খেলা
বিশ্বকাপের দামামা বেজে উঠেছে, আর ঠিক তার আগ মুহূর্তে নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার শেষ ম্যাচে আর্জেন্টিনা যে পারফরম্যান্স উপহার দিল, তা কোচ লিওনেল স্কালোনি ও ভক্তদের জন্য বড় স্বস্তি। পুরো ম্যাচের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে স্বাভাবিকভাবেই ছিলেন লিওনেল মেসি। বদলি হিসেবে মাঠে নামার মাত্র ১১৯ সেকেন্ডের মাথায় যখন পেনাল্টি থেকে গোল করে স্কোরবোর্ডে নিজের নাম লেখালেন, তখন বোঝা গেল—সময় ও পরিস্থিতির চেয়েও গতিময় তার ফুটবল–বোধ। যেন মাঠে নামা, দেখা এবং জয়ের বন্দরে পৌঁছে যাওয়া—সবটাই এক নিমিষে।
ম্যাচের শুরু থেকেই আইসল্যান্ডের রক্ষণভাগকে চাপে রেখেছিল আলবিসেলেস্তেরা। প্রথমার্ধের ৭ মিনিটের মাথায় ভ্যালেন্তিন বারকোর গোলটি ছিল দেখার মতো। জিওভানি লো সেলসোর পাস থেকে তৈরি হওয়া সুযোগে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া বারকোর জোরাল শট আইসল্যান্ডের গোলরক্ষক এলিয়াস রাফিন ওলাফসনকে পরাস্ত করে জালে জড়ায়। জাতীয় দলের জার্সিতে এটি বারকোর দ্বিতীয় গোল। পুরো প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনার আধিপত্য থাকলেও গোল ব্যবধান বাড়াতে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় দ্বিতীয়ার্ধ পর্যন্ত।
দ্বিতীয়ার্ধের ৬৯তম মিনিটে যখন মেসি মাঠে নামলেন, গ্যালারিতে তখন গর্জনের চেয়েও বেশি ছিল প্রত্যাশার হাতছানি। মাঠে নামার পরপরই লাওতারো মার্তিনেজের উদ্দেশ্যে বাড়ানো তার একটি পাস থেকে পেনাল্টি আদায় করে নেয় আর্জেন্টিনা। পেনাল্টি স্পট থেকে মেসি ভুল করেননি। গোলটির সময় তখন ৭১.০৩ মিনিট। অর্থাৎ মাঠে নামার মাত্র ১১৯ সেকেন্ডেই গোল করে তিনি বুঝিয়ে দিলেন, বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার তুরুপের তাস তিনিই। এরপর ম্যাচের শেষ দিকে মেসির তৈরি করা আক্রমণ থেকেই তৃতীয় গোলটি করেন থিয়াগো আলমাদা।
৩-০ ব্যবধানের এই জয় কেবল একটি প্রস্তুতি ম্যাচের ফলাফল নয়, এটি যেন আসন্ন বিশ্ব আসরের জন্য আর্জেন্টিনার স্পষ্ট হুংকার। আগামী ১১ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া এই মহাযজ্ঞে ১৭ জুন আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে নিজেদের মূল অভিযান শুরু করবেন মেসিরা। প্রস্তুতির এই ছন্দে আত্মবিশ্বাসের যে তুঙ্গে আর্জেন্টিনা, তাতে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নে তারা যে কতটা বিভোর—আজকের ম্যাচেই তার প্রমাণ মিলল।
বিষয় : মেসি বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচ
2.png)
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
বিশ্বকাপের দামামা বেজে উঠেছে, আর ঠিক তার আগ মুহূর্তে নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার শেষ ম্যাচে আর্জেন্টিনা যে পারফরম্যান্স উপহার দিল, তা কোচ লিওনেল স্কালোনি ও ভক্তদের জন্য বড় স্বস্তি। পুরো ম্যাচের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে স্বাভাবিকভাবেই ছিলেন লিওনেল মেসি। বদলি হিসেবে মাঠে নামার মাত্র ১১৯ সেকেন্ডের মাথায় যখন পেনাল্টি থেকে গোল করে স্কোরবোর্ডে নিজের নাম লেখালেন, তখন বোঝা গেল—সময় ও পরিস্থিতির চেয়েও গতিময় তার ফুটবল–বোধ। যেন মাঠে নামা, দেখা এবং জয়ের বন্দরে পৌঁছে যাওয়া—সবটাই এক নিমিষে।
ম্যাচের শুরু থেকেই আইসল্যান্ডের রক্ষণভাগকে চাপে রেখেছিল আলবিসেলেস্তেরা। প্রথমার্ধের ৭ মিনিটের মাথায় ভ্যালেন্তিন বারকোর গোলটি ছিল দেখার মতো। জিওভানি লো সেলসোর পাস থেকে তৈরি হওয়া সুযোগে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া বারকোর জোরাল শট আইসল্যান্ডের গোলরক্ষক এলিয়াস রাফিন ওলাফসনকে পরাস্ত করে জালে জড়ায়। জাতীয় দলের জার্সিতে এটি বারকোর দ্বিতীয় গোল। পুরো প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনার আধিপত্য থাকলেও গোল ব্যবধান বাড়াতে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় দ্বিতীয়ার্ধ পর্যন্ত।
দ্বিতীয়ার্ধের ৬৯তম মিনিটে যখন মেসি মাঠে নামলেন, গ্যালারিতে তখন গর্জনের চেয়েও বেশি ছিল প্রত্যাশার হাতছানি। মাঠে নামার পরপরই লাওতারো মার্তিনেজের উদ্দেশ্যে বাড়ানো তার একটি পাস থেকে পেনাল্টি আদায় করে নেয় আর্জেন্টিনা। পেনাল্টি স্পট থেকে মেসি ভুল করেননি। গোলটির সময় তখন ৭১.০৩ মিনিট। অর্থাৎ মাঠে নামার মাত্র ১১৯ সেকেন্ডেই গোল করে তিনি বুঝিয়ে দিলেন, বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার তুরুপের তাস তিনিই। এরপর ম্যাচের শেষ দিকে মেসির তৈরি করা আক্রমণ থেকেই তৃতীয় গোলটি করেন থিয়াগো আলমাদা।
৩-০ ব্যবধানের এই জয় কেবল একটি প্রস্তুতি ম্যাচের ফলাফল নয়, এটি যেন আসন্ন বিশ্ব আসরের জন্য আর্জেন্টিনার স্পষ্ট হুংকার। আগামী ১১ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া এই মহাযজ্ঞে ১৭ জুন আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে নিজেদের মূল অভিযান শুরু করবেন মেসিরা। প্রস্তুতির এই ছন্দে আত্মবিশ্বাসের যে তুঙ্গে আর্জেন্টিনা, তাতে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নে তারা যে কতটা বিভোর—আজকের ম্যাচেই তার প্রমাণ মিলল।
2.png)