রাজনীতি
ছাত্র-জনতার ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যাওয়া আওয়ামী লীগ (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) নেত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। তিনি বলেন, ‘আমরা অপেক্ষা করছি। দেশে আসুন, ইনশাআল্লাহ রাজপথেই দেখা হবে।’
বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে চীন-মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত জুলাই শহিদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা প্রাণ দিয়েছেন, তাদের পরিবারের দেখভাল করা বর্তমান সরকারের সবচেয়ে বড় এবং পবিত্র দায়িত্ব। একই সঙ্গে যারা আন্দোলনে আহত হয়েছেন, দৃষ্টিশক্তি বা অঙ্গ হারিয়েছেন, তাদের চিকিৎসা ও পূর্ণ পুনর্বাসন নিশ্চিত করাও সরকারের অন্যতম প্রধান কর্তব্য।
সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা বজায় রাখার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘আমরা আপনাদের নির্বাচিত সরকার। আমাদের কোনো ভুল হলে তা ধরিয়ে দেবেন, সংশোধনের সুযোগ দেবেন। আমরা কখনোই আওয়ামী লীগের মতো হতে চাই না।’
আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, দলটির নেতাদের মধ্যে অতীতের ঘটনাগুলো নিয়ে কোনো অনুশোচনা দেখা যায় না। খুন, গুম, নির্যাতন, মানি লন্ডারিং এবং ‘আয়নাঘর’-এর মতো নানা অভিযোগের পরও তারা লজ্জাবোধ করছে না। বরং দেশে ফিরে আসার কথাও বলছে।
নিজের রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, ২৭ বছর বয়সে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। এখন ৮২ বছর বয়সেও বাংলাদেশের জনগণের অধিকার এবং গণতন্ত্র সুসংহত করার লড়াইয়ে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘এই দেশের জন্য রক্ত দিয়েছি। ১৯৭১ সালে যুদ্ধে আহত হয়েছিলাম। এমন বাংলাদেশ দেখার জন্য আমরা যুদ্ধ করিনি।’
2.png)
বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
ছাত্র-জনতার ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যাওয়া আওয়ামী লীগ (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) নেত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। তিনি বলেন, ‘আমরা অপেক্ষা করছি। দেশে আসুন, ইনশাআল্লাহ রাজপথেই দেখা হবে।’
বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে চীন-মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত জুলাই শহিদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা প্রাণ দিয়েছেন, তাদের পরিবারের দেখভাল করা বর্তমান সরকারের সবচেয়ে বড় এবং পবিত্র দায়িত্ব। একই সঙ্গে যারা আন্দোলনে আহত হয়েছেন, দৃষ্টিশক্তি বা অঙ্গ হারিয়েছেন, তাদের চিকিৎসা ও পূর্ণ পুনর্বাসন নিশ্চিত করাও সরকারের অন্যতম প্রধান কর্তব্য।
সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা বজায় রাখার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘আমরা আপনাদের নির্বাচিত সরকার। আমাদের কোনো ভুল হলে তা ধরিয়ে দেবেন, সংশোধনের সুযোগ দেবেন। আমরা কখনোই আওয়ামী লীগের মতো হতে চাই না।’
আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, দলটির নেতাদের মধ্যে অতীতের ঘটনাগুলো নিয়ে কোনো অনুশোচনা দেখা যায় না। খুন, গুম, নির্যাতন, মানি লন্ডারিং এবং ‘আয়নাঘর’-এর মতো নানা অভিযোগের পরও তারা লজ্জাবোধ করছে না। বরং দেশে ফিরে আসার কথাও বলছে।
নিজের রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, ২৭ বছর বয়সে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। এখন ৮২ বছর বয়সেও বাংলাদেশের জনগণের অধিকার এবং গণতন্ত্র সুসংহত করার লড়াইয়ে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘এই দেশের জন্য রক্ত দিয়েছি। ১৯৭১ সালে যুদ্ধে আহত হয়েছিলাম। এমন বাংলাদেশ দেখার জন্য আমরা যুদ্ধ করিনি।’
2.png)