জাতীয়
স্বাস্থ্যমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সচিব এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চান প্রধানমন্ত্রী। জবাবে তারা জানান, আগের সরকারগুলোর সময় স্বাস্থ্য খাত গভীর সংকটে পড়ে এবং বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে ওঠে। সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে বলেও তারা উল্লেখ করেন।
উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা নিয়েও বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত অভিযোগের প্রসঙ্গ তুলে বলা হয়, অনেক উপজেলায় চিকিৎসক কর্মরত থাকলেও রোগীরা কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন না। চিকিৎসকদের দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
কিডনি রোগীদের চিকিৎসা আরও সহজলভ্য করতে নতুন পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। জেলা পর্যায়ে ১০ শয্যার বিদ্যমান ডায়ালাইসিস সেন্টারগুলো পর্যায়ক্রমে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। পাশাপাশি আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশের সব উপজেলা পর্যায়ে ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন তিনি। এ উদ্যোগ সফল করতে প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবল তৈরি এবং লজিস্টিক সহায়তা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।
এ ছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ৫১ শয্যা থেকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার সরকারি পরিকল্পনা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। গণপূর্ত বিভাগের প্রকৌশলীরা এ সময় প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, জনবল এবং সম্প্রসারণ পরিকল্পনার বিস্তারিত উপস্থাপন করেন। তারা প্রস্তাবিত ভবনের নকশা ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনাও তুলে ধরেন।
বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়সহ রাজধানীর বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালের পরিচালক ও শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিষয় : প্রধানমন্ত্রী
2.png)
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
স্বাস্থ্যমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সচিব এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চান প্রধানমন্ত্রী। জবাবে তারা জানান, আগের সরকারগুলোর সময় স্বাস্থ্য খাত গভীর সংকটে পড়ে এবং বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে ওঠে। সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে বলেও তারা উল্লেখ করেন।
উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা নিয়েও বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত অভিযোগের প্রসঙ্গ তুলে বলা হয়, অনেক উপজেলায় চিকিৎসক কর্মরত থাকলেও রোগীরা কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন না। চিকিৎসকদের দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
কিডনি রোগীদের চিকিৎসা আরও সহজলভ্য করতে নতুন পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। জেলা পর্যায়ে ১০ শয্যার বিদ্যমান ডায়ালাইসিস সেন্টারগুলো পর্যায়ক্রমে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। পাশাপাশি আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশের সব উপজেলা পর্যায়ে ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন তিনি। এ উদ্যোগ সফল করতে প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবল তৈরি এবং লজিস্টিক সহায়তা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।
এ ছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ৫১ শয্যা থেকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার সরকারি পরিকল্পনা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। গণপূর্ত বিভাগের প্রকৌশলীরা এ সময় প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, জনবল এবং সম্প্রসারণ পরিকল্পনার বিস্তারিত উপস্থাপন করেন। তারা প্রস্তাবিত ভবনের নকশা ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনাও তুলে ধরেন।
বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়সহ রাজধানীর বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালের পরিচালক ও শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
2.png)