জাতীয়
তুরাগ নদী থেকে একের পর এক মরদেহ উদ্ধারের খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নগরবাসীর মধ্যে তীব্র উৎকণ্ঠা ও চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। তবে এ ধরনের সব তথ্যকে পুরোপুরি গুজব ও বিভ্রান্তিকর বলে উড়িয়ে দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। রোববার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি পরিষ্কার করেন পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা।
ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মো. ফারুক হোসেন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুরাগ নদীকেন্দ্রিক যে ভয়ংকর সব তথ্যের প্রচার চলছে, তা আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখেছি। অনুসন্ধান করে দেখা গেছে, ডিএমপির আওতাধীন তুরাগ থানা কিংবা মিরপুর জোনের পল্লবী ও রূপনগর থানা এলাকায় এমন কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার তথ্য পুলিশের কাছে নেই। এমনকি এসব এলাকায় এ ধরনের ঘটনা নিয়ে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) বা মামলাও করা হয়নি।
গুজবটি কীভাবে ছড়িয়েছে তার ব্যাখ্যা দিয়ে ডিএমপির এই কর্মকর্তা জানান, মূলত আমিনবাজার নৌ পুলিশ এলাকায় একটি মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছিল। সেই পরিপ্রেক্ষিতে দারুসসালাম থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের হয়েছে, যা পুরোপুরি নৌ পুলিশের অধিক্ষেত্র। কিন্তু ওই বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ডিএমপির এলাকায় ধারাবাহিক হত্যাকাণ্ড ঘটছে বলে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই।
যাচাই-বাছাই ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া সমাজে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন পুলিশের এই কর্মকর্তা। তিনি বলেন, এ ধরনের গুজব আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে পারে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকেও আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। তাই জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়, এমন কোনো তথ্য যাচাই না করে বিশ্বাস বা শেয়ার না করার জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ডিএমপি।
বিষয় : তুরাগে লাশ গুজব ডি এম পি
2.png)
রোববার, ২৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
তুরাগ নদী থেকে একের পর এক মরদেহ উদ্ধারের খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নগরবাসীর মধ্যে তীব্র উৎকণ্ঠা ও চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। তবে এ ধরনের সব তথ্যকে পুরোপুরি গুজব ও বিভ্রান্তিকর বলে উড়িয়ে দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। রোববার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি পরিষ্কার করেন পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা।
ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মো. ফারুক হোসেন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুরাগ নদীকেন্দ্রিক যে ভয়ংকর সব তথ্যের প্রচার চলছে, তা আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখেছি। অনুসন্ধান করে দেখা গেছে, ডিএমপির আওতাধীন তুরাগ থানা কিংবা মিরপুর জোনের পল্লবী ও রূপনগর থানা এলাকায় এমন কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার তথ্য পুলিশের কাছে নেই। এমনকি এসব এলাকায় এ ধরনের ঘটনা নিয়ে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) বা মামলাও করা হয়নি।
গুজবটি কীভাবে ছড়িয়েছে তার ব্যাখ্যা দিয়ে ডিএমপির এই কর্মকর্তা জানান, মূলত আমিনবাজার নৌ পুলিশ এলাকায় একটি মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছিল। সেই পরিপ্রেক্ষিতে দারুসসালাম থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের হয়েছে, যা পুরোপুরি নৌ পুলিশের অধিক্ষেত্র। কিন্তু ওই বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ডিএমপির এলাকায় ধারাবাহিক হত্যাকাণ্ড ঘটছে বলে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই।
যাচাই-বাছাই ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া সমাজে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন পুলিশের এই কর্মকর্তা। তিনি বলেন, এ ধরনের গুজব আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে পারে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকেও আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। তাই জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়, এমন কোনো তথ্য যাচাই না করে বিশ্বাস বা শেয়ার না করার জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ডিএমপি।
2.png)