বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি
সফটওয়্যার তৈরি ও কোডিংয়ের কাজ আরও দ্রুত করতে নতুন এআই টুল ‘মিউজ কোড’ এনেছে মেটা। টুলটি শুধু কোড লেখাই নয়, জটিল কোড বিশ্লেষণ, ত্রুটি শনাক্ত ও তা ঠিক করার কাজও করতে পারে। ৫ আগস্ট বিটা সংস্করণে মিউজ কোড উন্মুক্ত করে প্রতিষ্ঠানটি।
মেটার নতুন এআই মডেল ‘মিউজ স্পার্ক ১.২’-এর ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে মিউজ কোড। বড় ও জটিল সফটওয়্যার প্রকল্পে কাজ ভাগ করে একাধিক এআই সাব-এজেন্টকে একই সময়ে কাজে লাগাতে পারে এটি। ফলে দীর্ঘ কোডিংয়ের কাজ পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ও যাচাইয়ের বিভিন্ন ধাপ দ্রুত সম্পন্ন করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
টুলটির আরেকটি সুবিধা হলো কাজের ধারাবাহিকতা ধরে রাখা। মিউজ কোডে কাজের রেকর্ড সংরক্ষিত থাকে। ফলে কোনো কারণে সিস্টেম বন্ধ হয়ে গেলে বা কাজ মাঝপথে থেমে গেলেও আগের অবস্থান থেকে আবার কাজ শুরু করা সম্ভব। বড় প্রকল্পে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করা ডেভেলপারদের জন্য এই সুবিধা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
মিউজ কোড ব্যবহারের জন্য মেটা ‘পে-অ্যাজ-ইউ-গো’ মূল্য কাঠামো রেখেছে। প্রতি ১০ লাখ ইনপুট টোকেনের জন্য খরচ হবে ১ দশমিক ২৫ ডলার। আর আউটপুট টোকেনের জন্য প্রতি ১০ লাখে দিতে হবে ৪ দশমিক ২৫ ডলার।
মেটার এই উদ্যোগ এআই-নির্ভর কোডিংয়ের বাজারে প্রতিযোগিতা আরও বাড়াতে পারে। এত দিন এ ক্ষেত্রে অ্যানথ্রপিকের ক্লড কোড ও ওপেনএআইয়ের কোডেক্স উল্লেখযোগ্য অবস্থান ধরে রেখেছে। মিউজ কোড চালুর মাধ্যমে মেটাও সরাসরি এই প্রতিযোগিতায় নামল।
মেটার দাবি, মিউজ স্পার্ক সিরিজের মডেলগুলো বড় কোডবেস নিয়ে কাজ, জটিল ত্রুটি শনাক্ত ও একাধিক ধাপে সফটওয়্যার পরিবর্তনের মতো কাজে সক্ষম। নতুন মিউজ কোড সেই সক্ষমতাকে সরাসরি ডেভেলপারদের কাজের পরিবেশে নিয়ে আসার লক্ষ্যেই তৈরি করা হয়েছে।
2.png)
বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
সফটওয়্যার তৈরি ও কোডিংয়ের কাজ আরও দ্রুত করতে নতুন এআই টুল ‘মিউজ কোড’ এনেছে মেটা। টুলটি শুধু কোড লেখাই নয়, জটিল কোড বিশ্লেষণ, ত্রুটি শনাক্ত ও তা ঠিক করার কাজও করতে পারে। ৫ আগস্ট বিটা সংস্করণে মিউজ কোড উন্মুক্ত করে প্রতিষ্ঠানটি।
মেটার নতুন এআই মডেল ‘মিউজ স্পার্ক ১.২’-এর ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে মিউজ কোড। বড় ও জটিল সফটওয়্যার প্রকল্পে কাজ ভাগ করে একাধিক এআই সাব-এজেন্টকে একই সময়ে কাজে লাগাতে পারে এটি। ফলে দীর্ঘ কোডিংয়ের কাজ পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ও যাচাইয়ের বিভিন্ন ধাপ দ্রুত সম্পন্ন করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
টুলটির আরেকটি সুবিধা হলো কাজের ধারাবাহিকতা ধরে রাখা। মিউজ কোডে কাজের রেকর্ড সংরক্ষিত থাকে। ফলে কোনো কারণে সিস্টেম বন্ধ হয়ে গেলে বা কাজ মাঝপথে থেমে গেলেও আগের অবস্থান থেকে আবার কাজ শুরু করা সম্ভব। বড় প্রকল্পে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করা ডেভেলপারদের জন্য এই সুবিধা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
মিউজ কোড ব্যবহারের জন্য মেটা ‘পে-অ্যাজ-ইউ-গো’ মূল্য কাঠামো রেখেছে। প্রতি ১০ লাখ ইনপুট টোকেনের জন্য খরচ হবে ১ দশমিক ২৫ ডলার। আর আউটপুট টোকেনের জন্য প্রতি ১০ লাখে দিতে হবে ৪ দশমিক ২৫ ডলার।
মেটার এই উদ্যোগ এআই-নির্ভর কোডিংয়ের বাজারে প্রতিযোগিতা আরও বাড়াতে পারে। এত দিন এ ক্ষেত্রে অ্যানথ্রপিকের ক্লড কোড ও ওপেনএআইয়ের কোডেক্স উল্লেখযোগ্য অবস্থান ধরে রেখেছে। মিউজ কোড চালুর মাধ্যমে মেটাও সরাসরি এই প্রতিযোগিতায় নামল।
মেটার দাবি, মিউজ স্পার্ক সিরিজের মডেলগুলো বড় কোডবেস নিয়ে কাজ, জটিল ত্রুটি শনাক্ত ও একাধিক ধাপে সফটওয়্যার পরিবর্তনের মতো কাজে সক্ষম। নতুন মিউজ কোড সেই সক্ষমতাকে সরাসরি ডেভেলপারদের কাজের পরিবেশে নিয়ে আসার লক্ষ্যেই তৈরি করা হয়েছে।
2.png)