খেলাখেলা

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইতিহাস গড়লো টাইগাররা, ৯ উইকেটে ৪ দিনেই টেস্ট জয়

ডারউইন টেস্টে চতুর্থ দিনেই অস্ট্রেলিয়াকে হারাল বাংলাদেশ। মিরাজের ঘূর্ণিতে গুটিয়ে গেল স্বাগতিকদের ইনিংস, ৫৭ রানের লক্ষ্য পেরিয়ে ৯ উইকেটের জয় শান্তদের।

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইতিহাস গড়লো টাইগাররা,  ৯ উইকেটে ৪ দিনেই টেস্ট জয়
ছবি -সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২৩ বছর পর টেস্ট খেলতে নেমে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ। ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে চতুর্থ দিনেই অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। ৫৭ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে তানজিদ হাসান দ্রুত ফিরে গেলেও সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হকের ব্যাটে অনায়াসে জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল সফরকারীরা।

অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংস থেমেছে ২৮৪ রানে। ক্যামেরন গ্রিনের ১০৪ রানের লড়াকু সেঞ্চুরি ইনিংস হার এড়ালেও বাংলাদেশের জয়ের পথ আটকে রাখতে পারেনি। দিনের শুরুতে ৬ উইকেট হাতে নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামা অস্ট্রেলিয়া প্রথম সেশনেই হারিয়েছে তিনটি উইকেট। তিনটিই নিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

চতুর্থ দিনের সকালের উইকেট যেন মিরাজের জন্য আরও সহায়ক হয়ে উঠেছিল। অফ স্টাম্পের বাইরে তৈরি হওয়া ফুটমার্ক কাজে লাগিয়ে তিনি বল করেছেন টার্ন ও বাউন্সের মিশেলে। ৬০তম ওভারে তাঁর বাঁক নেওয়া বলে ব্যাটের কানায় লেগে ক্যাচ দেন অ্যালেক্স ক্যারি। এরপর বো ওয়েবস্টার, প্যাট কামিন্স ও নাথান লায়নকে ফিরিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের শেষটাও টেনে আনেন এই অফস্পিনার।

মিরাজ ৬৬ রান দিয়ে নেন ৫ উইকেট। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তাঁর ১৫তম পাঁচ উইকেটের কীর্তি। প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেট নেওয়া হাসান মাহমুদও ছিলেন দুর্দান্ত। দুই ইনিংস মিলিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ৯টি উইকেটই নিয়েছেন এই দুই বোলার।

লাঞ্চের সময় অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ছিল ৭ উইকেটে ২৪৩ রান। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের ৪২৬ রানের জবাবে তখনও ১৫ রানে এগিয়ে স্বাগতিকেরা, হাতে ছিল তিন উইকেট। ইনিংস হার এড়ানোর কাজ অবশ্য আগেই হয়ে গিয়েছিল। এরপর লাঞ্চের পর ১১.১ ওভার টিকতে পারেনি অস্ট্রেলিয়ার শেষ তিন ব্যাটসম্যান।

গ্রিন ছিলেন ব্যতিক্রম। এক প্রান্ত আগলে রেখে ১০৪ রান করেন তিনি। তাঁর সেঞ্চুরির সুবাদেই অস্ট্রেলিয়া ২৮৪ পর্যন্ত পৌঁছায়। তবে অন্য প্রান্তে একের পর এক উইকেট পড়তে থাকায় বড় লক্ষ্য দাঁড় করানোর সুযোগ পায়নি স্বাগতিকেরা।

মিরাজের বোলিংয়ের পরিকল্পনাটাও ছিল বেশ পরিষ্কার। লাঞ্চের সময় সাবেক অস্ট্রেলিয়ান পেসার ও ধারাভাষ্যকার ব্রেন্ডন জুলিয়ানকে তিনি জানান, অফ স্টাম্পের বাইরে ফুটমার্কে বল রাখাই ছিল তাঁর মূল লক্ষ্য। প্রতি ওভারে উইকেট নেওয়ার চেষ্টা না করে একই জায়গায় নিয়ন্ত্রিত বোলিং করে যাওয়াকেই তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন। দ্বিতীয় সেশনেও সেই পরিকল্পনা থেকে সরে যাননি।

শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় মাত্র ৫৭ রান। প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করা তানজিদ হাসান অবশ্য দ্বিতীয় ইনিংসে বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই জস হ্যাজলউডের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন তিনি।

এরপর আর কোনো বিপদ হতে দেননি সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হক। দ্বিতীয় উইকেটে ৫৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ম্যাচ শেষ করে দেন দুজন। সাদমান অপরাজিত থাকেন ২৫ রানে, মুমিনুলের ব্যাট থেকে আসে ৩০ রান। ওয়েবস্টারের বলে ডিপ ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়ে চার মেরে জয়সূচক রানটি করেন মুমিনুল।

সঙ্গে সঙ্গে গ্যালারি থেকে ভেসে আসে ‘বাংলাদেশ, বাংলাদেশ’ ধ্বনি। অস্ট্রেলিয়ায় থাকা বাংলাদেশি সমর্থকদের উচ্ছ্বাসে মুহূর্তেই বদলে যায় মারারা স্টেডিয়ামের আবহ। বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা মাঠে একে অন্যকে জড়িয়ে ধরে উদযাপন করেন। অস্ট্রেলিয়ার ড্রেসিংরুম থেকে প্রেসবক্স—চারপাশে তখন পরাজয়ের নীরবতা।

চতুর্থ দিনে দর্শকসংখ্যাও ছিল কম। ম্যাচের আগের দিনগুলোর তুলনায় গ্যালারি ছিল অনেকটাই ফাঁকা। এমনকি স্টেডিয়ামের প্রিমিয়াম এক্সপেরিয়েন্স লাউঞ্জও ছিল জনশূন্য। আগের দিনগুলোতে যেখানে সাবেক ক্রিকেটার, কর্মকর্তা ও স্থানীয় অতিথিদের উপস্থিতিতে জমজমাট ছিল আয়োজন, সেদিন সেখানে ছিল না কোনো খাবারের আয়োজনও।

ম্যাচ চতুর্থ দিনে গড়াবে—এমন প্রত্যাশা অস্ট্রেলিয়ার দর্শকদের মধ্যেই ছিল না। তৃতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের অবস্থান দেখে অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন, টেস্ট শেষ হয়ে যাবে সেখানেই। শেষ পর্যন্ত চতুর্থ দিন পর্যন্ত খেলা গড়াল ঠিকই, তবে ফল বদলানোর মতো কোনো সুযোগ আর তৈরি করতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া।

ডারউইনে এই জয় বাংলাদেশের জন্য অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে দ্বিতীয় টেস্ট জয়। এর আগে ২০১৭ সালে মিরপুরে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। এবার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতেই এল আরও বড় অর্জন—৯ উইকেটের জয়, তাও ম্যাচ শেষ হওয়ার এক দিনেরও বেশি সময় বাকি থাকতে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

অস্ট্রেলিয়া: ১৯৮ ও ২৮৪ (ক্যামেরন গ্রিন ১০৪, স্টিভ স্মিথ ৪৪, মারনাস লাবুশেন ৩১, অ্যালেক্স ক্যারি ৩০, মিচেল স্টার্ক ১৮, নাথান লায়ন ১৫; মিরাজ ৫/৬৬, হাসান মাহমুদ ৩/৫৬, তাসকিন আহমেদ ১/৬৬, তাইজুল ইসলাম ১/৫১, ইবাদত হোসেন ০/৩৮)।

বাংলাদেশ: ৪২৬ ও ১/৫৭ (মুমিনুল হক ৩০*, সাদমান ইসলাম ২৫*, তানজিদ হাসান ০; জস হ্যাজলউড ১/৫, মিচেল স্টার্ক ০/১৫, নাথান লায়ন ০/২৩)।

ফল: বাংলাদেশ ৯ উইকেটে জয়ী।

ম্যাচসেরা: হাসান মাহমুদ।

সিরিজ: দুই ম্যাচের সিরিজে বাংলাদেশ ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে।

বিষয় : বাংলাদেশ ডারউইন টেস্ট জয়

কাল মহাকাল

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬


অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইতিহাস গড়লো টাইগাররা, ৯ উইকেটে ৪ দিনেই টেস্ট জয়

প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬

featured Image

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২৩ বছর পর টেস্ট খেলতে নেমে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ। ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে চতুর্থ দিনেই অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। ৫৭ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে তানজিদ হাসান দ্রুত ফিরে গেলেও সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হকের ব্যাটে অনায়াসে জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল সফরকারীরা।

অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংস থেমেছে ২৮৪ রানে। ক্যামেরন গ্রিনের ১০৪ রানের লড়াকু সেঞ্চুরি ইনিংস হার এড়ালেও বাংলাদেশের জয়ের পথ আটকে রাখতে পারেনি। দিনের শুরুতে ৬ উইকেট হাতে নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামা অস্ট্রেলিয়া প্রথম সেশনেই হারিয়েছে তিনটি উইকেট। তিনটিই নিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

চতুর্থ দিনের সকালের উইকেট যেন মিরাজের জন্য আরও সহায়ক হয়ে উঠেছিল। অফ স্টাম্পের বাইরে তৈরি হওয়া ফুটমার্ক কাজে লাগিয়ে তিনি বল করেছেন টার্ন ও বাউন্সের মিশেলে। ৬০তম ওভারে তাঁর বাঁক নেওয়া বলে ব্যাটের কানায় লেগে ক্যাচ দেন অ্যালেক্স ক্যারি। এরপর বো ওয়েবস্টার, প্যাট কামিন্স ও নাথান লায়নকে ফিরিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের শেষটাও টেনে আনেন এই অফস্পিনার।

মিরাজ ৬৬ রান দিয়ে নেন ৫ উইকেট। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তাঁর ১৫তম পাঁচ উইকেটের কীর্তি। প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেট নেওয়া হাসান মাহমুদও ছিলেন দুর্দান্ত। দুই ইনিংস মিলিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ৯টি উইকেটই নিয়েছেন এই দুই বোলার।

লাঞ্চের সময় অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ছিল ৭ উইকেটে ২৪৩ রান। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের ৪২৬ রানের জবাবে তখনও ১৫ রানে এগিয়ে স্বাগতিকেরা, হাতে ছিল তিন উইকেট। ইনিংস হার এড়ানোর কাজ অবশ্য আগেই হয়ে গিয়েছিল। এরপর লাঞ্চের পর ১১.১ ওভার টিকতে পারেনি অস্ট্রেলিয়ার শেষ তিন ব্যাটসম্যান।

গ্রিন ছিলেন ব্যতিক্রম। এক প্রান্ত আগলে রেখে ১০৪ রান করেন তিনি। তাঁর সেঞ্চুরির সুবাদেই অস্ট্রেলিয়া ২৮৪ পর্যন্ত পৌঁছায়। তবে অন্য প্রান্তে একের পর এক উইকেট পড়তে থাকায় বড় লক্ষ্য দাঁড় করানোর সুযোগ পায়নি স্বাগতিকেরা।

মিরাজের বোলিংয়ের পরিকল্পনাটাও ছিল বেশ পরিষ্কার। লাঞ্চের সময় সাবেক অস্ট্রেলিয়ান পেসার ও ধারাভাষ্যকার ব্রেন্ডন জুলিয়ানকে তিনি জানান, অফ স্টাম্পের বাইরে ফুটমার্কে বল রাখাই ছিল তাঁর মূল লক্ষ্য। প্রতি ওভারে উইকেট নেওয়ার চেষ্টা না করে একই জায়গায় নিয়ন্ত্রিত বোলিং করে যাওয়াকেই তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন। দ্বিতীয় সেশনেও সেই পরিকল্পনা থেকে সরে যাননি।

শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় মাত্র ৫৭ রান। প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করা তানজিদ হাসান অবশ্য দ্বিতীয় ইনিংসে বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই জস হ্যাজলউডের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন তিনি।

এরপর আর কোনো বিপদ হতে দেননি সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হক। দ্বিতীয় উইকেটে ৫৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ম্যাচ শেষ করে দেন দুজন। সাদমান অপরাজিত থাকেন ২৫ রানে, মুমিনুলের ব্যাট থেকে আসে ৩০ রান। ওয়েবস্টারের বলে ডিপ ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়ে চার মেরে জয়সূচক রানটি করেন মুমিনুল।

সঙ্গে সঙ্গে গ্যালারি থেকে ভেসে আসে ‘বাংলাদেশ, বাংলাদেশ’ ধ্বনি। অস্ট্রেলিয়ায় থাকা বাংলাদেশি সমর্থকদের উচ্ছ্বাসে মুহূর্তেই বদলে যায় মারারা স্টেডিয়ামের আবহ। বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা মাঠে একে অন্যকে জড়িয়ে ধরে উদযাপন করেন। অস্ট্রেলিয়ার ড্রেসিংরুম থেকে প্রেসবক্স—চারপাশে তখন পরাজয়ের নীরবতা।

চতুর্থ দিনে দর্শকসংখ্যাও ছিল কম। ম্যাচের আগের দিনগুলোর তুলনায় গ্যালারি ছিল অনেকটাই ফাঁকা। এমনকি স্টেডিয়ামের প্রিমিয়াম এক্সপেরিয়েন্স লাউঞ্জও ছিল জনশূন্য। আগের দিনগুলোতে যেখানে সাবেক ক্রিকেটার, কর্মকর্তা ও স্থানীয় অতিথিদের উপস্থিতিতে জমজমাট ছিল আয়োজন, সেদিন সেখানে ছিল না কোনো খাবারের আয়োজনও।

ম্যাচ চতুর্থ দিনে গড়াবে—এমন প্রত্যাশা অস্ট্রেলিয়ার দর্শকদের মধ্যেই ছিল না। তৃতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের অবস্থান দেখে অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন, টেস্ট শেষ হয়ে যাবে সেখানেই। শেষ পর্যন্ত চতুর্থ দিন পর্যন্ত খেলা গড়াল ঠিকই, তবে ফল বদলানোর মতো কোনো সুযোগ আর তৈরি করতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া।

ডারউইনে এই জয় বাংলাদেশের জন্য অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে দ্বিতীয় টেস্ট জয়। এর আগে ২০১৭ সালে মিরপুরে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। এবার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতেই এল আরও বড় অর্জন—৯ উইকেটের জয়, তাও ম্যাচ শেষ হওয়ার এক দিনেরও বেশি সময় বাকি থাকতে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

অস্ট্রেলিয়া: ১৯৮ ও ২৮৪ (ক্যামেরন গ্রিন ১০৪, স্টিভ স্মিথ ৪৪, মারনাস লাবুশেন ৩১, অ্যালেক্স ক্যারি ৩০, মিচেল স্টার্ক ১৮, নাথান লায়ন ১৫; মিরাজ ৫/৬৬, হাসান মাহমুদ ৩/৫৬, তাসকিন আহমেদ ১/৬৬, তাইজুল ইসলাম ১/৫১, ইবাদত হোসেন ০/৩৮)।

বাংলাদেশ: ৪২৬ ও ১/৫৭ (মুমিনুল হক ৩০*, সাদমান ইসলাম ২৫*, তানজিদ হাসান ০; জস হ্যাজলউড ১/৫, মিচেল স্টার্ক ০/১৫, নাথান লায়ন ০/২৩)।

ফল: বাংলাদেশ ৯ উইকেটে জয়ী।

ম্যাচসেরা: হাসান মাহমুদ।

সিরিজ: দুই ম্যাচের সিরিজে বাংলাদেশ ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে।


কাল মহাকাল

সম্পাদকঃ  মোঃ ফখরুল ইসলাম রাজীব 

কপিরাইট © ২০২৬ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত