককে জনবিচ্ছিন্ন স্বৈরাচারে রূপান্তর করে, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাস তার বড় সাক্ষী। একই বিপদের ছায়া এখন তারেক রহমানের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের ওপরও কি পড়তে শুরু করেছে?

ব্যক্তিপূজার পুরোনো সংস্কৃতি কি আবারও ফিরছে তারেক রহমানকে ঘিরে?
ছবি- প্রতীকী (এ আই জেনারেটেড)


বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাস আমাদের একটি কঠিন শিক্ষা দিয়ে গেছে—গণমাধ্যম যখন তার মৌলিক দায়িত্ব ভুলে ক্ষমতার প্রশংসাগীতে মত্ত হয়ে নেতার ব্যক্তিগত গুণকীর্তনের ডায়েরিতে পরিণত হয়, তখন শুধু সাংবাদিকতাই ক্ষতিগ্রস্ত হয় না, বিপন্ন হয়ে পড়ে পুরো গণতান্ত্রিক কাঠামো। গত বছরের জুলাই অভ্যুত্থান ছিল সেই বাস্তবতার বিস্ফোরক পরিণতি। দেড় দশকের দীর্ঘ শাসনের অবসান ঘটেছিল জনরোষের মুখে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, সেই অভিজ্ঞতা থেকে আমরা আদৌ কিছু শিখেছি কি? 

নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরির মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই উদ্বেগজনক কিছু প্রবণতা চোখে পড়ছে। সংবাদমাধ্যমের একটি অংশ আবারও যেন রাষ্ট্রক্ষমতার চারপাশে ব্যক্তিপূজার আবহ নির্মাণে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, অর্থনৈতিক রূপরেখা কিংবা প্রশাসনিক সংস্কারের চেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের খুঁটিনাটি। কোথায় গেলেন, কী খেলেন, নিজে গাড়ি চালালেন কিনা—এসব বিষয় যখন প্রধান শিরোনাম হয়ে ওঠে, তখন স্বাভাবিকভাবেই  সচেতন বিবেকে প্রশ্ন জাগে: গণমাধ্যম কি তার মূল পথ হারাচ্ছে ভুলে যাচ্ছে তার গুরু দায়িত্ব?

একজন রাষ্ট্রনায়কের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মানুষের স্বাভাবিক কৌতূহল থাকতে পারে। কিন্তু সেই কৌতূহলকে ঘিরেই যদি সাংবাদিকতার পরিধি সীমাবদ্ধ হয়, তাহলে জনস্বার্থের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলো আড়ালে চলে যায়। দেশের মানুষ যখন দ্রব্যমূল্যের চাপ, বেকারত্ব, আইনশৃঙ্খলার অবনতি ও দুর্নীতির মতো বাস্তব সংকটে প্রতিদিন লড়াই করছে, তখন সংবাদমাধ্যমের কাজ হওয়া উচিত সেই সমস্যাগুলো সামনে নিয়ে আসা। কারণ গণমাধ্যম যদি ক্ষমতার বাস্তব চিত্র না তুলে ধরে, তাহলে শাসক ও জনগণের মধ্যে এক ধরনের কৃত্রিম দূরত্ব তৈরি হয়—যা শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রের জন্য বিপজ্জনক হয়ে দাঁড়ায়।

আমরা খুব নিকট অতীতেই দেখেছি, কীভাবে অবিরাম তোষামোদ একজন নেতাকে বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে। সমালোচনার জায়গা সংকুচিত হতে হতে এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে, যুক্তিসঙ্গত প্রশ্ন তোলাও অনেক সময় সাহসের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিল। শাসকের চারপাশে গড়ে উঠেছিল এমন এক পরিবেশ, যেখানে কেবল প্রশংসাই নিরাপদ আর লাভজনক। ফলাফল ছিল ভয়াবহ। ছাত্র আন্দোলনের সময় একটি দায়সারা আর দায়িত্বজ্ঞানহীন প্রশ্ন থেকেই যে গণবিস্ফোরণের সূত্রপাত হয়েছিল, সেটিই প্রমাণ করে—বাইরের চাকচিক্যের আড়ালে পুরো কাঠামো কতটা নড়বড়ে হয়ে পড়েছিল। 

দুঃখজনক হলেও সত্য, নতুন সরকার যে শুরুতেই আবার সেই পুরোনো সংস্কৃতির ফাঁদে ফেঁসে যাচ্ছে। অতিরিক্ত প্রশংসা, অতিনাটকীয় প্রচার এবং নেতাকে ঘিরে অস্বাভাবিক আবেগতাড়িত উপস্থাপন—এসব কোনো সুস্থ গণতন্ত্রের লক্ষণ নয়। বরং এগুলো একজন রাজনীতিককে ধীরে ধীরে বাস্তবতা থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। প্রকৃতপক্ষে একজন নেতার মূল ক্ষতি সমালোচকরা করেন না; ক্ষতি করেন সেই অন্ধ অনুসারীরা, যারা সত্যকে আড়াল করে নেতাকে ‘সব ঠিক আছে’র এক অলীক স্বর্গে বাস করায়।

গণতন্ত্রের সৌন্দর্যই হলো জবাবদিহিতা,অপ্রিয় সত্য শোনার সাহস রাখা। একজন রাষ্ট্রনায়কের সবচেয়ে বড় শক্তি তাঁর চারপাশের করতালি নয়, বরং সত্য শোনার মানসিকতা। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চাটুকারিতাকে অপছন্দ করতেন বলেই তাঁর রাজনৈতিক দর্শনে বাস্তববাদ ও সরলতার একটি ছাপ ছিল। বর্তমান সময়ে সেই মানসিকতারই সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।

তারেক রহমানেরও উচিত স্পষ্ট বার্তা দেওয়া যে, ব্যক্তিপূজা নয়—গণমাধ্যমের অগ্রাধিকার হবে জনগণের জীবন, সমস্যা এবং রাষ্ট্রের বাস্তবতা। কারণ একজন রাজনীতিকের জনপ্রিয়তা তখনই টেকসই হয়, যখন তিনি প্রশংসার চেয়ে সমালোচনাকে বেশি গুরুত্ব দিতে শেখেন।

তারেক রহমানের উচিত এখনই স্পষ্টভাবে বিবৃতি দেওয়া যে, ব্যক্তিপূজা নয় বরং জনমানুষের সংকট নিয়ে যেন সংবাদ পরিবেশন করা হয়। প্রয়োজনে তিনি জহরলাল নেহরুর মতো তাঁর কন্যা জাইমা রহমানকে অনানুষ্ঠানিক সহকারী হিসেবে পাশে রাখতে পারেন। নেহরু তাঁর কন্যা ইন্দিরাকে সাথে রেখে যেমন একজন চৌকস উত্তরসূরি তৈরি করেছিলেন, তেমনি জাইমা রহমানের উপস্থিতি হয়তো এই চাটুকার পরিবেষ্টনী ভাঙতে সাহসী ভূমিকা রাখতে পারে। আইনশিক্ষায় শিক্ষিত বলে তিনি নিশ্চয়ই বাস্তবমুখী ও সমালোচনাবান্ধব রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখতে পারেন, তাহলে হয়তো পুরোনো ভুলের পুনরাবৃত্তি কিছুটা হলেও ঠেকানো সম্ভব হবে। বিশ্ব রাজনীতির ইতিহাসে দেখা যায় বহু রাজনৈতিক পরিবারেই নতুন প্রজন্ম পুরোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে প্রশ্ন করার মধ্য দিয়ে নতুন দৃষ্টিভঙ্গির জন্ম দিয়েছে।

সবশেষে মনে রাখা জরুরি, সাংবাদিকতার কাজ ক্ষমতাবানদের আরাম দেওয়া নয়; বরং অস্বস্তিকর সত্য তুলে ধরা। যারা আজ অন্ধ প্রশংসায় মগ্ন, সময় বদলালে তারাই আবার রসিয়ে রসিয়ে কুৎসা রটাবে।  তাই বাংলাদেশের গণমাধ্যমের এই দীর্ঘদিনের ‘ব্যক্তিপূজা’র রোগ সারানো এখন সময়ের দাবি। যত দ্রুত এই সংস্কৃতির অবসান ঘটবে, দেশের গণতন্ত্রের জন্য ততই মঙ্গল। গণমাধ্যমের উচিত ব্যক্তি-উপাসনার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে স্বাধীন, সমালোচনামূলক এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার চর্চা করা। 

কাল মহাকাল

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬


ব্যক্তিপূজার পুরোনো সংস্কৃতি কি আবারও ফিরছে তারেক রহমানকে ঘিরে?

প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬

featured Image


বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাস আমাদের একটি কঠিন শিক্ষা দিয়ে গেছে—গণমাধ্যম যখন তার মৌলিক দায়িত্ব ভুলে ক্ষমতার প্রশংসাগীতে মত্ত হয়ে নেতার ব্যক্তিগত গুণকীর্তনের ডায়েরিতে পরিণত হয়, তখন শুধু সাংবাদিকতাই ক্ষতিগ্রস্ত হয় না, বিপন্ন হয়ে পড়ে পুরো গণতান্ত্রিক কাঠামো। গত বছরের জুলাই অভ্যুত্থান ছিল সেই বাস্তবতার বিস্ফোরক পরিণতি। দেড় দশকের দীর্ঘ শাসনের অবসান ঘটেছিল জনরোষের মুখে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, সেই অভিজ্ঞতা থেকে আমরা আদৌ কিছু শিখেছি কি? 

নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরির মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই উদ্বেগজনক কিছু প্রবণতা চোখে পড়ছে। সংবাদমাধ্যমের একটি অংশ আবারও যেন রাষ্ট্রক্ষমতার চারপাশে ব্যক্তিপূজার আবহ নির্মাণে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, অর্থনৈতিক রূপরেখা কিংবা প্রশাসনিক সংস্কারের চেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের খুঁটিনাটি। কোথায় গেলেন, কী খেলেন, নিজে গাড়ি চালালেন কিনা—এসব বিষয় যখন প্রধান শিরোনাম হয়ে ওঠে, তখন স্বাভাবিকভাবেই  সচেতন বিবেকে প্রশ্ন জাগে: গণমাধ্যম কি তার মূল পথ হারাচ্ছে ভুলে যাচ্ছে তার গুরু দায়িত্ব?

একজন রাষ্ট্রনায়কের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মানুষের স্বাভাবিক কৌতূহল থাকতে পারে। কিন্তু সেই কৌতূহলকে ঘিরেই যদি সাংবাদিকতার পরিধি সীমাবদ্ধ হয়, তাহলে জনস্বার্থের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলো আড়ালে চলে যায়। দেশের মানুষ যখন দ্রব্যমূল্যের চাপ, বেকারত্ব, আইনশৃঙ্খলার অবনতি ও দুর্নীতির মতো বাস্তব সংকটে প্রতিদিন লড়াই করছে, তখন সংবাদমাধ্যমের কাজ হওয়া উচিত সেই সমস্যাগুলো সামনে নিয়ে আসা। কারণ গণমাধ্যম যদি ক্ষমতার বাস্তব চিত্র না তুলে ধরে, তাহলে শাসক ও জনগণের মধ্যে এক ধরনের কৃত্রিম দূরত্ব তৈরি হয়—যা শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রের জন্য বিপজ্জনক হয়ে দাঁড়ায়।

আমরা খুব নিকট অতীতেই দেখেছি, কীভাবে অবিরাম তোষামোদ একজন নেতাকে বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে। সমালোচনার জায়গা সংকুচিত হতে হতে এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে, যুক্তিসঙ্গত প্রশ্ন তোলাও অনেক সময় সাহসের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিল। শাসকের চারপাশে গড়ে উঠেছিল এমন এক পরিবেশ, যেখানে কেবল প্রশংসাই নিরাপদ আর লাভজনক। ফলাফল ছিল ভয়াবহ। ছাত্র আন্দোলনের সময় একটি দায়সারা আর দায়িত্বজ্ঞানহীন প্রশ্ন থেকেই যে গণবিস্ফোরণের সূত্রপাত হয়েছিল, সেটিই প্রমাণ করে—বাইরের চাকচিক্যের আড়ালে পুরো কাঠামো কতটা নড়বড়ে হয়ে পড়েছিল। 

দুঃখজনক হলেও সত্য, নতুন সরকার যে শুরুতেই আবার সেই পুরোনো সংস্কৃতির ফাঁদে ফেঁসে যাচ্ছে। অতিরিক্ত প্রশংসা, অতিনাটকীয় প্রচার এবং নেতাকে ঘিরে অস্বাভাবিক আবেগতাড়িত উপস্থাপন—এসব কোনো সুস্থ গণতন্ত্রের লক্ষণ নয়। বরং এগুলো একজন রাজনীতিককে ধীরে ধীরে বাস্তবতা থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। প্রকৃতপক্ষে একজন নেতার মূল ক্ষতি সমালোচকরা করেন না; ক্ষতি করেন সেই অন্ধ অনুসারীরা, যারা সত্যকে আড়াল করে নেতাকে ‘সব ঠিক আছে’র এক অলীক স্বর্গে বাস করায়।

গণতন্ত্রের সৌন্দর্যই হলো জবাবদিহিতা,অপ্রিয় সত্য শোনার সাহস রাখা। একজন রাষ্ট্রনায়কের সবচেয়ে বড় শক্তি তাঁর চারপাশের করতালি নয়, বরং সত্য শোনার মানসিকতা। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চাটুকারিতাকে অপছন্দ করতেন বলেই তাঁর রাজনৈতিক দর্শনে বাস্তববাদ ও সরলতার একটি ছাপ ছিল। বর্তমান সময়ে সেই মানসিকতারই সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।

তারেক রহমানেরও উচিত স্পষ্ট বার্তা দেওয়া যে, ব্যক্তিপূজা নয়—গণমাধ্যমের অগ্রাধিকার হবে জনগণের জীবন, সমস্যা এবং রাষ্ট্রের বাস্তবতা। কারণ একজন রাজনীতিকের জনপ্রিয়তা তখনই টেকসই হয়, যখন তিনি প্রশংসার চেয়ে সমালোচনাকে বেশি গুরুত্ব দিতে শেখেন।

তারেক রহমানের উচিত এখনই স্পষ্টভাবে বিবৃতি দেওয়া যে, ব্যক্তিপূজা নয় বরং জনমানুষের সংকট নিয়ে যেন সংবাদ পরিবেশন করা হয়। প্রয়োজনে তিনি জহরলাল নেহরুর মতো তাঁর কন্যা জাইমা রহমানকে অনানুষ্ঠানিক সহকারী হিসেবে পাশে রাখতে পারেন। নেহরু তাঁর কন্যা ইন্দিরাকে সাথে রেখে যেমন একজন চৌকস উত্তরসূরি তৈরি করেছিলেন, তেমনি জাইমা রহমানের উপস্থিতি হয়তো এই চাটুকার পরিবেষ্টনী ভাঙতে সাহসী ভূমিকা রাখতে পারে। আইনশিক্ষায় শিক্ষিত বলে তিনি নিশ্চয়ই বাস্তবমুখী ও সমালোচনাবান্ধব রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখতে পারেন, তাহলে হয়তো পুরোনো ভুলের পুনরাবৃত্তি কিছুটা হলেও ঠেকানো সম্ভব হবে। বিশ্ব রাজনীতির ইতিহাসে দেখা যায় বহু রাজনৈতিক পরিবারেই নতুন প্রজন্ম পুরোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে প্রশ্ন করার মধ্য দিয়ে নতুন দৃষ্টিভঙ্গির জন্ম দিয়েছে।

সবশেষে মনে রাখা জরুরি, সাংবাদিকতার কাজ ক্ষমতাবানদের আরাম দেওয়া নয়; বরং অস্বস্তিকর সত্য তুলে ধরা। যারা আজ অন্ধ প্রশংসায় মগ্ন, সময় বদলালে তারাই আবার রসিয়ে রসিয়ে কুৎসা রটাবে।  তাই বাংলাদেশের গণমাধ্যমের এই দীর্ঘদিনের ‘ব্যক্তিপূজা’র রোগ সারানো এখন সময়ের দাবি। যত দ্রুত এই সংস্কৃতির অবসান ঘটবে, দেশের গণতন্ত্রের জন্য ততই মঙ্গল। গণমাধ্যমের উচিত ব্যক্তি-উপাসনার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে স্বাধীন, সমালোচনামূলক এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার চর্চা করা। 


কাল মহাকাল

সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 
প্রকাশকঃ এম কে আই কানন খান


কপিরাইট © ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত