দেশে আন্তর্জাতিক অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে পেপ্যাল চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এতে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কর্মসংস্থান বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ তথ্য জানান। প্রশ্নটি করেন নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আজিজ।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাত সম্প্রসারণে বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে আগামী পাঁচ বছরে দুই লাখ ফ্রিল্যান্সারকে আইডি কার্ড দেওয়া হবে। পাশাপাশি নতুন করে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আরও দক্ষ জনবল তৈরি করা হবে। ইতোমধ্যে ৭ হাজার ৫০০ জন ফ্রিল্যান্সারকে আইডি কার্ড দেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, পেপ্যাল চালুর জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে হাই-টেক পার্ক, সফটওয়্যার পার্ক ও আইসিটি সেন্টারগুলো কার্যকরভাবে পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের মাধ্যমে পাঁচ বছরে ২০টি ব্যাচে প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এছাড়া ৫ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রার্থীকে এআই, মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট, পাইথন প্রোগ্রামিং, ডাটা অ্যানালিটিক্স ও সাইবার সিকিউরিটি বিষয়ে স্বল্পমেয়াদি কোর্স করানো হবে। এক বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ও পোস্টগ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমার ব্যবস্থাও থাকবে।
এছাড়া প্রায় ৭০০ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিকে বেসিক কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। একই সংখ্যক নারী উদ্যোক্তাকে দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, যাতে তারা কর্মসংস্থানের সুযোগ পান।

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
দেশে আন্তর্জাতিক অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে পেপ্যাল চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এতে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কর্মসংস্থান বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ তথ্য জানান। প্রশ্নটি করেন নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আজিজ।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাত সম্প্রসারণে বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে আগামী পাঁচ বছরে দুই লাখ ফ্রিল্যান্সারকে আইডি কার্ড দেওয়া হবে। পাশাপাশি নতুন করে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আরও দক্ষ জনবল তৈরি করা হবে। ইতোমধ্যে ৭ হাজার ৫০০ জন ফ্রিল্যান্সারকে আইডি কার্ড দেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, পেপ্যাল চালুর জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে হাই-টেক পার্ক, সফটওয়্যার পার্ক ও আইসিটি সেন্টারগুলো কার্যকরভাবে পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের মাধ্যমে পাঁচ বছরে ২০টি ব্যাচে প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এছাড়া ৫ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রার্থীকে এআই, মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট, পাইথন প্রোগ্রামিং, ডাটা অ্যানালিটিক্স ও সাইবার সিকিউরিটি বিষয়ে স্বল্পমেয়াদি কোর্স করানো হবে। এক বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ও পোস্টগ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমার ব্যবস্থাও থাকবে।
এছাড়া প্রায় ৭০০ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিকে বেসিক কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। একই সংখ্যক নারী উদ্যোক্তাকে দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, যাতে তারা কর্মসংস্থানের সুযোগ পান।
