ঢাকা
পুরান ঢাকার সদরঘাটে চাঁদাবাজির টাকা ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে মিতুল নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৫ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে সূত্রাপুর থানার ইস্ট বেঙ্গল সুপার মার্কেটে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মিতুল কোতোয়ালি থানার ৩৭ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য বলে জানা গেছে। তাঁর পিতার নাম মো. রাসেল সরদার। বাড়ি ঝালকাঠি জেলার ঝালকাঠি থানার সাহাবাঙ্গল গ্রামে। তাঁর মরদেহ বর্তমানে মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য, সাবেক যুবদল নেতা সোবহান এবং সাবেক ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কিরণ—দুজনই ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মো. সুমন ভূঁইয়ার অনুসারী হিসেবে পরিচিত। তাঁরা দুজনই কোতোয়ালি থানা যুবদলের পদপ্রত্যাশী। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের মধ্যে বিরোধ চলছিল।
শনিবার রাতে চাঁদাবাজির টাকা ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে সেই বিরোধ থেকে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে বলে স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে। সংঘর্ষের একপর্যায়ে কিরণ গ্রুপের মিতুলকে কাপড় কাটার কাচি দিয়ে বুকে আঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। পরে মিতুলের মরদেহ মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হয়।
এদিকে খবর পেয়ে নিহতের স্বজনসহ প্রায় ৮০ থেকে ১০০ জন বিক্ষুব্ধ ব্যক্তি মিটফোর্ড হাসপাতালে জড়ো হন। সেখানে তাঁরা বিভিন্ন স্লোগান দেন।
ঘটনার বিষয়ে মো. সুমন ভূঁইয়ার বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এরা আমার সমর্থক নয়। তবে মাঝে মাঝে বিভিন্ন মিছিল-মিটিংয়ে থাকে। আমি শারীরিকভাবে অসুস্থ। বিস্তারিত জানতে পারিনি।’
সূত্রাপুর থানার অপারেশন ইনচার্জ মতিউর রহমান বলেন, ইস্ট বেঙ্গল মার্কেটের ১৩ তলায় থাকা শ্রমিকদের মধ্যে আগে থেকেই কোনো বিরোধ ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। পূর্বশত্রুতার জেরেই এক ব্যক্তিকে কাপড় কাটার কাচি দিয়ে আঘাত করা হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
2.png)
রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
পুরান ঢাকার সদরঘাটে চাঁদাবাজির টাকা ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে মিতুল নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৫ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে সূত্রাপুর থানার ইস্ট বেঙ্গল সুপার মার্কেটে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মিতুল কোতোয়ালি থানার ৩৭ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য বলে জানা গেছে। তাঁর পিতার নাম মো. রাসেল সরদার। বাড়ি ঝালকাঠি জেলার ঝালকাঠি থানার সাহাবাঙ্গল গ্রামে। তাঁর মরদেহ বর্তমানে মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য, সাবেক যুবদল নেতা সোবহান এবং সাবেক ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কিরণ—দুজনই ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মো. সুমন ভূঁইয়ার অনুসারী হিসেবে পরিচিত। তাঁরা দুজনই কোতোয়ালি থানা যুবদলের পদপ্রত্যাশী। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের মধ্যে বিরোধ চলছিল।
শনিবার রাতে চাঁদাবাজির টাকা ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে সেই বিরোধ থেকে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে বলে স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে। সংঘর্ষের একপর্যায়ে কিরণ গ্রুপের মিতুলকে কাপড় কাটার কাচি দিয়ে বুকে আঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। পরে মিতুলের মরদেহ মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হয়।
এদিকে খবর পেয়ে নিহতের স্বজনসহ প্রায় ৮০ থেকে ১০০ জন বিক্ষুব্ধ ব্যক্তি মিটফোর্ড হাসপাতালে জড়ো হন। সেখানে তাঁরা বিভিন্ন স্লোগান দেন।
ঘটনার বিষয়ে মো. সুমন ভূঁইয়ার বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এরা আমার সমর্থক নয়। তবে মাঝে মাঝে বিভিন্ন মিছিল-মিটিংয়ে থাকে। আমি শারীরিকভাবে অসুস্থ। বিস্তারিত জানতে পারিনি।’
সূত্রাপুর থানার অপারেশন ইনচার্জ মতিউর রহমান বলেন, ইস্ট বেঙ্গল মার্কেটের ১৩ তলায় থাকা শ্রমিকদের মধ্যে আগে থেকেই কোনো বিরোধ ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। পূর্বশত্রুতার জেরেই এক ব্যক্তিকে কাপড় কাটার কাচি দিয়ে আঘাত করা হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
2.png)