বানিজ্য
ঘরোয়া বাজারে গ্যাসের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ ধরে রাখতে এবার সরাসরি স্পট মার্কেট থেকে তিন কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি আমদানির পথে হাঁটছে সরকার। দ্রুততম সময়ে জ্বালানি চাহিদা মেটাতে সিঙ্গাপুরের শীর্ষস্থানীয় তিনটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এই বিশাল কেনাকাটার চুক্তি চূড়ান্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই অনুমোদন দিয়ে দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
জানা গেছে, আসন্ন জুন মাসের শুরু থেকেই এই গ্যাসের চালানগুলো দেশে পৌঁছাতে শুরু করবে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক ভিটল এশিয়া, বিপি সিঙ্গাপুর এবং গানভর সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেড থেকে এই এলএনজি সংগ্রহ করতে সরকারের কোষাগার থেকে ব্যয় হচ্ছে ২ হাজার ১৮৬ কোটি ৩৫ লাখ টাকারও বেশি। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে আসা এই প্রস্তাবটি বর্তমান প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেছে মন্ত্রিসভা কমিটি।
প্রক্রিয়াটি ত্বরান্বিত করতে 'পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০২৫' অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক কোটেশন সংগ্রহের মাধ্যমে এই তিন কার্গো গ্যাস কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সূচি অনুযায়ী, প্রথম দুই কার্গো এলএনজি ৮ থেকে ১০ জুনের মধ্যে এবং শেষ কিস্তিটি জুনের মাঝামাঝি সময়ে বন্দর নগরীতে এসে ভিড়বে।
সত্যি বলতে, দেশের শিল্প-কারখানা ও বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে বাড়তি গ্যাসের জোগান দেওয়া এখন সময়ের দাবি। সেই বাস্তবতাকে সামনে রেখেই সরকার স্পট মার্কেট থেকে নগদ মূল্যে এই জ্বালানি সংগ্রহের অনুমোদন দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, জুনের এই তিন চালানের ফলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের চাপ স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হবে।
বিষয় : এলএনজি জ্বালানি সংকট

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
ঘরোয়া বাজারে গ্যাসের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ ধরে রাখতে এবার সরাসরি স্পট মার্কেট থেকে তিন কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি আমদানির পথে হাঁটছে সরকার। দ্রুততম সময়ে জ্বালানি চাহিদা মেটাতে সিঙ্গাপুরের শীর্ষস্থানীয় তিনটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এই বিশাল কেনাকাটার চুক্তি চূড়ান্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই অনুমোদন দিয়ে দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
জানা গেছে, আসন্ন জুন মাসের শুরু থেকেই এই গ্যাসের চালানগুলো দেশে পৌঁছাতে শুরু করবে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক ভিটল এশিয়া, বিপি সিঙ্গাপুর এবং গানভর সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেড থেকে এই এলএনজি সংগ্রহ করতে সরকারের কোষাগার থেকে ব্যয় হচ্ছে ২ হাজার ১৮৬ কোটি ৩৫ লাখ টাকারও বেশি। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে আসা এই প্রস্তাবটি বর্তমান প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেছে মন্ত্রিসভা কমিটি।
প্রক্রিয়াটি ত্বরান্বিত করতে 'পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০২৫' অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক কোটেশন সংগ্রহের মাধ্যমে এই তিন কার্গো গ্যাস কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সূচি অনুযায়ী, প্রথম দুই কার্গো এলএনজি ৮ থেকে ১০ জুনের মধ্যে এবং শেষ কিস্তিটি জুনের মাঝামাঝি সময়ে বন্দর নগরীতে এসে ভিড়বে।
সত্যি বলতে, দেশের শিল্প-কারখানা ও বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে বাড়তি গ্যাসের জোগান দেওয়া এখন সময়ের দাবি। সেই বাস্তবতাকে সামনে রেখেই সরকার স্পট মার্কেট থেকে নগদ মূল্যে এই জ্বালানি সংগ্রহের অনুমোদন দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, জুনের এই তিন চালানের ফলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের চাপ স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হবে।
