জাতীয়
অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা–২০২৬ এবং ওষুধের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি–২০২৬ বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে নতুন করে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা হালনাগাদ এবং আইন অনুযায়ী ওষুধের মূল্য নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রিসভা।
সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিরাপদ, কার্যকর, মানসম্মত এবং সাশ্রয়ী মূল্যে জনগণের জন্য ওষুধ নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার। তবে ওষুধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩ অনুযায়ী অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা প্রণয়নের আগে জাতীয় ওষুধ উপদেষ্টা পরিষদের মতামত নেওয়া বাধ্যতামূলক হলেও ২০২৬ সালের তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে সেই বিধান অনুসরণ করা হয়নি। এ কারণেই তালিকা ও মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা এবং ওষুধের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি জাতীয় ওষুধ উপদেষ্টা পরিষদের পরামর্শ ছাড়াই প্রণয়ন করা হয়েছিল। পরে এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়, যা বর্তমানে বিচারাধীন।
এদিকে, গত ২৯ জুন ওষুধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩ অনুযায়ী জাতীয় ওষুধ উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়েছে। মন্ত্রিসভা ওই পরিষদে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবও অনুমোদন করেছে।
যদিও ২০২৬ সালের তালিকা ও মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি বাতিল করা হয়েছে, তবুও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ১৯৯৪ সালের আদেশ অনুযায়ী প্রণীত অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি মূল্যব্যবস্থা আগের মতো কার্যকর থাকবে।
সরকার জানিয়েছে, নতুন তালিকা প্রণয়নের পাশাপাশি ওষুধের দাম এমনভাবে নির্ধারণ করা হবে যাতে সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ না পড়ে এবং বাজারে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ বজায় থাকে।
মন্ত্রিসভার এ সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতির সাবেক মহাসচিব জাকির হোসেন। তিনি বলেন, প্রায় দুই বছর ধরে ওষুধ শিল্পে এক ধরনের স্থবিরতা ছিল। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে সেই অচলাবস্থা কাটবে, বাজারে স্বাভাবিকতা ফিরবে এবং দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা নিরসনের পথও সহজ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
2.png)
সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা–২০২৬ এবং ওষুধের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি–২০২৬ বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে নতুন করে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা হালনাগাদ এবং আইন অনুযায়ী ওষুধের মূল্য নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রিসভা।
সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিরাপদ, কার্যকর, মানসম্মত এবং সাশ্রয়ী মূল্যে জনগণের জন্য ওষুধ নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার। তবে ওষুধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩ অনুযায়ী অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা প্রণয়নের আগে জাতীয় ওষুধ উপদেষ্টা পরিষদের মতামত নেওয়া বাধ্যতামূলক হলেও ২০২৬ সালের তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে সেই বিধান অনুসরণ করা হয়নি। এ কারণেই তালিকা ও মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা এবং ওষুধের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি জাতীয় ওষুধ উপদেষ্টা পরিষদের পরামর্শ ছাড়াই প্রণয়ন করা হয়েছিল। পরে এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়, যা বর্তমানে বিচারাধীন।
এদিকে, গত ২৯ জুন ওষুধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩ অনুযায়ী জাতীয় ওষুধ উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়েছে। মন্ত্রিসভা ওই পরিষদে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবও অনুমোদন করেছে।
যদিও ২০২৬ সালের তালিকা ও মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি বাতিল করা হয়েছে, তবুও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ১৯৯৪ সালের আদেশ অনুযায়ী প্রণীত অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি মূল্যব্যবস্থা আগের মতো কার্যকর থাকবে।
সরকার জানিয়েছে, নতুন তালিকা প্রণয়নের পাশাপাশি ওষুধের দাম এমনভাবে নির্ধারণ করা হবে যাতে সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ না পড়ে এবং বাজারে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ বজায় থাকে।
মন্ত্রিসভার এ সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতির সাবেক মহাসচিব জাকির হোসেন। তিনি বলেন, প্রায় দুই বছর ধরে ওষুধ শিল্পে এক ধরনের স্থবিরতা ছিল। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে সেই অচলাবস্থা কাটবে, বাজারে স্বাভাবিকতা ফিরবে এবং দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা নিরসনের পথও সহজ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
2.png)