খেলা
শের-ই-বাংলার চেনা আঙিনায় সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত এক সূচনা পেল বাংলাদেশ। বল হাতে নাহিদ রানার গতির ঝড় আর ব্যাট হাতে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের বীরত্বগাথা—এই দুইয়ের মিশেলে ৮৬ রানের বড় জয় তুলে নিল মিরাজ বাহিনী। প্রকৃতি শেষদিকে বাগড়া দিলেও, ডিএলএস মেথডে জয় নিশ্চিত করতে বাংলাদেশীদের কোনো বেগ পেতে হয়নি।
দীর্ঘ চার বছর পর ওয়ানডে দলে ফিরে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত যেন নিজেকে নতুন করে চিনিয়েছেন। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই সাইফ হাসানের উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ যখন কিছুটা চাপে, তখন দলের হাল ধরেন তানজিদ তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত। তানজিদ ৪৪ বলে ৫৪ রানের এক ঝোড়ো ইনিংস খেলে রানের গতি সচল রাখেন, আর শান্তর ৮৬ বলে ৬৭ রানের ইনিংসটি ছিল বেশ পরিপক্ক। তবে ম্যাচের আসল মোড় ঘুরিয়ে দেন লোয়ার অর্ডারে নামা মোসাদ্দেক। মাত্র ৭০ বলে অপরাজিত ৮৬ রানের এক দায়িত্বশীল ইনিংসে ভর করেই বাংলাদেশ ২৮৪ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি সংগ্রহ করে।
জবাব দিতে নেমে অজি ব্যাটাররা শুরু থেকেই নাহিদ রানার তোপের মুখে পড়েন। তার আগুনের গোলার মতো ডেলিভারিগুলো সামলাতে গিয়েই দিশেহারা হয়ে পড়ে সফরকারীরা। নাহিদ একে একে ৪ উইকেট তুলে নিয়ে অজিদের ব্যাটিং মেরুদণ্ড গুঁড়িয়ে দেন। তাকে দারুণ সঙ্গ দেন মোস্তাফিজুর রহমান ও মোসাদ্দেক; দুজনেই নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত অজিরা ১৮০ রান তুলতেই ৮ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল। ফলে ডিএলএস পদ্ধতিতে বিশাল ব্যবধানের এই জয় মিরাজদের সিরিজের শুরুতেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দিল।
নাথান এলিসের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে বাংলাদেশ শুরুতে কিছুটা ধীরস্থির থাকলেও, দিনশেষে মোসাদ্দেকের ব্যাটিং আর নাহিদের বোলিং দাপটেই স্বাগতিকদের মুখে চওড়া হাসি ফুটেছে। সিরিজের বাকি ম্যাচগুলোতেও এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একটি স্মরণীয় সিরিজ জয়ের স্বপ্ন দেখছে ভক্ত-সমর্থকরা।
2.png)
মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
শের-ই-বাংলার চেনা আঙিনায় সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত এক সূচনা পেল বাংলাদেশ। বল হাতে নাহিদ রানার গতির ঝড় আর ব্যাট হাতে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের বীরত্বগাথা—এই দুইয়ের মিশেলে ৮৬ রানের বড় জয় তুলে নিল মিরাজ বাহিনী। প্রকৃতি শেষদিকে বাগড়া দিলেও, ডিএলএস মেথডে জয় নিশ্চিত করতে বাংলাদেশীদের কোনো বেগ পেতে হয়নি।
দীর্ঘ চার বছর পর ওয়ানডে দলে ফিরে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত যেন নিজেকে নতুন করে চিনিয়েছেন। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই সাইফ হাসানের উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ যখন কিছুটা চাপে, তখন দলের হাল ধরেন তানজিদ তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত। তানজিদ ৪৪ বলে ৫৪ রানের এক ঝোড়ো ইনিংস খেলে রানের গতি সচল রাখেন, আর শান্তর ৮৬ বলে ৬৭ রানের ইনিংসটি ছিল বেশ পরিপক্ক। তবে ম্যাচের আসল মোড় ঘুরিয়ে দেন লোয়ার অর্ডারে নামা মোসাদ্দেক। মাত্র ৭০ বলে অপরাজিত ৮৬ রানের এক দায়িত্বশীল ইনিংসে ভর করেই বাংলাদেশ ২৮৪ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি সংগ্রহ করে।
জবাব দিতে নেমে অজি ব্যাটাররা শুরু থেকেই নাহিদ রানার তোপের মুখে পড়েন। তার আগুনের গোলার মতো ডেলিভারিগুলো সামলাতে গিয়েই দিশেহারা হয়ে পড়ে সফরকারীরা। নাহিদ একে একে ৪ উইকেট তুলে নিয়ে অজিদের ব্যাটিং মেরুদণ্ড গুঁড়িয়ে দেন। তাকে দারুণ সঙ্গ দেন মোস্তাফিজুর রহমান ও মোসাদ্দেক; দুজনেই নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত অজিরা ১৮০ রান তুলতেই ৮ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল। ফলে ডিএলএস পদ্ধতিতে বিশাল ব্যবধানের এই জয় মিরাজদের সিরিজের শুরুতেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দিল।
নাথান এলিসের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে বাংলাদেশ শুরুতে কিছুটা ধীরস্থির থাকলেও, দিনশেষে মোসাদ্দেকের ব্যাটিং আর নাহিদের বোলিং দাপটেই স্বাগতিকদের মুখে চওড়া হাসি ফুটেছে। সিরিজের বাকি ম্যাচগুলোতেও এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একটি স্মরণীয় সিরিজ জয়ের স্বপ্ন দেখছে ভক্ত-সমর্থকরা।
2.png)