জাতীয়
বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে দীর্ঘ সময় একই এলাকায় লোডশেডিং না দিয়ে বিভিন্ন দিনে বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে বলা হয়েছে। রাজধানীর আশপাশের এলাকাতেও লোডশেডিং দেওয়ার সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
বুধবার দুপুর ৩টায় সারা দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৭ হাজার ২৩৭ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ করা হয় ১৩ হাজার ৮৫৫ মেগাওয়াট। ফলে ঘাটতি ছিল ৩ হাজার ৩৮২ মেগাওয়াট।
বিদ্যুতের ঘাটতি কমাতে সৈয়দপুর ও খুলনার দুটি ডিজেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র বুধবার থেকে চালু করা হয়েছে। গ্যাসের বরাদ্দ বাড়ানোর পর ৭০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার মেঘনাঘাট বিদ্যুৎকেন্দ্রও চালু করা হয়েছে।
তবে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে চাঁদপুর ও সিলেটের একটি করে ইউনিট বন্ধ হয়ে গেছে।
পিডিবির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ খাতে বরাদ্দ করা ৯০ কোটি ঘনফুট গ্যাস এখনো পুরোপুরি ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি। গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ধাপে ধাপে চালু করা হচ্ছে। পুরো বরাদ্দের গ্যাস ব্যবহার করা গেলে বিদ্যুতের ঘাটতি কিছুটা কমতে পারে বলে আশা করছেন তাঁরা।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে দেশের যত বেশি সম্ভব বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে গ্যাসের বরাদ্দ পুনর্বণ্টনের কারণে শিল্প খাতে সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে। তিতাস, বাখরাবাদ ও কর্ণফুলী গ্যাস বিতরণ কোম্পানির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরবরাহ বাড়াতে গিয়ে অনেক শিল্পকারখানায় গ্যাসের চাপ কমে গেছে।
তিতাসের আওতাধীন এলাকায় প্রায় সাড়ে চার হাজার শিল্পপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে বুধবার ৩ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠান গ্যাস সংকটে স্বাভাবিক উৎপাদন করতে পারেনি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা। বৃহস্পতিবার পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কারণ সামিটের এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো এখনো সম্ভব হয়নি।
বুধবার সারা দেশে প্রায় ২০৯ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ খাতে ৮৮ থেকে ৯০ কোটি ঘনফুট, শিল্পে ৮০ কোটি, সার খাতে ১৪ কোটি এবং অন্যান্য খাতে ২৬ কোটি ৪০ লাখ ঘনফুট গ্যাস দেওয়া হয়েছে।
বিষয় : বিদ্যুৎ শিল্পে গ্যাস সংকট
2.png)
বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬
বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে দীর্ঘ সময় একই এলাকায় লোডশেডিং না দিয়ে বিভিন্ন দিনে বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে বলা হয়েছে। রাজধানীর আশপাশের এলাকাতেও লোডশেডিং দেওয়ার সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
বুধবার দুপুর ৩টায় সারা দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৭ হাজার ২৩৭ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ করা হয় ১৩ হাজার ৮৫৫ মেগাওয়াট। ফলে ঘাটতি ছিল ৩ হাজার ৩৮২ মেগাওয়াট।
বিদ্যুতের ঘাটতি কমাতে সৈয়দপুর ও খুলনার দুটি ডিজেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র বুধবার থেকে চালু করা হয়েছে। গ্যাসের বরাদ্দ বাড়ানোর পর ৭০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার মেঘনাঘাট বিদ্যুৎকেন্দ্রও চালু করা হয়েছে।
তবে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে চাঁদপুর ও সিলেটের একটি করে ইউনিট বন্ধ হয়ে গেছে।
পিডিবির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ খাতে বরাদ্দ করা ৯০ কোটি ঘনফুট গ্যাস এখনো পুরোপুরি ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি। গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ধাপে ধাপে চালু করা হচ্ছে। পুরো বরাদ্দের গ্যাস ব্যবহার করা গেলে বিদ্যুতের ঘাটতি কিছুটা কমতে পারে বলে আশা করছেন তাঁরা।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে দেশের যত বেশি সম্ভব বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে গ্যাসের বরাদ্দ পুনর্বণ্টনের কারণে শিল্প খাতে সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে। তিতাস, বাখরাবাদ ও কর্ণফুলী গ্যাস বিতরণ কোম্পানির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরবরাহ বাড়াতে গিয়ে অনেক শিল্পকারখানায় গ্যাসের চাপ কমে গেছে।
তিতাসের আওতাধীন এলাকায় প্রায় সাড়ে চার হাজার শিল্পপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে বুধবার ৩ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠান গ্যাস সংকটে স্বাভাবিক উৎপাদন করতে পারেনি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা। বৃহস্পতিবার পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কারণ সামিটের এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো এখনো সম্ভব হয়নি।
বুধবার সারা দেশে প্রায় ২০৯ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ খাতে ৮৮ থেকে ৯০ কোটি ঘনফুট, শিল্পে ৮০ কোটি, সার খাতে ১৪ কোটি এবং অন্যান্য খাতে ২৬ কোটি ৪০ লাখ ঘনফুট গ্যাস দেওয়া হয়েছে।
2.png)