রাজনীতি
সরকার গঠনের পর প্রথমবারের মতো ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নেওয়া শরিক দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে তিনি বিভিন্ন দলের নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময় করেন।
সন্ধ্যা ৭টা ২৭ মিনিটে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনের উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে নির্ধারিত স্থানে এসে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর তিনি একে একে বিভিন্ন টেবিলে গিয়ে যুগপৎ আন্দোলনের শরিক নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
পরে সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান শুরু হয়।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের আন্দোলনে অংশ নেওয়া ৪১টি রাজনৈতিক দলের নেতাদের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি আন্দোলনের সময় গঠিত লিয়াজোঁ কমিটির সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের মাধ্যমে সরকার গঠনের পর যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর সঙ্গে এটি প্রধানমন্ত্রীর প্রথম আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিতদের মধ্যে ছিল গণতন্ত্র মঞ্চ, ১২-দলীয় জোট, সমমনা জাতীয়তাবাদী জোট, গণতান্ত্রিক বাম জোট, ইসলামী ঐক্যজোট এবং বিভিন্ন ইসলামী রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা।
বিষয় : প্রধানমন্ত্রী শরিক দল
2.png)
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
সরকার গঠনের পর প্রথমবারের মতো ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নেওয়া শরিক দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে তিনি বিভিন্ন দলের নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময় করেন।
সন্ধ্যা ৭টা ২৭ মিনিটে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনের উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে নির্ধারিত স্থানে এসে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর তিনি একে একে বিভিন্ন টেবিলে গিয়ে যুগপৎ আন্দোলনের শরিক নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
পরে সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান শুরু হয়।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের আন্দোলনে অংশ নেওয়া ৪১টি রাজনৈতিক দলের নেতাদের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি আন্দোলনের সময় গঠিত লিয়াজোঁ কমিটির সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের মাধ্যমে সরকার গঠনের পর যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর সঙ্গে এটি প্রধানমন্ত্রীর প্রথম আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিতদের মধ্যে ছিল গণতন্ত্র মঞ্চ, ১২-দলীয় জোট, সমমনা জাতীয়তাবাদী জোট, গণতান্ত্রিক বাম জোট, ইসলামী ঐক্যজোট এবং বিভিন্ন ইসলামী রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা।
2.png)