রাজনীতি
দণ্ডপ্রাপ্ত ও পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে গণমাধ্যমের সামনে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে ভারতের প্রতি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকার। বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সবসময় ভারতের সঙ্গে সার্বভৌম সমতা, পারস্পরিক সম্মান, একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং জাতীয় মর্যাদার ভিত্তিতে গঠনমূলক ও পারস্পরিক লাভজনক সম্পর্ক এগিয়ে নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য, ২০১৩ সালে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ বারবার অনুরোধ জানালেও ভারত সরকার এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।
এ অবস্থায় তাকে প্রকাশ্যে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেওয়াকে বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতির প্রতি সংবেদনশীলতার অভাব হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের মতে, এমন পদক্ষেপ দুই দেশের বিদ্যমান সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলতে পারে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের প্রচেষ্টায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
বিষয় : শেখ হাসিনার বক্তব্য
2.png)
বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
দণ্ডপ্রাপ্ত ও পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে গণমাধ্যমের সামনে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে ভারতের প্রতি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকার। বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সবসময় ভারতের সঙ্গে সার্বভৌম সমতা, পারস্পরিক সম্মান, একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং জাতীয় মর্যাদার ভিত্তিতে গঠনমূলক ও পারস্পরিক লাভজনক সম্পর্ক এগিয়ে নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য, ২০১৩ সালে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ বারবার অনুরোধ জানালেও ভারত সরকার এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।
এ অবস্থায় তাকে প্রকাশ্যে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেওয়াকে বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতির প্রতি সংবেদনশীলতার অভাব হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের মতে, এমন পদক্ষেপ দুই দেশের বিদ্যমান সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলতে পারে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের প্রচেষ্টায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
2.png)