জাতীয়
বাংলার রাজনীতির ইতিহাসে তোফায়েল আহমেদ এক অবিস্মরণীয় নাম। ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদরের দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্ম নেওয়া এই নেতা ছাত্ররাজনীতি থেকেই ছিলেন পাদপ্রদীপে। ষাটের দশকের উত্তাল সময়ে তুখোড় ছাত্রনেতা হিসেবে তার উত্থান। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে তার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও অংশগ্রহণ তৎকালীন রাজনীতিতে নতুন মোড় দিয়েছিল, যা তাকে দেশজুড়ে এক পরিচিত মুখ ও আস্থার প্রতীকে পরিণত করেছিল।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বহুবার দায়িত্ব পালন করেছেন, থেকেছেন ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে। তবে শেষ কয়েক বছর বার্ধক্যের ভারে তার রাজনীতির মাঠের সরব উপস্থিতি কমে গিয়েছিল। মৃত্যুর আগে তিনি রেখে গেছেন তার মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ী। তার চলে যাওয়ায় দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন মহলের পক্ষ থেকে তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে।
বিষয় : তোফায়েল আহমেদ মৃত্যু
2.png)
সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬
বাংলার রাজনীতির ইতিহাসে তোফায়েল আহমেদ এক অবিস্মরণীয় নাম। ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদরের দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্ম নেওয়া এই নেতা ছাত্ররাজনীতি থেকেই ছিলেন পাদপ্রদীপে। ষাটের দশকের উত্তাল সময়ে তুখোড় ছাত্রনেতা হিসেবে তার উত্থান। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে তার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও অংশগ্রহণ তৎকালীন রাজনীতিতে নতুন মোড় দিয়েছিল, যা তাকে দেশজুড়ে এক পরিচিত মুখ ও আস্থার প্রতীকে পরিণত করেছিল।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বহুবার দায়িত্ব পালন করেছেন, থেকেছেন ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে। তবে শেষ কয়েক বছর বার্ধক্যের ভারে তার রাজনীতির মাঠের সরব উপস্থিতি কমে গিয়েছিল। মৃত্যুর আগে তিনি রেখে গেছেন তার মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ী। তার চলে যাওয়ায় দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন মহলের পক্ষ থেকে তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে।
2.png)