বানিজ্য
বিলাসবহুল যাতায়াত ব্যবস্থায় খরচ বাড়াতে যাচ্ছে সরকার। প্রস্তাবিত নতুন বাজেটে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ডাবলডেকার এসি বাস, স্লিপার কোচ এবং হেলিকপ্টারের মালিকদের ওপর নতুন করে অগ্রিম কর আরোপ করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে যাতায়াত খরচ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন যাত্রী ও করপোরেট সেবা গ্রহণকারীরা।
নতুন এই প্রস্তাব অনুযায়ী, শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ডাবলডেকার এসি বাস ও স্লিপার কোচের মালিকদের এখন থেকে প্রতিবছর ৫০ হাজার টাকা হারে অগ্রিম কর পরিশোধ করতে হবে। এছাড়া আকাশপথে যাতায়াতের জনপ্রিয় মাধ্যম হেলিকপ্টারের মালিকদের বার্ষিক ১০ লাখ টাকা করে অগ্রিম কর দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।
সাধারণত মোটরযানের নিবন্ধন বা ফিটনেস নবায়নের সময় এই অগ্রিম কর পরিশোধ করতে হবে। কর পরিশোধের চালান দাখিল না করা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিবন্ধন বা ফিটনেস নবায়নের কোনো ছাড়পত্র দেবে না। পরিবহন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই বাড়তি খরচের বোঝা সামলাতে শেষ পর্যন্ত বাস অপারেটর ও হেলিকপ্টার সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ভাড়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে পারে।
বর্তমানে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট ও রংপুরের মতো দূরপাল্লার রুটে বিলাসবহুল এসি ডাবলডেকার বাস ও স্লিপার কোচের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। পাশাপাশি করপোরেট যাতায়াত, জরুরি রোগী পরিবহন এবং ভিআইপি ভ্রমণে হেলিকপ্টারের ব্যবহারও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এ খাতের ক্রমবর্ধমান ব্যবহারের ওপর সরকারের এই কর আরোপ যাতায়াত ব্যয় বৃদ্ধির মূল কারণ হতে পারে।
শুধুমাত্র যাত্রী পরিবহন নয়, বাজেটে ভারী যানবাহন মালিকদের ওপরও বাড়তি চাপ তৈরি করা হয়েছে। এখন থেকে ভারী ট্রাক, লরি, প্রাইমমুভার, ক্রেন, ড্রেজার ও রোলারমালিকদেরও নির্ধারিত হারে অগ্রিম কর দিতে হবে। সব মিলিয়ে পরিবহন খাতের বিভিন্ন স্তরে নতুন এই কর আরোপের প্রভাব জনজীবনে কতটা পড়বে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।
বিষয় : বাস ও হেলিকপ্টার কর আরোপ
2.png)
শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬
বিলাসবহুল যাতায়াত ব্যবস্থায় খরচ বাড়াতে যাচ্ছে সরকার। প্রস্তাবিত নতুন বাজেটে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ডাবলডেকার এসি বাস, স্লিপার কোচ এবং হেলিকপ্টারের মালিকদের ওপর নতুন করে অগ্রিম কর আরোপ করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে যাতায়াত খরচ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন যাত্রী ও করপোরেট সেবা গ্রহণকারীরা।
নতুন এই প্রস্তাব অনুযায়ী, শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ডাবলডেকার এসি বাস ও স্লিপার কোচের মালিকদের এখন থেকে প্রতিবছর ৫০ হাজার টাকা হারে অগ্রিম কর পরিশোধ করতে হবে। এছাড়া আকাশপথে যাতায়াতের জনপ্রিয় মাধ্যম হেলিকপ্টারের মালিকদের বার্ষিক ১০ লাখ টাকা করে অগ্রিম কর দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।
সাধারণত মোটরযানের নিবন্ধন বা ফিটনেস নবায়নের সময় এই অগ্রিম কর পরিশোধ করতে হবে। কর পরিশোধের চালান দাখিল না করা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিবন্ধন বা ফিটনেস নবায়নের কোনো ছাড়পত্র দেবে না। পরিবহন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই বাড়তি খরচের বোঝা সামলাতে শেষ পর্যন্ত বাস অপারেটর ও হেলিকপ্টার সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ভাড়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে পারে।
বর্তমানে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট ও রংপুরের মতো দূরপাল্লার রুটে বিলাসবহুল এসি ডাবলডেকার বাস ও স্লিপার কোচের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। পাশাপাশি করপোরেট যাতায়াত, জরুরি রোগী পরিবহন এবং ভিআইপি ভ্রমণে হেলিকপ্টারের ব্যবহারও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এ খাতের ক্রমবর্ধমান ব্যবহারের ওপর সরকারের এই কর আরোপ যাতায়াত ব্যয় বৃদ্ধির মূল কারণ হতে পারে।
শুধুমাত্র যাত্রী পরিবহন নয়, বাজেটে ভারী যানবাহন মালিকদের ওপরও বাড়তি চাপ তৈরি করা হয়েছে। এখন থেকে ভারী ট্রাক, লরি, প্রাইমমুভার, ক্রেন, ড্রেজার ও রোলারমালিকদেরও নির্ধারিত হারে অগ্রিম কর দিতে হবে। সব মিলিয়ে পরিবহন খাতের বিভিন্ন স্তরে নতুন এই কর আরোপের প্রভাব জনজীবনে কতটা পড়বে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।
2.png)