জাতীয়
দেশের বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট সমাধানে বিরোধী কোনো রাজনৈতিক দলের কাছে সরকারের চেয়ে ভালো পরিকল্পনা থাকলে তা গ্রহণ করে বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে পরিকল্পনার বদলে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে অপপ্রচার চালানো হলে সংশ্লিষ্টদের জনগণের কাছেই ক্ষমা চাইতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আজ শনিবার রাজধানীর মহাখালীর টিঅ্যান্ডটি মাঠে দেশনেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে দুস্থ, অসহায় ও অসুস্থ মানুষের মধ্যে চেক বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
তারেক রহমান বলেন, দেশের মানুষ নিজেদের ভাগ্যের পরিবর্তন দেখতে চায়। তারা চায়, প্রিয় মাতৃভূমি ধীরে ধীরে উন্নতির পথে এগিয়ে যাক। এই লক্ষ্য পূরণে দেশের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে কর্মী ও শ্রমিকের হাতে পরিণত করতে হবে।
রাজনীতিবিদদের দায়িত্বের প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণকে বিভ্রান্ত করা রাজনীতিবিদের কাজ নয়। মানুষের মধ্যে ধৈর্য তৈরি করা এবং সঠিক পথ দেখানোই তাদের দায়িত্ব।
দেশে বিশৃঙ্খলার রাজনীতির অবসান হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, মিথ্যাচার ও বিশৃঙ্খলার রাজনীতি স্বৈরাচার সরকার করে গেছে। বর্তমান রাজনীতিবিদেরা জনগণের কাছে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তাই হঠকারিতা ও বিভ্রান্তির রাজনীতি বাদ দিয়ে মানুষের কল্যাণে কার্যকর পরিকল্পনা সামনে আনতে হবে।
তিনি বলেন, রাস্তায় দাঁড়িয়ে ভাঙচুর করার রাজনীতির সময় এখন নেই। জনগণও এ ধরনের রাজনীতিকে আর সমর্থন করে না।
ঢাকা-১৭ আসনের প্রসঙ্গ তুলে তারেক রহমান বলেন, এই আসনে বিএনপির প্রতিনিধিরা জনগণের সেবায় কাজ করছেন। পাশের লেকটি পরিষ্কার করতেই ছয় মাস সময় লেগেছে। এ ধরনের কাজ সহজ নয়, তবে সমালোচনা করা সহজ। যারা সমালোচনায় ব্যস্ত, তাদের মাঠে নেমে মানুষের জন্য কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
তারেক রহমান বলেন, মানুষ ও দেশের স্বার্থে কাজ করতে হবে, সঠিক কথা বলতে হবে। এমন কোনো বক্তব্য দেওয়া উচিত নয়, যাতে দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়।
বিএনপির নেতা-কর্মীদের অতীত আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করে বিএনপির নেতা-কর্মীরা রাজপথে টিকে ছিলেন। অথচ যারা এখন বড় গলায় কথা বলছেন ও মিথ্যাচার করছেন, গত ১৭ বছরে তাদের রাজপথে দেখা যায়নি। দেশের বড় পত্রিকাগুলোর প্রতিবেদন দেখলেই বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপর নির্যাতন, গুম, হত্যা ও মারধরের ঘটনাগুলো সম্পর্কে জানা যায়।
একটি রাজনৈতিক দলের অতীত কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, দলটির নেতারা ১৯৭১ সালে ভুল করেছেন, ১৯৮৬ সালে ভুল করেছেন, ১৯৯৬ সালেও ভুল করেছেন। ২০২৬ সালেও তারা মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি ওই রাজনৈতিক দলের প্রতি উসকানির রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, মানুষের উপকারে কোনো পরিকল্পনা থাকলে তা সংসদে উপস্থাপন করতে হবে এবং জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। ভালো পরিকল্পনা হলে সরকার সেই অনুযায়ী কাজ করবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-২ এবং ঢাকা-১৭ আসনের প্রতিনিধি আবদুর রহমান সানী।
বিষয় : তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী
2.png)
রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬
দেশের বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট সমাধানে বিরোধী কোনো রাজনৈতিক দলের কাছে সরকারের চেয়ে ভালো পরিকল্পনা থাকলে তা গ্রহণ করে বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে পরিকল্পনার বদলে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে অপপ্রচার চালানো হলে সংশ্লিষ্টদের জনগণের কাছেই ক্ষমা চাইতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আজ শনিবার রাজধানীর মহাখালীর টিঅ্যান্ডটি মাঠে দেশনেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে দুস্থ, অসহায় ও অসুস্থ মানুষের মধ্যে চেক বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
তারেক রহমান বলেন, দেশের মানুষ নিজেদের ভাগ্যের পরিবর্তন দেখতে চায়। তারা চায়, প্রিয় মাতৃভূমি ধীরে ধীরে উন্নতির পথে এগিয়ে যাক। এই লক্ষ্য পূরণে দেশের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে কর্মী ও শ্রমিকের হাতে পরিণত করতে হবে।
রাজনীতিবিদদের দায়িত্বের প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণকে বিভ্রান্ত করা রাজনীতিবিদের কাজ নয়। মানুষের মধ্যে ধৈর্য তৈরি করা এবং সঠিক পথ দেখানোই তাদের দায়িত্ব।
দেশে বিশৃঙ্খলার রাজনীতির অবসান হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, মিথ্যাচার ও বিশৃঙ্খলার রাজনীতি স্বৈরাচার সরকার করে গেছে। বর্তমান রাজনীতিবিদেরা জনগণের কাছে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তাই হঠকারিতা ও বিভ্রান্তির রাজনীতি বাদ দিয়ে মানুষের কল্যাণে কার্যকর পরিকল্পনা সামনে আনতে হবে।
তিনি বলেন, রাস্তায় দাঁড়িয়ে ভাঙচুর করার রাজনীতির সময় এখন নেই। জনগণও এ ধরনের রাজনীতিকে আর সমর্থন করে না।
ঢাকা-১৭ আসনের প্রসঙ্গ তুলে তারেক রহমান বলেন, এই আসনে বিএনপির প্রতিনিধিরা জনগণের সেবায় কাজ করছেন। পাশের লেকটি পরিষ্কার করতেই ছয় মাস সময় লেগেছে। এ ধরনের কাজ সহজ নয়, তবে সমালোচনা করা সহজ। যারা সমালোচনায় ব্যস্ত, তাদের মাঠে নেমে মানুষের জন্য কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
তারেক রহমান বলেন, মানুষ ও দেশের স্বার্থে কাজ করতে হবে, সঠিক কথা বলতে হবে। এমন কোনো বক্তব্য দেওয়া উচিত নয়, যাতে দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়।
বিএনপির নেতা-কর্মীদের অতীত আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করে বিএনপির নেতা-কর্মীরা রাজপথে টিকে ছিলেন। অথচ যারা এখন বড় গলায় কথা বলছেন ও মিথ্যাচার করছেন, গত ১৭ বছরে তাদের রাজপথে দেখা যায়নি। দেশের বড় পত্রিকাগুলোর প্রতিবেদন দেখলেই বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপর নির্যাতন, গুম, হত্যা ও মারধরের ঘটনাগুলো সম্পর্কে জানা যায়।
একটি রাজনৈতিক দলের অতীত কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, দলটির নেতারা ১৯৭১ সালে ভুল করেছেন, ১৯৮৬ সালে ভুল করেছেন, ১৯৯৬ সালেও ভুল করেছেন। ২০২৬ সালেও তারা মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি ওই রাজনৈতিক দলের প্রতি উসকানির রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, মানুষের উপকারে কোনো পরিকল্পনা থাকলে তা সংসদে উপস্থাপন করতে হবে এবং জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। ভালো পরিকল্পনা হলে সরকার সেই অনুযায়ী কাজ করবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-২ এবং ঢাকা-১৭ আসনের প্রতিনিধি আবদুর রহমান সানী।
2.png)