লোকাল ফোকাস
খাগড়াছড়ির সাংবাদিকতা জগতের পরিচিত মুখ এবং জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি জীতেন কুমার বড়ুয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে জেলা শহরের ব্যস্ততম এলাকা শাপলা চত্বর থেকে তাঁকে আটক করা হয়। জীতেন বড়ুয়া দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) এবং সময় টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশি সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে তাঁর বিরুদ্ধে জেলার চারটি ভিন্ন থানায় মোট পাঁচটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে গত ৪ আগস্ট আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার ওপর হামলার অভিযোগে একটি মামলা রয়েছে। বাকি চারটি মামলা মূলত আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট। মামলাগুলোর মধ্যে দুটি খাগড়াছড়ি সদর থানায় এবং বাকি তিনটি যথাক্রমে দীঘিনালা, মাটিরাঙা ও পানছড়ি থানায় নথিবদ্ধ রয়েছে।
খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কিসলু বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, মামলা হওয়ার পর থেকেই জীতেন বড়ুয়া আত্মগোপনে ছিলেন। গতকাল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওসি আরও জানান, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি পালানোর চেষ্টা করেছিলেন, তবে শেষ রক্ষা হয়নি। আজ শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, তিনি পুলিশি হেফাজতেই রয়েছেন।
৫ আগস্ট পটপরিবর্তনের পর থেকে খাগড়াছড়ির স্থানীয় রাজনীতি ও প্রশাসনে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, সাংবাদিক জীতেন বড়ুয়ার এই গ্রেপ্তার সেই প্রেক্ষাপটেই দেখা হচ্ছে। রাজনৈতিক মামলাগুলোতে তাঁর নাম আসায় স্থানীয় সংবাদকর্মী মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত তাঁকে আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছিল।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
খাগড়াছড়ির সাংবাদিকতা জগতের পরিচিত মুখ এবং জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি জীতেন কুমার বড়ুয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে জেলা শহরের ব্যস্ততম এলাকা শাপলা চত্বর থেকে তাঁকে আটক করা হয়। জীতেন বড়ুয়া দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) এবং সময় টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশি সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে তাঁর বিরুদ্ধে জেলার চারটি ভিন্ন থানায় মোট পাঁচটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে গত ৪ আগস্ট আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার ওপর হামলার অভিযোগে একটি মামলা রয়েছে। বাকি চারটি মামলা মূলত আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট। মামলাগুলোর মধ্যে দুটি খাগড়াছড়ি সদর থানায় এবং বাকি তিনটি যথাক্রমে দীঘিনালা, মাটিরাঙা ও পানছড়ি থানায় নথিবদ্ধ রয়েছে।
খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কিসলু বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, মামলা হওয়ার পর থেকেই জীতেন বড়ুয়া আত্মগোপনে ছিলেন। গতকাল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওসি আরও জানান, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি পালানোর চেষ্টা করেছিলেন, তবে শেষ রক্ষা হয়নি। আজ শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, তিনি পুলিশি হেফাজতেই রয়েছেন।
৫ আগস্ট পটপরিবর্তনের পর থেকে খাগড়াছড়ির স্থানীয় রাজনীতি ও প্রশাসনে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, সাংবাদিক জীতেন বড়ুয়ার এই গ্রেপ্তার সেই প্রেক্ষাপটেই দেখা হচ্ছে। রাজনৈতিক মামলাগুলোতে তাঁর নাম আসায় স্থানীয় সংবাদকর্মী মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত তাঁকে আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছিল।
