আন্তর্জাতিক
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তটি শেষ পর্যন্ত আইনি লড়াইয়ে ধোপে টিকল না। বৃহস্পতিবার (৭ মে) যুক্তরাষ্ট্রের কোর্ট অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড এক যুগান্তকারী রায়ে এই শুল্ককে পুরোপুরি অবৈধ ও অকার্যকর বলে জানিয়ে দিয়েছেন। এর ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কৌশলে বড় ধরনের ফাটল ধরল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
ঘটনার সূত্রপাত গত ফেব্রুয়ারিতে, যখন ট্রাম্প প্রশাসন ট্রেড অ্যাক্টের 'সেকশন ১২২' ব্যবহার করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চলের ওপর এই ঢালাও শুল্ক চাপিয়ে দেয়। তবে আদালতের পর্যবেক্ষণ বলছে, প্রেসিডেন্ট এই ধারা ব্যবহারের ক্ষেত্রে যে ধরণের আইনি বাধ্যবাধকতা বা শর্ত পূরণ করা দরকার ছিল, তা করতে ব্যর্থ হয়েছেন। সহজ কথায়, ক্ষমতার প্রয়োগটি সঠিক পথে হয়নি।
এর আগেও অবশ্য ট্রাম্পের ব্যাপক শুল্ক নীতি সুপ্রিম কোর্টের বাধার মুখে পড়েছিল। তখন আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইন (আইইইপিএ) ব্যবহারের অপচেষ্টাকে আদালত সরাসরি নাকচ করে দিয়ে বলেছিলেন, এটি প্রেসিডেন্টের এখতিয়ারের বাইরে। সেই ধাক্কা সামলাতে বিকল্প হিসেবে সেকশন ১২২-এর আশ্রয় নিয়েছিলেন ট্রাম্প। এই ধারা অনুযায়ী, গুরুতর বাণিজ্য ঘাটতি সামলাতে একজন প্রেসিডেন্ট সর্বোচ্চ ১৫০ দিনের জন্য ১৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক বসাতে পারেন। কিন্তু মামলার বাদীরা যুক্তি দেখিয়েছেন যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে এই ধারা প্রয়োগের মতো কোনো জরুরি অবস্থা তৈরি হয়নি।
আদালতের এই নতুন রায়ে ট্রাম্প প্রশাসনের বাণিজ্য যুদ্ধ কিছুটা হলেও থমকে গেল। এখন দেখার বিষয় হলো, হোয়াইট হাউস কি চুপচাপ এই রায় মেনে নেবে নাকি নতুন কোনো আইনি পথে আপিলের প্রস্তুতি শুরু করবে। বাণিজ্য মহলে এখন এটাই সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয়।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তটি শেষ পর্যন্ত আইনি লড়াইয়ে ধোপে টিকল না। বৃহস্পতিবার (৭ মে) যুক্তরাষ্ট্রের কোর্ট অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড এক যুগান্তকারী রায়ে এই শুল্ককে পুরোপুরি অবৈধ ও অকার্যকর বলে জানিয়ে দিয়েছেন। এর ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কৌশলে বড় ধরনের ফাটল ধরল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
ঘটনার সূত্রপাত গত ফেব্রুয়ারিতে, যখন ট্রাম্প প্রশাসন ট্রেড অ্যাক্টের 'সেকশন ১২২' ব্যবহার করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চলের ওপর এই ঢালাও শুল্ক চাপিয়ে দেয়। তবে আদালতের পর্যবেক্ষণ বলছে, প্রেসিডেন্ট এই ধারা ব্যবহারের ক্ষেত্রে যে ধরণের আইনি বাধ্যবাধকতা বা শর্ত পূরণ করা দরকার ছিল, তা করতে ব্যর্থ হয়েছেন। সহজ কথায়, ক্ষমতার প্রয়োগটি সঠিক পথে হয়নি।
এর আগেও অবশ্য ট্রাম্পের ব্যাপক শুল্ক নীতি সুপ্রিম কোর্টের বাধার মুখে পড়েছিল। তখন আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইন (আইইইপিএ) ব্যবহারের অপচেষ্টাকে আদালত সরাসরি নাকচ করে দিয়ে বলেছিলেন, এটি প্রেসিডেন্টের এখতিয়ারের বাইরে। সেই ধাক্কা সামলাতে বিকল্প হিসেবে সেকশন ১২২-এর আশ্রয় নিয়েছিলেন ট্রাম্প। এই ধারা অনুযায়ী, গুরুতর বাণিজ্য ঘাটতি সামলাতে একজন প্রেসিডেন্ট সর্বোচ্চ ১৫০ দিনের জন্য ১৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক বসাতে পারেন। কিন্তু মামলার বাদীরা যুক্তি দেখিয়েছেন যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে এই ধারা প্রয়োগের মতো কোনো জরুরি অবস্থা তৈরি হয়নি।
আদালতের এই নতুন রায়ে ট্রাম্প প্রশাসনের বাণিজ্য যুদ্ধ কিছুটা হলেও থমকে গেল। এখন দেখার বিষয় হলো, হোয়াইট হাউস কি চুপচাপ এই রায় মেনে নেবে নাকি নতুন কোনো আইনি পথে আপিলের প্রস্তুতি শুরু করবে। বাণিজ্য মহলে এখন এটাই সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয়।
