ইতিহাস ও ঐতিহ্য ইতিহাস ও ঐতিহ্য

ফরিদপুরের নামের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা পার-ফরিদপুরের হযরত শেখ শাহ ফরিদ রঃ এর মসজিদ ও মাজার

প্রায় ৮০০ বছরের পুরোনো বলে কথিত পার-ফরিদপুরের ছোট্ট এই মসজিদ ও মাজার ঘিরে রয়েছে নানা লোককথা। চট্টগ্রামের চশমা পাহাড়ের সঙ্গেও স্থানীয়ভাবে শেখ শাহ ফরিদের নাম জড়িয়ে আছে।

ফরিদপুরের নামের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা পার-ফরিদপুরের হযরত শেখ শাহ ফরিদ রঃ এর মসজিদ ও মাজার
কাল মহাকাল

এখনো টিকে আছে, সেটা হলো পার-ফরিদপুরের হযরত শেখ শাহ ফরিদ (রঃ) এর মসজিদ ও মাজার। এই শেখ শাহ ফরিদ (রঃ) এর নাম থেকেই ফরিদপুর উপজেলার নাম হয়েছে 'ফরিদপুর'!

কথিত আছে, তিনি কুমিরের পিঠে চড়ে এই এলাকাতে এসেছিলেন। আনুমানিক ১২০০ খ্রিষ্টাব্দে এই ছোট্ট মসজিদটি নির্মান করা হয়। শেখ শাহ ফরিদ (রঃ) ইসলাম ধর্ম প্রচারের জন্য এসেছিলেন। নামাজ আদায়ের জন্য এখানে ছোট্ট মসজিদটি নির্মান করা হয়। পরবর্তীতে তিনি মারা গেলে পাশেই তাঁকে সমাহিত করা হয়। মসজিদ আর মাজার একই সাথে। বাংলাদেশের কয়েকজন বড় পীর বা ধর্মযাজকের মধ্যে তিনি অন্যতম।

আরও একটি চমকপ্রদ তথ্য আছে! কথিত আরও আছে, তিনি একটি পাথরের উপরে দাড়িয়ে একটানা কয়েক বছর ধ্যানে মগ্ন ছিলেন। এবং সেই পাথর থেকে পরবর্তীতে ঝর্নার মত পানি উঠতে থাকে। ফার্সি ভাষাতে 'চশমা' মানে হল ঝর্ণা, সেই নামেই চট্টগ্রামের ষোলশহর ২নং গেটে 'চশমা পাহাড়' (চশমা হিল) আছে যেখানে এখনো ঝর্ণার পানি বের হয়। এবং প্রতিদিন শত শত দর্শনার্থীরা সেখানে শেখ শাহ ফরিদ (রঃ) চশমা বা ঝর্ণা দেখতে যান। আমরা অনেকই জানিই না, চট্টগ্রামে শেখ শাহ ফরিদ (রঃ) অনেক বড় একটি নাম। যেদিন প্রথম জেনেছিলাম এই শেখ শাহ ফরিদ (রঃ) মসজিদ ও মাজারই পার-ফরিদপুরে, সেদিন খুব ভালো লেগেছিলো।

তাই সুযোগ হলে আপনারা  পার-ফরিদপুরের এই মসজিদ ও মাজারটা দেখে আসবেন। তাহলে ইতিহাসের সাক্ষী হতে পারবেন, আর কখনো চিটাগং যাওয়া হলে চশমা পাহাড়টা দেখে আসবেন। আপনাদের সবার অনেক ভালো লাগবে।

বিষয় : পার-ফরিদপুরের হযরত শেখ শাহ ফরিদ রঃ মসজিদ ও মাজার

কাল মহাকাল

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬


ফরিদপুরের নামের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা পার-ফরিদপুরের হযরত শেখ শাহ ফরিদ রঃ এর মসজিদ ও মাজার

প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

এখনো টিকে আছে, সেটা হলো পার-ফরিদপুরের হযরত শেখ শাহ ফরিদ (রঃ) এর মসজিদ ও মাজার। এই শেখ শাহ ফরিদ (রঃ) এর নাম থেকেই ফরিদপুর উপজেলার নাম হয়েছে 'ফরিদপুর'!

কথিত আছে, তিনি কুমিরের পিঠে চড়ে এই এলাকাতে এসেছিলেন। আনুমানিক ১২০০ খ্রিষ্টাব্দে এই ছোট্ট মসজিদটি নির্মান করা হয়। শেখ শাহ ফরিদ (রঃ) ইসলাম ধর্ম প্রচারের জন্য এসেছিলেন। নামাজ আদায়ের জন্য এখানে ছোট্ট মসজিদটি নির্মান করা হয়। পরবর্তীতে তিনি মারা গেলে পাশেই তাঁকে সমাহিত করা হয়। মসজিদ আর মাজার একই সাথে। বাংলাদেশের কয়েকজন বড় পীর বা ধর্মযাজকের মধ্যে তিনি অন্যতম।

আরও একটি চমকপ্রদ তথ্য আছে! কথিত আরও আছে, তিনি একটি পাথরের উপরে দাড়িয়ে একটানা কয়েক বছর ধ্যানে মগ্ন ছিলেন। এবং সেই পাথর থেকে পরবর্তীতে ঝর্নার মত পানি উঠতে থাকে। ফার্সি ভাষাতে 'চশমা' মানে হল ঝর্ণা, সেই নামেই চট্টগ্রামের ষোলশহর ২নং গেটে 'চশমা পাহাড়' (চশমা হিল) আছে যেখানে এখনো ঝর্ণার পানি বের হয়। এবং প্রতিদিন শত শত দর্শনার্থীরা সেখানে শেখ শাহ ফরিদ (রঃ) চশমা বা ঝর্ণা দেখতে যান। আমরা অনেকই জানিই না, চট্টগ্রামে শেখ শাহ ফরিদ (রঃ) অনেক বড় একটি নাম। যেদিন প্রথম জেনেছিলাম এই শেখ শাহ ফরিদ (রঃ) মসজিদ ও মাজারই পার-ফরিদপুরে, সেদিন খুব ভালো লেগেছিলো।

তাই সুযোগ হলে আপনারা  পার-ফরিদপুরের এই মসজিদ ও মাজারটা দেখে আসবেন। তাহলে ইতিহাসের সাক্ষী হতে পারবেন, আর কখনো চিটাগং যাওয়া হলে চশমা পাহাড়টা দেখে আসবেন। আপনাদের সবার অনেক ভালো লাগবে।


কাল মহাকাল

সম্পাদকঃ  ফখরুল ইসলাম রাজীব 

কপিরাইট © ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত