প্রবাস
নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল মাইগ্রেশন রিভিউ ফোরামের এক গুরুত্বপূর্ণ রাউন্ড টেবিল বৈঠকে বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় বৈশ্বিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার তাগিদ দিয়েছেন। বুধবার (৬ মে) অনুষ্ঠিত এই মাল্টি-স্টেকহোল্ডার রাউন্ড টেবিল-৪-এ সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালনকালে তিনি বিশ্বনেতাদের সামনে অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষার বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরেন।
তার বক্তব্যে একটি অত্যন্ত মানবিক ও গভীর পর্যবেক্ষণ উঠে এসেছে। মন্ত্রী স্পষ্টভাবেই জানিয়ে দিয়েছেন, অভিবাসী শ্রমিকদের কেবল ‘ব্যবহারযোগ্য শ্রমশক্তি’ হিসেবে দেখলে চলবে না। তাদের সবার আগে অধিকারসম্পন্ন মানুষ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা, অভিবাসন সংক্রান্ত উন্নত ও নির্ভুল তথ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং বৈষম্য ও ভ্রান্ত তথ্যের মোকাবিলা করা এখন সময়ের দাবি বলে তিনি মনে করেন।
এ লক্ষ্যে নির্ভুল, বিশ্লেষণভিত্তিক ও তুলনাযোগ্য অভিবাসন তথ্য সংগ্রহ, জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি, আন্তঃসংস্থা সমন্বয় জোরদার এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও মানবাধিকারের সুরক্ষার ওপর মন্ত্রী বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। বহুমুখী সেবাকেন্দ্র, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও কমিউনিটিভিত্তিক উদ্যোগের মাধ্যমে অভিবাসনের প্রতিটি পর্যায়ে সঠিক ও সময়োপযোগী তথ্য নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তাও তিনি তার বক্তব্যে তুলে ধরেন।
বিশেষ করে গৃহকর্মী, কৃষি ও অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকরা যে উচ্চ ঝুঁকির মধ্যে থাকেন, সেই বিষয়টি উল্লেখ করে আরিফুল হক চৌধুরী শোষণ ও অনিরাপদ কর্মপরিবেশ প্রতিরোধে অধিকারভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের আহ্বান জানান। পাশাপাশি জেনোফোবিয়া ও ভ্রান্ত তথ্যনির্ভর অভিবাসনবিরোধী প্রচারণা মোকাবিলায় জবাবদিহিতা, ডিজিটাল সাক্ষরতা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক জনআলোচনা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন।
দ্বিপাক্ষিক ও বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, মর্যাদা, সুরক্ষা ও সবার কল্যাণ নিশ্চিত করতে অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় ‘সমগ্র সরকার ও সমগ্র সমাজ’ ভিত্তিক সমন্বিত পদ্ধতি গ্রহণ অপরিহার্য। বাংলাদেশের এই অবস্থান অভিবাসন ইস্যুতে বিশ্বমঞ্চে মানবিক মূল্যবোধ ও ন্যায়বিচারের পক্ষে একটি শক্তিশালী বার্তা।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল মাইগ্রেশন রিভিউ ফোরামের এক গুরুত্বপূর্ণ রাউন্ড টেবিল বৈঠকে বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় বৈশ্বিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার তাগিদ দিয়েছেন। বুধবার (৬ মে) অনুষ্ঠিত এই মাল্টি-স্টেকহোল্ডার রাউন্ড টেবিল-৪-এ সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালনকালে তিনি বিশ্বনেতাদের সামনে অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষার বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরেন।
তার বক্তব্যে একটি অত্যন্ত মানবিক ও গভীর পর্যবেক্ষণ উঠে এসেছে। মন্ত্রী স্পষ্টভাবেই জানিয়ে দিয়েছেন, অভিবাসী শ্রমিকদের কেবল ‘ব্যবহারযোগ্য শ্রমশক্তি’ হিসেবে দেখলে চলবে না। তাদের সবার আগে অধিকারসম্পন্ন মানুষ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা, অভিবাসন সংক্রান্ত উন্নত ও নির্ভুল তথ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং বৈষম্য ও ভ্রান্ত তথ্যের মোকাবিলা করা এখন সময়ের দাবি বলে তিনি মনে করেন।
এ লক্ষ্যে নির্ভুল, বিশ্লেষণভিত্তিক ও তুলনাযোগ্য অভিবাসন তথ্য সংগ্রহ, জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি, আন্তঃসংস্থা সমন্বয় জোরদার এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও মানবাধিকারের সুরক্ষার ওপর মন্ত্রী বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। বহুমুখী সেবাকেন্দ্র, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও কমিউনিটিভিত্তিক উদ্যোগের মাধ্যমে অভিবাসনের প্রতিটি পর্যায়ে সঠিক ও সময়োপযোগী তথ্য নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তাও তিনি তার বক্তব্যে তুলে ধরেন।
বিশেষ করে গৃহকর্মী, কৃষি ও অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকরা যে উচ্চ ঝুঁকির মধ্যে থাকেন, সেই বিষয়টি উল্লেখ করে আরিফুল হক চৌধুরী শোষণ ও অনিরাপদ কর্মপরিবেশ প্রতিরোধে অধিকারভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের আহ্বান জানান। পাশাপাশি জেনোফোবিয়া ও ভ্রান্ত তথ্যনির্ভর অভিবাসনবিরোধী প্রচারণা মোকাবিলায় জবাবদিহিতা, ডিজিটাল সাক্ষরতা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক জনআলোচনা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন।
দ্বিপাক্ষিক ও বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, মর্যাদা, সুরক্ষা ও সবার কল্যাণ নিশ্চিত করতে অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় ‘সমগ্র সরকার ও সমগ্র সমাজ’ ভিত্তিক সমন্বিত পদ্ধতি গ্রহণ অপরিহার্য। বাংলাদেশের এই অবস্থান অভিবাসন ইস্যুতে বিশ্বমঞ্চে মানবিক মূল্যবোধ ও ন্যায়বিচারের পক্ষে একটি শক্তিশালী বার্তা।
