বানিজ্য
ফল আমদানির ক্ষেত্রে ঋণপত্র বা এলসি খোলার সময় ১০০ শতাংশ নগদ মার্জিন সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা তুলে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও গ্রাহকের পারস্পরিক সম্পর্ক বিবেচনায় নিয়ে নগদ মার্জিনের হার নির্ধারণ করা যাবে।
রোববার (১৬ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ এ বিষয়ে একটি সার্কুলার লেটার জারি করেছে। এতে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতার মধ্যে দেশের মুদ্রা ও ঋণ ব্যবস্থাপনা আরও সুসংহত রাখতে ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। ওই নির্দেশনায় বিলাসজাতীয় পণ্য এবং দেশে উৎপাদিত বিকল্প রয়েছে—এমন পণ্য আমদানির এলসি খোলার সময় ১০০ শতাংশ নগদ মার্জিন রাখার বাধ্যবাধকতা দেওয়া হয়। ফলও ছিল ওই তালিকায়।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার ও বৈদেশিক লেনদেনে কাঙ্ক্ষিত স্থিতিশীলতা ধীরে ধীরে ফিরছে বলে মনে করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ কারণে ফল আমদানির ক্ষেত্রে আগের মতো ১০০ শতাংশ নগদ মার্জিন রাখার প্রয়োজনীয়তা কমেছে।
নতুন নির্দেশনায় জনস্বাস্থ্য ও পুষ্টির চাহিদা পূরণ, ফল আমদানির প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রতিযোগিতামূলক বাজারের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সরবরাহ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ জন্য ফল আমদানির এলসি খোলার ক্ষেত্রে নগদ মার্জিনের হার নির্ধারণের বিষয়টি ব্যাংক ও গ্রাহকের সম্পর্কের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
তবে ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর জারি করা মূল সার্কুলার লেটারের অন্যান্য নির্দেশনা বহাল থাকবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নির্দেশনা রোববার থেকেই কার্যকর হয়েছে।
বিষয় : ফল আমদানি নগদ মার্জিন বাতিল
2.png)
রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
ফল আমদানির ক্ষেত্রে ঋণপত্র বা এলসি খোলার সময় ১০০ শতাংশ নগদ মার্জিন সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা তুলে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও গ্রাহকের পারস্পরিক সম্পর্ক বিবেচনায় নিয়ে নগদ মার্জিনের হার নির্ধারণ করা যাবে।
রোববার (১৬ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ এ বিষয়ে একটি সার্কুলার লেটার জারি করেছে। এতে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতার মধ্যে দেশের মুদ্রা ও ঋণ ব্যবস্থাপনা আরও সুসংহত রাখতে ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। ওই নির্দেশনায় বিলাসজাতীয় পণ্য এবং দেশে উৎপাদিত বিকল্প রয়েছে—এমন পণ্য আমদানির এলসি খোলার সময় ১০০ শতাংশ নগদ মার্জিন রাখার বাধ্যবাধকতা দেওয়া হয়। ফলও ছিল ওই তালিকায়।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার ও বৈদেশিক লেনদেনে কাঙ্ক্ষিত স্থিতিশীলতা ধীরে ধীরে ফিরছে বলে মনে করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ কারণে ফল আমদানির ক্ষেত্রে আগের মতো ১০০ শতাংশ নগদ মার্জিন রাখার প্রয়োজনীয়তা কমেছে।
নতুন নির্দেশনায় জনস্বাস্থ্য ও পুষ্টির চাহিদা পূরণ, ফল আমদানির প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রতিযোগিতামূলক বাজারের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সরবরাহ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ জন্য ফল আমদানির এলসি খোলার ক্ষেত্রে নগদ মার্জিনের হার নির্ধারণের বিষয়টি ব্যাংক ও গ্রাহকের সম্পর্কের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
তবে ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর জারি করা মূল সার্কুলার লেটারের অন্যান্য নির্দেশনা বহাল থাকবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নির্দেশনা রোববার থেকেই কার্যকর হয়েছে।
2.png)