জাতীয়
কাঠ পুড়িয়ে ইট তৈরি করা কোনো ইটভাটা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক (ডিসি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
শনিবার বিকেলে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার হাজারিখিল অভয়ারণ্য পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, কাঠ পুড়িয়ে ইট তৈরির কোনো ঘটনা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক ও পরিবেশ কর্মকর্তাদের জবাবদিহি করতে হবে। এ ধরনের ইটভাটার বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থান নেবে।
পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী জানান, চট্টগ্রামে এরই মধ্যে ২৩ লাখ ৫৫ হাজার গাছ লাগানো হয়েছে। ফটিকছড়ি ও হাটহাজারীতেও বৃক্ষরোপণ এবং গাছ সংরক্ষণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ রেখে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে।
তিনি বলেন, মানুষকে পরিবেশ রক্ষায় সচেতন করার পাশাপাশি সরকারি উদ্যোগগুলো ঠিকভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে কি না, তা দেখতে মাঠপর্যায়ে পরিদর্শন করা হচ্ছে।
হালদা নদী থেকে বালু উত্তোলনের প্রসঙ্গে শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে আলোচনা চলছে। নদী, প্রাণী ও প্রকৃতি রক্ষায় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বন উজাড় ও গাছ পাচার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষায় সরকার আন্তরিক। পরিবেশের ক্ষতি করে এমন কোনো কর্মকাণ্ড মেনে নেওয়া হবে না। বন বিভাগের জমি দখল করে রাখা ব্যক্তিদের উচ্ছেদেও অভিযান চলছে।
শিপইয়ার্ডে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি নিয়েও কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, শিপইয়ার্ডে প্রাণহানির ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। এটি ঝুঁকিপূর্ণ একটি শিল্প হওয়ায় সংশ্লিষ্টদের আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে হবে। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানো সম্ভব হবে।
পুরোনো পদ্ধতির পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব শিপইয়ার্ড ব্যবস্থা চালুর বিষয়েও শিল্প মালিকদের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানান তিনি। এ জন্য তাঁদের প্রয়োজনীয় সময় দেওয়া হচ্ছে।
এ সময় চট্টগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীর, ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মুহাম্মদ ইব্রাহীম, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এবং বন বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
2.png)
রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬
কাঠ পুড়িয়ে ইট তৈরি করা কোনো ইটভাটা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক (ডিসি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
শনিবার বিকেলে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার হাজারিখিল অভয়ারণ্য পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, কাঠ পুড়িয়ে ইট তৈরির কোনো ঘটনা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক ও পরিবেশ কর্মকর্তাদের জবাবদিহি করতে হবে। এ ধরনের ইটভাটার বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থান নেবে।
পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী জানান, চট্টগ্রামে এরই মধ্যে ২৩ লাখ ৫৫ হাজার গাছ লাগানো হয়েছে। ফটিকছড়ি ও হাটহাজারীতেও বৃক্ষরোপণ এবং গাছ সংরক্ষণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ রেখে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে।
তিনি বলেন, মানুষকে পরিবেশ রক্ষায় সচেতন করার পাশাপাশি সরকারি উদ্যোগগুলো ঠিকভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে কি না, তা দেখতে মাঠপর্যায়ে পরিদর্শন করা হচ্ছে।
হালদা নদী থেকে বালু উত্তোলনের প্রসঙ্গে শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে আলোচনা চলছে। নদী, প্রাণী ও প্রকৃতি রক্ষায় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বন উজাড় ও গাছ পাচার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষায় সরকার আন্তরিক। পরিবেশের ক্ষতি করে এমন কোনো কর্মকাণ্ড মেনে নেওয়া হবে না। বন বিভাগের জমি দখল করে রাখা ব্যক্তিদের উচ্ছেদেও অভিযান চলছে।
শিপইয়ার্ডে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি নিয়েও কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, শিপইয়ার্ডে প্রাণহানির ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। এটি ঝুঁকিপূর্ণ একটি শিল্প হওয়ায় সংশ্লিষ্টদের আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে হবে। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানো সম্ভব হবে।
পুরোনো পদ্ধতির পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব শিপইয়ার্ড ব্যবস্থা চালুর বিষয়েও শিল্প মালিকদের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানান তিনি। এ জন্য তাঁদের প্রয়োজনীয় সময় দেওয়া হচ্ছে।
এ সময় চট্টগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীর, ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মুহাম্মদ ইব্রাহীম, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এবং বন বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
2.png)