রাজনীতি
সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) আসনের সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা নাছির চৌধুরী বলেছেন, আওয়ামী লীগ বিএনপির শত্রু নয়, বরং অতীতে তারা একসঙ্গে যুদ্ধ করেছে। তিনি দাবি করেন, সময় এলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বিএনপিতেই যোগ দেবেন এবং তাদের সামনে অন্য কোনো পথ থাকবে না।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দিরাই থানা পয়েন্টে উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত ‘গণতন্ত্র আদায়ে ১৭ বছরের অপ্রতিরোধ্য সংগ্রাম ও রক্তঝরা জুলাই জাগরণ’ শীর্ষক স্মরণ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নাছির চৌধুরী অভিযোগ করেন, আগামী ৮ আগস্ট বিএনপির নামে যারা আলাদা সমাবেশের ডাক দিয়েছেন, তারা দলের মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টি করতে চান। তাঁর ভাষ্য, যারা বিভেদ চান না, তারাই বর্তমান সমাবেশে উপস্থিত হয়েছেন।
ব্যক্তিগত প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, তাঁর কোনো সহোদর ভাই নেই, দলীয় নেতাকর্মীরাই তাঁর আপনজন। তাদের নিয়েই তিনি রাজনীতি করছেন।
নিজের বাসভবন লুট ও দখলের অভিযোগ তুলে নাছির চৌধুরী বলেন, তাঁর বাড়ি-ঘর কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এরপরও দেশের বাইরে অবস্থান করেই তিনি নির্বাচন করেছেন। এসব ঘটনায় তাঁর কোনো আফসোস বা দুঃখ নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
নিজের শারীরিক অবস্থা নিয়ে সমালোচনার জবাবে তিনি বলেন, অনেকে তাঁকে ‘লুলা’ বলে কটাক্ষ করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শারীরিক সীমাবদ্ধতা থাকলেও তিনি কখনো দুর্নীতি করেননি এবং দুর্নীতিকে প্রশ্রয়ও দেন না।
দিরাই উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন বিএনপি নেতা ফারুক সর্দার ও সাব্বির মিয়া।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন নাছির চৌধুরীর সহধর্মিণী পারভিন চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ চৌধুরী, যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির তালুকদার, সাবেক চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান, নুরুল হক তালুকদার, আবু সাঈদ চৌধুরী, সজিব রশিদ চৌধুরী, ছাত্রদল নেতা শাহ আলম, জুনেদ মিয়া, মেহেদী হাসান চৌধুরীসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
2.png)
বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) আসনের সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা নাছির চৌধুরী বলেছেন, আওয়ামী লীগ বিএনপির শত্রু নয়, বরং অতীতে তারা একসঙ্গে যুদ্ধ করেছে। তিনি দাবি করেন, সময় এলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বিএনপিতেই যোগ দেবেন এবং তাদের সামনে অন্য কোনো পথ থাকবে না।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দিরাই থানা পয়েন্টে উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত ‘গণতন্ত্র আদায়ে ১৭ বছরের অপ্রতিরোধ্য সংগ্রাম ও রক্তঝরা জুলাই জাগরণ’ শীর্ষক স্মরণ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নাছির চৌধুরী অভিযোগ করেন, আগামী ৮ আগস্ট বিএনপির নামে যারা আলাদা সমাবেশের ডাক দিয়েছেন, তারা দলের মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টি করতে চান। তাঁর ভাষ্য, যারা বিভেদ চান না, তারাই বর্তমান সমাবেশে উপস্থিত হয়েছেন।
ব্যক্তিগত প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, তাঁর কোনো সহোদর ভাই নেই, দলীয় নেতাকর্মীরাই তাঁর আপনজন। তাদের নিয়েই তিনি রাজনীতি করছেন।
নিজের বাসভবন লুট ও দখলের অভিযোগ তুলে নাছির চৌধুরী বলেন, তাঁর বাড়ি-ঘর কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এরপরও দেশের বাইরে অবস্থান করেই তিনি নির্বাচন করেছেন। এসব ঘটনায় তাঁর কোনো আফসোস বা দুঃখ নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
নিজের শারীরিক অবস্থা নিয়ে সমালোচনার জবাবে তিনি বলেন, অনেকে তাঁকে ‘লুলা’ বলে কটাক্ষ করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শারীরিক সীমাবদ্ধতা থাকলেও তিনি কখনো দুর্নীতি করেননি এবং দুর্নীতিকে প্রশ্রয়ও দেন না।
দিরাই উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন বিএনপি নেতা ফারুক সর্দার ও সাব্বির মিয়া।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন নাছির চৌধুরীর সহধর্মিণী পারভিন চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ চৌধুরী, যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির তালুকদার, সাবেক চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান, নুরুল হক তালুকদার, আবু সাঈদ চৌধুরী, সজিব রশিদ চৌধুরী, ছাত্রদল নেতা শাহ আলম, জুনেদ মিয়া, মেহেদী হাসান চৌধুরীসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
2.png)