রাজনীতি
জুলাই সনদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, যদি অন্য কোনো রাজনৈতিক দল এ দাবি থেকে সরে আসে, তবে তার দল এককভাবেই জনগণের দ্বারে দ্বারে গিয়ে এই দাবি আদায় করবে।
শুক্রবার জুমার নামাজের পর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের পূর্ব প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক নাগরিক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের পল্টন জোন শাখার উদ্যোগে এই সমাবেশ থেকে তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির বিরুদ্ধেও তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়।
সমাবেশে জুলাই সনদের প্রসঙ্গ টেনে মামুনুল হক এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেন। তিনি দাবি করেন, জুলাই সনদে স্বাক্ষরের ঠিক আগমুহূর্তে বিএনপি ও অন্তর্বর্তী সরকারের একটি অংশ রাজনৈতিক কৌশলে বড় ধরনের প্রতারণা করেছে। তার ভাষ্যমতে, জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সব দল যখন চুক্তিতে স্বাক্ষরের জন্য জমায়েত হয়েছিল, তখন সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে সনদে একটি নতুন ধারা যুক্ত করা হয়। সেই ধারায় বলা হয়েছে—নির্বাচনে জয়ী দল চাইলে তাদের নিজস্ব ইশতেহারে জুলাই সনদের শর্তগুলো নিয়ে ভিন্নমত পোষণ করতে পারবে। মামুনুল হকের দাবি, এই বিষয়টি জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো জানত না।
জুলাই সনদের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, এই সনদ বাস্তবায়ন করা না গেলে দেশে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার পথ প্রশস্ত হবে। রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তার দল যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দেশের স্বাধীনতা ও জনগণের অধিকার রক্ষায় কোনো ধরনের আধিপত্যবাদকে আমরা মাথা পেতে নেব না।’
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহকারী সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সালেহ উদ্দীন কাজীর সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুর রহমান, মাওলানা ফয়সাল আহমদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ছানাউল্লাহ আমিনী ও মাওলানা মুহাম্মাদ রাকীবুল ইসলাম। সমাবেশটি সঞ্চালনা করেন যুবনেতা মাহদি হাসান সিকদার।
বিষয় : জুলাই সনদ মামুনুল হক গণভোটের রায়
2.png)
শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬
জুলাই সনদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, যদি অন্য কোনো রাজনৈতিক দল এ দাবি থেকে সরে আসে, তবে তার দল এককভাবেই জনগণের দ্বারে দ্বারে গিয়ে এই দাবি আদায় করবে।
শুক্রবার জুমার নামাজের পর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের পূর্ব প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক নাগরিক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের পল্টন জোন শাখার উদ্যোগে এই সমাবেশ থেকে তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির বিরুদ্ধেও তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়।
সমাবেশে জুলাই সনদের প্রসঙ্গ টেনে মামুনুল হক এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেন। তিনি দাবি করেন, জুলাই সনদে স্বাক্ষরের ঠিক আগমুহূর্তে বিএনপি ও অন্তর্বর্তী সরকারের একটি অংশ রাজনৈতিক কৌশলে বড় ধরনের প্রতারণা করেছে। তার ভাষ্যমতে, জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সব দল যখন চুক্তিতে স্বাক্ষরের জন্য জমায়েত হয়েছিল, তখন সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে সনদে একটি নতুন ধারা যুক্ত করা হয়। সেই ধারায় বলা হয়েছে—নির্বাচনে জয়ী দল চাইলে তাদের নিজস্ব ইশতেহারে জুলাই সনদের শর্তগুলো নিয়ে ভিন্নমত পোষণ করতে পারবে। মামুনুল হকের দাবি, এই বিষয়টি জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো জানত না।
জুলাই সনদের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, এই সনদ বাস্তবায়ন করা না গেলে দেশে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার পথ প্রশস্ত হবে। রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তার দল যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দেশের স্বাধীনতা ও জনগণের অধিকার রক্ষায় কোনো ধরনের আধিপত্যবাদকে আমরা মাথা পেতে নেব না।’
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহকারী সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সালেহ উদ্দীন কাজীর সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুর রহমান, মাওলানা ফয়সাল আহমদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ছানাউল্লাহ আমিনী ও মাওলানা মুহাম্মাদ রাকীবুল ইসলাম। সমাবেশটি সঞ্চালনা করেন যুবনেতা মাহদি হাসান সিকদার।
2.png)