বানিজ্য
বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) এই ঋণ ও অনুদান চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সরকারের পক্ষে ইআরডি সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে সংস্থার ঢাকা কার্যালয়ের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যাঁ পেসমে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তির আওতায় মোট অর্থের মধ্যে প্রায় ৩৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আসবে ঋণ হিসেবে এবং অবশিষ্ট ২৫ মিলিয়ন ডলার আসবে 'গ্লোবাল ফাইন্যান্সিং ফ্যাসিলিটি' থেকে অনুদান হিসেবে।
প্রকল্প দুটির মূল লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেবার মানোন্নয়ন এবং জলবায়ু সহনশীল প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত প্রথম প্রকল্পটি মূলত চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগসহ সারা দেশের স্বাস্থ্য অবকাঠামো ও পুষ্টি সেবার সহজলভ্যতা বাড়াতে কাজ করবে। অন্যদিকে, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর দ্বিতীয় প্রকল্পটির মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর প্রজনন স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করবে। আগামী ১ জুলাই থেকে শুরু হয়ে প্রকল্পগুলোর মেয়াদ ২০২৯ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বহাল থাকবে।
ঋণের শর্তাবলী বেশ নমনীয় রাখা হয়েছে বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়। ৩০ বছর মেয়াদী এই ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে পাঁচ বছরের গ্রেস পিরিয়ড সুবিধা পাওয়া যাবে। বার্ষিক ১.২৫ শতাংশ সুদের পাশাপাশি শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে সার্ভিস চার্জ পরিশোধ করতে হবে। চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ কমিটমেন্ট ফি এবারের জন্য মওকুফ করেছে বিশ্বব্যাংক। স্বাস্থ্য খাতের এই বিপুল বিনিয়োগ দেশের প্রান্তিক পর্যায়ে চিকিৎসা সেবার মান বদলে দিতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বিষয় : বাংলাদেশ বানিজ্য চুক্তি বিশ্বব্যাংক
2.png)
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) এই ঋণ ও অনুদান চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সরকারের পক্ষে ইআরডি সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে সংস্থার ঢাকা কার্যালয়ের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যাঁ পেসমে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তির আওতায় মোট অর্থের মধ্যে প্রায় ৩৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আসবে ঋণ হিসেবে এবং অবশিষ্ট ২৫ মিলিয়ন ডলার আসবে 'গ্লোবাল ফাইন্যান্সিং ফ্যাসিলিটি' থেকে অনুদান হিসেবে।
প্রকল্প দুটির মূল লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেবার মানোন্নয়ন এবং জলবায়ু সহনশীল প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত প্রথম প্রকল্পটি মূলত চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগসহ সারা দেশের স্বাস্থ্য অবকাঠামো ও পুষ্টি সেবার সহজলভ্যতা বাড়াতে কাজ করবে। অন্যদিকে, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর দ্বিতীয় প্রকল্পটির মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর প্রজনন স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করবে। আগামী ১ জুলাই থেকে শুরু হয়ে প্রকল্পগুলোর মেয়াদ ২০২৯ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বহাল থাকবে।
ঋণের শর্তাবলী বেশ নমনীয় রাখা হয়েছে বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়। ৩০ বছর মেয়াদী এই ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে পাঁচ বছরের গ্রেস পিরিয়ড সুবিধা পাওয়া যাবে। বার্ষিক ১.২৫ শতাংশ সুদের পাশাপাশি শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে সার্ভিস চার্জ পরিশোধ করতে হবে। চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ কমিটমেন্ট ফি এবারের জন্য মওকুফ করেছে বিশ্বব্যাংক। স্বাস্থ্য খাতের এই বিপুল বিনিয়োগ দেশের প্রান্তিক পর্যায়ে চিকিৎসা সেবার মান বদলে দিতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
2.png)