রাজনীতি
চাঁদপুরের শাহ মোহাম্মদপুর ইউনিয়নে এক নতুন কর্মযজ্ঞের সূচনা হতে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনী স্থান পরিদর্শনে এসে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী এক আশাজাগানিয়া বার্তা শুনিয়েছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যেই এই প্রকল্পের হাত ধরে বাংলাদেশ স্বনির্ভরতার এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছাবে।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী একটি বড় পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, সরকার আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। মন্ত্রীর ভাষায়, এটি কেবল একটি সরকারি প্রকল্প নয়, বরং সাধারণ মানুষের ভাগ্যবদলের হাতিয়ার। এই কর্মসূচির ফলে গ্রামবাংলার জনপদে এক নতুন প্রাণের স্পন্দন বা জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
আসলে এই উদ্যোগের পেছনে রয়েছে গভীর এক রাজনৈতিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতা। মন্ত্রী স্পষ্ট করেই বলেছেন, এই কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সেই ঐতিহাসিক অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করা হবে। সেই সঙ্গে নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া অঙ্গীকারও এর মাধ্যমে রক্ষা পাচ্ছে। সরকারের বর্তমান অগ্রাধিকার যে কৃষিবান্ধব ও উন্নয়নমুখী, এই প্রকল্পটি তারই প্রতিফলন বলে উঠে এসেছে তার বক্তব্যে।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। মাঠপর্যায়ে কাজের গতি এবং গুণমান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও প্রদান করেন মন্ত্রী। ফসলের মাঠে পানি পৌঁছানো আর জলাবদ্ধতা দূর করার এই দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা দেশের কৃষি অর্থনীতিতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
চাঁদপুরের শাহ মোহাম্মদপুর ইউনিয়নে এক নতুন কর্মযজ্ঞের সূচনা হতে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনী স্থান পরিদর্শনে এসে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী এক আশাজাগানিয়া বার্তা শুনিয়েছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যেই এই প্রকল্পের হাত ধরে বাংলাদেশ স্বনির্ভরতার এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছাবে।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী একটি বড় পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, সরকার আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। মন্ত্রীর ভাষায়, এটি কেবল একটি সরকারি প্রকল্প নয়, বরং সাধারণ মানুষের ভাগ্যবদলের হাতিয়ার। এই কর্মসূচির ফলে গ্রামবাংলার জনপদে এক নতুন প্রাণের স্পন্দন বা জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
আসলে এই উদ্যোগের পেছনে রয়েছে গভীর এক রাজনৈতিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতা। মন্ত্রী স্পষ্ট করেই বলেছেন, এই কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সেই ঐতিহাসিক অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করা হবে। সেই সঙ্গে নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া অঙ্গীকারও এর মাধ্যমে রক্ষা পাচ্ছে। সরকারের বর্তমান অগ্রাধিকার যে কৃষিবান্ধব ও উন্নয়নমুখী, এই প্রকল্পটি তারই প্রতিফলন বলে উঠে এসেছে তার বক্তব্যে।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। মাঠপর্যায়ে কাজের গতি এবং গুণমান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও প্রদান করেন মন্ত্রী। ফসলের মাঠে পানি পৌঁছানো আর জলাবদ্ধতা দূর করার এই দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা দেশের কৃষি অর্থনীতিতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
