আইটি বিশ্ব
স্মার্টফোনে প্রতিদিনই জমছে অসংখ্য ছবি ও ভিডিও। গুরুত্বপূর্ণ এসব ফাইল নিরাপদে সংরক্ষণ করতে অনেকেই ক্লাউড ব্যাকআপের ওপর নির্ভর করেন। তবে গুগলের ১৫ জিবি ফ্রি স্টোরেজ জিমেইল, গুগল ড্রাইভ ও গুগল ফটোজের মধ্যে ভাগ হয়ে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে জায়গার সংকট তৈরি হয়। এ সমস্যার বিকল্প সমাধান হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে ‘এনটে ফটোস’।
এনটে ফটোস মূলত ছবি ও ভিডিও সংরক্ষণ এবং ব্যাকআপের সুবিধা দেয়। যারা শুধু ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও নিরাপদে রাখার জন্য আলাদা ক্লাউড সেবা খুঁজছেন, তাদের জন্য এটি কাজে আসতে পারে।
অ্যাপটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো গোপনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া। ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সুরক্ষিত রাখার বিষয়টি মাথায় রেখেই সেবাটি তৈরি করা হয়েছে। ফলে ক্লাউডে ব্যক্তিগত ছবি রাখার ক্ষেত্রে যারা প্রাইভেসিকে গুরুত্ব দেন, তাদের জন্য এটি বিবেচনাযোগ্য একটি বিকল্প।
ব্যবহারের দিক থেকেও এনটে ফটোস বেশ সহজ। এর ইন্টারফেস পরিষ্কার ও মিনিমাল। সাধারণ গ্যালারি অ্যাপের মতো করেই ছবি দেখা এবং ব্যবস্থাপনা করা যায়। অ্যাপটিতে বিরক্তিকর বিজ্ঞাপনও নেই।
এনটে ২০২০ সালে যাত্রা শুরু করে। পরে ২০২২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে কোম্পানি হিসেবে নিবন্ধিত হয়। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদে সেবা ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের কাছে প্রতিষ্ঠানটির গ্রহণযোগ্যতাও তৈরি হয়েছে।
এনটে ফটোস ব্যবহার করতে প্রথমে অ্যান্ড্রয়েডের প্লে স্টোর বা আইফোনের অ্যাপ স্টোর থেকে অ্যাপটি ইনস্টল করতে হবে। এরপর একটি অ্যাকাউন্ট খুলে প্রয়োজনীয় পারমিশন দিতে হবে। সেটআপ শেষ হলে ফোনে থাকা ছবি ও ভিডিও ব্যাকআপ নেওয়ার জন্য অ্যাপটি প্রস্তুত হয়ে যাবে।
ব্যবহারকারীরা চাইলে পুরো গ্যালারি ব্যাকআপ করতে পারেন। আবার নির্দিষ্ট ফোল্ডার বা পছন্দের ছবিও আলাদাভাবে নির্বাচন করে সংরক্ষণ করা যায়। ফলে কোন ছবি ক্লাউডে রাখা হবে, সে নিয়ন্ত্রণও ব্যবহারকারীর হাতে থাকে।
তবে গুগল ফটোজের সঙ্গে সরাসরি তুলনা করলে এনটে ফটোসের কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। গুগল ফটোজের শক্তিশালী এআই সুবিধা, ছবি খোঁজার প্রযুক্তি এবং বিভিন্ন এডিটিং টুলের পরিসর অনেক বেশি। তাই যারা এসব সুবিধাকে অগ্রাধিকার দেন, তাদের জন্য গুগল ফটোজ এখনো এগিয়ে।
অন্যদিকে যাদের প্রধান প্রয়োজন ছবি ও ভিডিও নিরাপদে ব্যাকআপ রাখা, সহজ গ্যালারি ব্যবস্থাপনা এবং গোপনীয়তাকে গুরুত্ব দেওয়া—তাদের জন্য এনটে ফটোস কার্যকর বিকল্প হতে পারে।
2.png)
বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬
স্মার্টফোনে প্রতিদিনই জমছে অসংখ্য ছবি ও ভিডিও। গুরুত্বপূর্ণ এসব ফাইল নিরাপদে সংরক্ষণ করতে অনেকেই ক্লাউড ব্যাকআপের ওপর নির্ভর করেন। তবে গুগলের ১৫ জিবি ফ্রি স্টোরেজ জিমেইল, গুগল ড্রাইভ ও গুগল ফটোজের মধ্যে ভাগ হয়ে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে জায়গার সংকট তৈরি হয়। এ সমস্যার বিকল্প সমাধান হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে ‘এনটে ফটোস’।
এনটে ফটোস মূলত ছবি ও ভিডিও সংরক্ষণ এবং ব্যাকআপের সুবিধা দেয়। যারা শুধু ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও নিরাপদে রাখার জন্য আলাদা ক্লাউড সেবা খুঁজছেন, তাদের জন্য এটি কাজে আসতে পারে।
অ্যাপটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো গোপনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া। ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সুরক্ষিত রাখার বিষয়টি মাথায় রেখেই সেবাটি তৈরি করা হয়েছে। ফলে ক্লাউডে ব্যক্তিগত ছবি রাখার ক্ষেত্রে যারা প্রাইভেসিকে গুরুত্ব দেন, তাদের জন্য এটি বিবেচনাযোগ্য একটি বিকল্প।
ব্যবহারের দিক থেকেও এনটে ফটোস বেশ সহজ। এর ইন্টারফেস পরিষ্কার ও মিনিমাল। সাধারণ গ্যালারি অ্যাপের মতো করেই ছবি দেখা এবং ব্যবস্থাপনা করা যায়। অ্যাপটিতে বিরক্তিকর বিজ্ঞাপনও নেই।
এনটে ২০২০ সালে যাত্রা শুরু করে। পরে ২০২২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে কোম্পানি হিসেবে নিবন্ধিত হয়। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদে সেবা ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের কাছে প্রতিষ্ঠানটির গ্রহণযোগ্যতাও তৈরি হয়েছে।
এনটে ফটোস ব্যবহার করতে প্রথমে অ্যান্ড্রয়েডের প্লে স্টোর বা আইফোনের অ্যাপ স্টোর থেকে অ্যাপটি ইনস্টল করতে হবে। এরপর একটি অ্যাকাউন্ট খুলে প্রয়োজনীয় পারমিশন দিতে হবে। সেটআপ শেষ হলে ফোনে থাকা ছবি ও ভিডিও ব্যাকআপ নেওয়ার জন্য অ্যাপটি প্রস্তুত হয়ে যাবে।
ব্যবহারকারীরা চাইলে পুরো গ্যালারি ব্যাকআপ করতে পারেন। আবার নির্দিষ্ট ফোল্ডার বা পছন্দের ছবিও আলাদাভাবে নির্বাচন করে সংরক্ষণ করা যায়। ফলে কোন ছবি ক্লাউডে রাখা হবে, সে নিয়ন্ত্রণও ব্যবহারকারীর হাতে থাকে।
তবে গুগল ফটোজের সঙ্গে সরাসরি তুলনা করলে এনটে ফটোসের কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। গুগল ফটোজের শক্তিশালী এআই সুবিধা, ছবি খোঁজার প্রযুক্তি এবং বিভিন্ন এডিটিং টুলের পরিসর অনেক বেশি। তাই যারা এসব সুবিধাকে অগ্রাধিকার দেন, তাদের জন্য গুগল ফটোজ এখনো এগিয়ে।
অন্যদিকে যাদের প্রধান প্রয়োজন ছবি ও ভিডিও নিরাপদে ব্যাকআপ রাখা, সহজ গ্যালারি ব্যবস্থাপনা এবং গোপনীয়তাকে গুরুত্ব দেওয়া—তাদের জন্য এনটে ফটোস কার্যকর বিকল্প হতে পারে।
2.png)