ইরান যুদ্ধ
মধ্যপ্রাচ্যে ইলন মাস্কের মালিকানাধীন সব কোম্পানিকে এখন থেকে সরাসরি সামরিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে দেখছে ইরান। মার্কিন সামরিক বাহিনীর সঙ্গে মিলে যুদ্ধাপরাধে লিপ্ত থাকার অভিযোগে তেহরান এই চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ‘ফারস’ টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে পরিষ্কার জানিয়েছে, এই অঞ্চলে মাস্কের যত স্থাপনা বা গ্রাউন্ড স্টেশন রয়েছে, তার সবকটিকে তারা হামলার তালিকায় যুক্ত করেছে।
তেহরানের বিশেষ করে নিশানায় রয়েছে কাতার, জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানে থাকা স্টারলিংকের নেটওয়ার্ক ও স্পেসএক্সের অংশীদারদের স্থাপনাগুলো। ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, চলতি সপ্তাহে দক্ষিণ ইরানের পানি সরবরাহ অবকাঠামোতে যে হামলা চালানো হয়েছে, তাতে সরাসরি ব্যবহার করা হয়েছে মাস্কের কোম্পানির প্রযুক্তি। তেহরান বলছে, ড্রোন হামলা, আকাশপথে নজরদারি এবং যুদ্ধজাহাজ পরিচালনায় পেন্টাগনের অন্যতম প্রধান অংশীদার হিসেবে স্টারলিংককে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন।
মূলত ইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকেই স্টারলিংক কেবল সাধারণ মানুষের ইন্টারনেট সেবার গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি মার্কিন সামরিক বাহিনীর এক অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে। ড্রোন হামলা থেকে শুরু করে নৌ-অভিযান পর্যন্ত বিভিন্ন মিশনে স্টারলিংকের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করার জন্য মার্কিন সরকার শত কোটি ডলারের চুক্তি করেছে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে। গত মাসেও মার্কিন ‘স্পেস ফোর্স’ মহাকাশে সামরিক ইন্টারনেট ব্যবস্থা তৈরির জন্য স্পেসএক্সকে দুই বিলিয়নের বেশি ডলারের বিশাল একটি চুক্তি দিয়েছে, যা ইরানের উদ্বেগের অন্যতম কারণ।
এই হুমকির বিষয়ে ইলন মাস্ক বা তার প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। হোয়াইট হাউসও বিষয়টি নিয়ে নিশ্চুপ রয়েছে। তবে ইরানের জন্য এই ধরনের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের ওপর ক্ষোভ নতুন নয়। এর আগেও বিপ্লবী গার্ড এনভিডিয়া, অ্যাপল, মাইক্রোসফট ও গুগলের মতো আমেরিকান প্রযুক্তি দানবদের 'ধ্বংস' করার হুমকি দিয়েছিল তেহরান। এখন পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন উদ্বেগ।
বিষয় : ইলন মাস্ক ইরানের হুমকি
2.png)
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে ইলন মাস্কের মালিকানাধীন সব কোম্পানিকে এখন থেকে সরাসরি সামরিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে দেখছে ইরান। মার্কিন সামরিক বাহিনীর সঙ্গে মিলে যুদ্ধাপরাধে লিপ্ত থাকার অভিযোগে তেহরান এই চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ‘ফারস’ টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে পরিষ্কার জানিয়েছে, এই অঞ্চলে মাস্কের যত স্থাপনা বা গ্রাউন্ড স্টেশন রয়েছে, তার সবকটিকে তারা হামলার তালিকায় যুক্ত করেছে।
তেহরানের বিশেষ করে নিশানায় রয়েছে কাতার, জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানে থাকা স্টারলিংকের নেটওয়ার্ক ও স্পেসএক্সের অংশীদারদের স্থাপনাগুলো। ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, চলতি সপ্তাহে দক্ষিণ ইরানের পানি সরবরাহ অবকাঠামোতে যে হামলা চালানো হয়েছে, তাতে সরাসরি ব্যবহার করা হয়েছে মাস্কের কোম্পানির প্রযুক্তি। তেহরান বলছে, ড্রোন হামলা, আকাশপথে নজরদারি এবং যুদ্ধজাহাজ পরিচালনায় পেন্টাগনের অন্যতম প্রধান অংশীদার হিসেবে স্টারলিংককে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন।
মূলত ইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকেই স্টারলিংক কেবল সাধারণ মানুষের ইন্টারনেট সেবার গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি মার্কিন সামরিক বাহিনীর এক অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে। ড্রোন হামলা থেকে শুরু করে নৌ-অভিযান পর্যন্ত বিভিন্ন মিশনে স্টারলিংকের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করার জন্য মার্কিন সরকার শত কোটি ডলারের চুক্তি করেছে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে। গত মাসেও মার্কিন ‘স্পেস ফোর্স’ মহাকাশে সামরিক ইন্টারনেট ব্যবস্থা তৈরির জন্য স্পেসএক্সকে দুই বিলিয়নের বেশি ডলারের বিশাল একটি চুক্তি দিয়েছে, যা ইরানের উদ্বেগের অন্যতম কারণ।
এই হুমকির বিষয়ে ইলন মাস্ক বা তার প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। হোয়াইট হাউসও বিষয়টি নিয়ে নিশ্চুপ রয়েছে। তবে ইরানের জন্য এই ধরনের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের ওপর ক্ষোভ নতুন নয়। এর আগেও বিপ্লবী গার্ড এনভিডিয়া, অ্যাপল, মাইক্রোসফট ও গুগলের মতো আমেরিকান প্রযুক্তি দানবদের 'ধ্বংস' করার হুমকি দিয়েছিল তেহরান। এখন পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন উদ্বেগ।
2.png)