খেলা
২০২৬ বিশ্বকাপে অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনায় উঠে আসা কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনিয়া অবশেষে চিলির ঐতিহ্যবাহী ক্লাব কোলো কোলো তে যোগ দিয়েছেন। তার আগমন উপলক্ষে চিলির সান্তিয়াগোর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিণত হয় উৎসবের মঞ্চে। হাজারো সমর্থক পতাকা, ব্যানার ও ঢোল নিয়ে উপস্থিত হয়ে উচ্ছ্বাসে বরণ করে নেন অভিজ্ঞ এই গোলরক্ষককে।
দীর্ঘ অপেক্ষা ও কয়েক দফা বিলম্বের পর রোববার সান্তিয়াগো পৌঁছান ৪০ বছর বয়সী এই তারকা। বিমান থেকে নেমেই সমর্থকদের ভালোবাসায় আপ্লুত হয়ে তিনি বলেন, এখানে আসতে পেরে তিনি দারুণ আনন্দিত। এতদিন ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করার জন্য সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে শিগগিরই মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে তাদের সঙ্গে দেখা হবে বলেও জানান তিনি।
বিশ্বকাপের নৈপুণ্যের সুবাদে ভোজিনিয়ার জনপ্রিয়তা এখন চিলির সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পৌঁছেছে। তাই বিমানবন্দরে তাকে ঘিরে যে আবেগের সৃষ্টি হয়, তা সাধারণ কোনো নতুন খেলোয়াড়ের আগমনের চেয়ে অনেক বেশি ছিল। তার আগমনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং সমর্থকদের উচ্ছ্বাসও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
গত ২৪ জুলাই কোলো কোলো আনুষ্ঠানিকভাবে জোসিমার এভোরা দিয়াসকে দলে ভেড়ানোর ঘোষণা দেয়। যদিও ফুটবল বিশ্বে তিনি ভোজিনিয়া নামেই বেশি পরিচিত। কিন্তু কাগজপত্র সংক্রান্ত জটিলতা ও ব্যক্তিগত কিছু কারণে তার চিলি যাত্রা তিনবার পিছিয়ে যায়। এতে ক্লাব সমর্থকদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত সেই অপেক্ষার অবসান হয় রোববার রাতে। স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৩৫ মিনিটে সান্তিয়াগোতে পৌঁছে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন অধ্যায় শুরু করেন।
এখন মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন করার পর কোলো কোলোর সঙ্গে প্রাথমিকভাবে ছয় মাসের চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন ভোজিনিয়া। চুক্তিতে আরও এক বছর মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ রাখা হয়েছে। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে মঙ্গলবার থেকে নতুন সতীর্থদের সঙ্গে অনুশীলনে যোগ দেবেন তিনি। এরপর ক্লাবের পক্ষ থেকে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থকদের সামনে উপস্থাপন করা হবে।
বিশ্বকাপে ভোজিনিয়ার পারফরম্যান্সই তাকে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম আলোচিত মুখে পরিণত করেছে। ৪০ বছর বয়সে তিনি বিশ্বকাপের ম্যাচে অংশ নেওয়া সবচেয়ে বয়স্ক ফুটবলার হিসেবে ইতিহাস গড়েন। স্পেন, উরুগুয়ে ও আর্জেন্টিনার বিপক্ষে একের পর এক দুর্দান্ত সেভ করে তিনি নজর কেড়েছিলেন। বিশেষ করে পরবর্তী চ্যাম্পিয়ন স্পেনের বিপক্ষে তার অনবদ্য গোলরক্ষণের কারণে প্রতিপক্ষ কোনো গোলের দেখা পায়নি।
বিশ্বকাপে তার উত্থানের প্রভাব পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে ইনস্টাগ্রামে তার অনুসারীর সংখ্যা ছিল ৫০ হাজারেরও কম। কিন্তু বিশ্বকাপ শেষ হতে না হতেই সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২ কোটি ৯৫ লাখের বেশি, যা তার বৈশ্বিক জনপ্রিয়তারই প্রতিফলন।
2.png)
সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
২০২৬ বিশ্বকাপে অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনায় উঠে আসা কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনিয়া অবশেষে চিলির ঐতিহ্যবাহী ক্লাব কোলো কোলো তে যোগ দিয়েছেন। তার আগমন উপলক্ষে চিলির সান্তিয়াগোর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিণত হয় উৎসবের মঞ্চে। হাজারো সমর্থক পতাকা, ব্যানার ও ঢোল নিয়ে উপস্থিত হয়ে উচ্ছ্বাসে বরণ করে নেন অভিজ্ঞ এই গোলরক্ষককে।
দীর্ঘ অপেক্ষা ও কয়েক দফা বিলম্বের পর রোববার সান্তিয়াগো পৌঁছান ৪০ বছর বয়সী এই তারকা। বিমান থেকে নেমেই সমর্থকদের ভালোবাসায় আপ্লুত হয়ে তিনি বলেন, এখানে আসতে পেরে তিনি দারুণ আনন্দিত। এতদিন ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করার জন্য সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে শিগগিরই মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে তাদের সঙ্গে দেখা হবে বলেও জানান তিনি।
বিশ্বকাপের নৈপুণ্যের সুবাদে ভোজিনিয়ার জনপ্রিয়তা এখন চিলির সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পৌঁছেছে। তাই বিমানবন্দরে তাকে ঘিরে যে আবেগের সৃষ্টি হয়, তা সাধারণ কোনো নতুন খেলোয়াড়ের আগমনের চেয়ে অনেক বেশি ছিল। তার আগমনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং সমর্থকদের উচ্ছ্বাসও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
গত ২৪ জুলাই কোলো কোলো আনুষ্ঠানিকভাবে জোসিমার এভোরা দিয়াসকে দলে ভেড়ানোর ঘোষণা দেয়। যদিও ফুটবল বিশ্বে তিনি ভোজিনিয়া নামেই বেশি পরিচিত। কিন্তু কাগজপত্র সংক্রান্ত জটিলতা ও ব্যক্তিগত কিছু কারণে তার চিলি যাত্রা তিনবার পিছিয়ে যায়। এতে ক্লাব সমর্থকদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত সেই অপেক্ষার অবসান হয় রোববার রাতে। স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৩৫ মিনিটে সান্তিয়াগোতে পৌঁছে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন অধ্যায় শুরু করেন।
এখন মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন করার পর কোলো কোলোর সঙ্গে প্রাথমিকভাবে ছয় মাসের চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন ভোজিনিয়া। চুক্তিতে আরও এক বছর মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ রাখা হয়েছে। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে মঙ্গলবার থেকে নতুন সতীর্থদের সঙ্গে অনুশীলনে যোগ দেবেন তিনি। এরপর ক্লাবের পক্ষ থেকে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থকদের সামনে উপস্থাপন করা হবে।
বিশ্বকাপে ভোজিনিয়ার পারফরম্যান্সই তাকে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম আলোচিত মুখে পরিণত করেছে। ৪০ বছর বয়সে তিনি বিশ্বকাপের ম্যাচে অংশ নেওয়া সবচেয়ে বয়স্ক ফুটবলার হিসেবে ইতিহাস গড়েন। স্পেন, উরুগুয়ে ও আর্জেন্টিনার বিপক্ষে একের পর এক দুর্দান্ত সেভ করে তিনি নজর কেড়েছিলেন। বিশেষ করে পরবর্তী চ্যাম্পিয়ন স্পেনের বিপক্ষে তার অনবদ্য গোলরক্ষণের কারণে প্রতিপক্ষ কোনো গোলের দেখা পায়নি।
বিশ্বকাপে তার উত্থানের প্রভাব পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে ইনস্টাগ্রামে তার অনুসারীর সংখ্যা ছিল ৫০ হাজারেরও কম। কিন্তু বিশ্বকাপ শেষ হতে না হতেই সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২ কোটি ৯৫ লাখের বেশি, যা তার বৈশ্বিক জনপ্রিয়তারই প্রতিফলন।
2.png)