লোকাল ফোকাস
গত বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে আশাশুনি উপজেলা মডেল মসজিদ মিলনায়তনে ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও) এই চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করে। ইএসডিও-এর প্রকল্প পরিচালক শামসুল হক মৃধার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম আহমেদ খান, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক হেদায়েতুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের আমীর আবু মুসা তারিকুজ্জামান তুষার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আমিরুল ইসলাম, আশাশুনি সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. নজরুল ইসলাম, আশাশুনি সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আজহারুল ইসলাম মুকুলসহ স্থানীয় বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও শ্যামানন্দ কুন্ডু বলেন, "উপকূলে যে হারে উষ্ণায়ন ও লবণাক্ততা বাড়ছে, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে আগামীতে এ অঞ্চল কঠিন হুমকির মুখে পড়বে। জলবায়ু সুরক্ষায় শিক্ষার্থীদের এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ ধরনের ইতিবাচক প্রয়াসকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ও সুরক্ষা দেওয়া হবে।"
উদ্যোগী শিক্ষার্থী রাকিব নুর, রাকিব আনোয়ার, আনন ও রফিকুল ইসলাম জানায়, "আন্তর্জাতিক বৈশ্বিক তহবিলের আশায় সময় নষ্ট না করে নিজস্ব উদ্যোগে সবুজ বলয় গড়ে তোলাই এখন সময়ের দাবি। উপকূলীয় এলাকায় অক্সিজেনের জোগান বাড়ানো ও লোনা পানির প্রভাব কমাতে এই ৫ হাজার গাছের চারা তাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।"
আলোচনা সভা শেষে উপজেলা পরিষদ চত্বরে চারা রোপণের মাধ্যমে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে। এ উদ্যোগকে স্থানীয় পর্যায়ে অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করা হয়েছে এবং আশাকরা হচ্ছে যে, এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও সম্প্রসারিত হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে স্থানীয় যুবসমাজের এই প্রচেষ্টা অন্যান্য অঞ্চলের জন্যও একটি মডেল হিসেবে কাজ করতে পারে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, শিক্ষার্থীদের এই ধরনের উদ্যোগ থেকে বৃহত্তর সমাজে একটি ইতিবাচক বার্তা প্রেরণ করা যায়। এ ধরনের উদ্যোগ শুধু পরিবেশ সুরক্ষায় নয়, বরং সিভিক সেন্স এবং সামাজিক দায়িত্ববোধ তৈরিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এটি শুধু বর্তমান প্রজন্মের জন্য নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।
বিষয় : জলবায়ু পরিবর্তন
2.png)
বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬
গত বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে আশাশুনি উপজেলা মডেল মসজিদ মিলনায়তনে ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও) এই চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করে। ইএসডিও-এর প্রকল্প পরিচালক শামসুল হক মৃধার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম আহমেদ খান, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক হেদায়েতুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের আমীর আবু মুসা তারিকুজ্জামান তুষার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আমিরুল ইসলাম, আশাশুনি সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. নজরুল ইসলাম, আশাশুনি সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আজহারুল ইসলাম মুকুলসহ স্থানীয় বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও শ্যামানন্দ কুন্ডু বলেন, "উপকূলে যে হারে উষ্ণায়ন ও লবণাক্ততা বাড়ছে, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে আগামীতে এ অঞ্চল কঠিন হুমকির মুখে পড়বে। জলবায়ু সুরক্ষায় শিক্ষার্থীদের এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ ধরনের ইতিবাচক প্রয়াসকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ও সুরক্ষা দেওয়া হবে।"
উদ্যোগী শিক্ষার্থী রাকিব নুর, রাকিব আনোয়ার, আনন ও রফিকুল ইসলাম জানায়, "আন্তর্জাতিক বৈশ্বিক তহবিলের আশায় সময় নষ্ট না করে নিজস্ব উদ্যোগে সবুজ বলয় গড়ে তোলাই এখন সময়ের দাবি। উপকূলীয় এলাকায় অক্সিজেনের জোগান বাড়ানো ও লোনা পানির প্রভাব কমাতে এই ৫ হাজার গাছের চারা তাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।"
আলোচনা সভা শেষে উপজেলা পরিষদ চত্বরে চারা রোপণের মাধ্যমে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে। এ উদ্যোগকে স্থানীয় পর্যায়ে অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করা হয়েছে এবং আশাকরা হচ্ছে যে, এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও সম্প্রসারিত হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে স্থানীয় যুবসমাজের এই প্রচেষ্টা অন্যান্য অঞ্চলের জন্যও একটি মডেল হিসেবে কাজ করতে পারে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, শিক্ষার্থীদের এই ধরনের উদ্যোগ থেকে বৃহত্তর সমাজে একটি ইতিবাচক বার্তা প্রেরণ করা যায়। এ ধরনের উদ্যোগ শুধু পরিবেশ সুরক্ষায় নয়, বরং সিভিক সেন্স এবং সামাজিক দায়িত্ববোধ তৈরিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এটি শুধু বর্তমান প্রজন্মের জন্য নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।
2.png)