আন্তর্জাতিক
পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক নতুন অধ্যায় সূচিত হতে যাচ্ছে। দীর্ঘ জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। আজ শুক্রবার নবনির্বাচিত বিজেপি বিধায়কদের গুরুত্বপূর্ণ এক বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নিজেই পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা পরিষদীয় দলনেতা এবং হবু মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দুর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছেন।
অমিত শাহ সাংবাদিকদের জানান, পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়াটি ছিল অত্যন্ত স্বচ্ছ। বৈঠকে মোট আটটি প্রস্তাব জমা পড়েছিল এবং আশ্চর্যের বিষয় হলো, প্রতিটি প্রস্তাবেই একমাত্র নাম ছিল শুভেন্দু অধিকারী। দ্বিতীয় কোনো নামের জন্য নির্দিষ্ট সময় বরাদ্দ রাখা হলেও অন্য কারো নাম প্রস্তাব করা হয়নি। ফলে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিধায়কদের নিরঙ্কুশ সমর্থনে বাংলার মসনদে বসার চূড়ান্ত ছাড়পত্র পেয়ে গেলেন এই দাপুটে নেতা।
শুভেন্দু অধিকারীর এই জয় যেন আক্ষরিক অর্থেই এক ‘জায়ান্ট কিলিং’ মিশন। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে কলকাতার ভবানীপুর আসনে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১৫ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন তিনি। শুধু ভবানীপুরেই নয়, নিজের পুরনো দুর্গ নন্দীগ্রামেও জয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছেন। ২০২১ সালের নির্বাচনেও নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১ হাজার ৯৫৬ ভোটে হারিয়ে দেশজুড়ে চমক সৃষ্টি করেছিলেন তিনি। এবার খোদ মমতার খাসতালুক ভবানীপুরে ঢুকে তাকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে দিয়ে নিজের রাজনৈতিক সামর্থ্যের চূড়ান্ত প্রমাণ রাখলেন শুভেন্দু। মাঠের লড়াই শেষে এখন তিনি রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে শপথ নেওয়ার অপেক্ষায়।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক নতুন অধ্যায় সূচিত হতে যাচ্ছে। দীর্ঘ জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। আজ শুক্রবার নবনির্বাচিত বিজেপি বিধায়কদের গুরুত্বপূর্ণ এক বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নিজেই পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা পরিষদীয় দলনেতা এবং হবু মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দুর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছেন।
অমিত শাহ সাংবাদিকদের জানান, পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়াটি ছিল অত্যন্ত স্বচ্ছ। বৈঠকে মোট আটটি প্রস্তাব জমা পড়েছিল এবং আশ্চর্যের বিষয় হলো, প্রতিটি প্রস্তাবেই একমাত্র নাম ছিল শুভেন্দু অধিকারী। দ্বিতীয় কোনো নামের জন্য নির্দিষ্ট সময় বরাদ্দ রাখা হলেও অন্য কারো নাম প্রস্তাব করা হয়নি। ফলে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিধায়কদের নিরঙ্কুশ সমর্থনে বাংলার মসনদে বসার চূড়ান্ত ছাড়পত্র পেয়ে গেলেন এই দাপুটে নেতা।
শুভেন্দু অধিকারীর এই জয় যেন আক্ষরিক অর্থেই এক ‘জায়ান্ট কিলিং’ মিশন। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে কলকাতার ভবানীপুর আসনে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১৫ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন তিনি। শুধু ভবানীপুরেই নয়, নিজের পুরনো দুর্গ নন্দীগ্রামেও জয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছেন। ২০২১ সালের নির্বাচনেও নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১ হাজার ৯৫৬ ভোটে হারিয়ে দেশজুড়ে চমক সৃষ্টি করেছিলেন তিনি। এবার খোদ মমতার খাসতালুক ভবানীপুরে ঢুকে তাকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে দিয়ে নিজের রাজনৈতিক সামর্থ্যের চূড়ান্ত প্রমাণ রাখলেন শুভেন্দু। মাঠের লড়াই শেষে এখন তিনি রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে শপথ নেওয়ার অপেক্ষায়।
